হাইলাইটস:
- ২২ জুন ৫২ বছরে পা দিলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়।
- মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম জন্মদিন।
- অভিনেত্রী কীর্তি সুরেশ সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষ বার্তায় শুভেচ্ছা জানান।
- বিজয়ের চলচ্চিত্র তারকা থেকে রাজনৈতিক নেতায় রূপান্তরের প্রশংসা করেন তিনি।
তামিল চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় অভিনেতা এবং বর্তমানে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী C. Joseph Vijay-এর ৫২তম জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক নেতা, সহকর্মী অভিনেতা-অভিনেত্রী এবং অসংখ্য অনুরাগী সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন অভিনেত্রী Keerthy Suresh, যিনি একটি আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে বিজয়ের নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের প্রশংসা করেছেন।
এক্স (সাবেক টুইটার)-এ বিজয়ের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে কীর্তি লেখেন, বহু বছর ধরে বিজয়ের জন্মদিন মানেই ছিল নতুন কোনও ছবির ফার্স্ট লুক, টিজার, ট্রেলার বা সিনেমার ঘোষণা পাওয়ার অপেক্ষা। সেটি অনুরাগীদের কাছে এক বিশেষ রীতি হয়ে উঠেছিল। তবে এ বছরের জন্মদিন সম্পূর্ণ আলাদা অনুভূতি নিয়ে এসেছে। কীর্তি তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম বিজয়ের জন্মদিনে কোনও নতুন চলচ্চিত্র চরিত্রের আত্মপ্রকাশ ঘটছে না। বরং মানুষ প্রত্যক্ষ করছে আরও গুরুত্বপূর্ণ এক পরিবর্তন। তাঁর কথায়, বিজয় নিজেকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন—পর্দার নায়ক হিসেবে নয়, বরং জনসেবার দায়িত্ব গ্রহণ করা একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে।
অভিনেত্রী লেখেন, “এই বছর আমরা একটি সম্পূর্ণ নতুন যাত্রার সূচনা উদ্যাপন করছি। আপনি আর শুধু সিনেমার নায়ক নন, মানুষের জন্য কাজ করতে এগিয়ে আসা এক নেতা। আমরা সবাই আপনার পাশে রয়েছি এবং আপনার সাফল্য কামনা করছি।” বার্তার শেষে তিনি তামিল ভাষায় লেখেন, “என்றென்றும் நம் நெஞ்சில் குடியிருக்கும் தளபதிக்கு இனிய பிறந்தநாள் வாழ்த்துகள்,” যার অর্থ, “আমাদের হৃদয়ে চিরকাল বাস করা থালাপতির জন্য রইল জন্মদিনের শুভেচ্ছা।”
বিজয় দীর্ঘদিন তামিল সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় তারকা ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হওয়ার পরও জনসমর্থনের সেই ভিত্তি অটুট রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম জন্মদিন হওয়ায় এবারের উদ্যাপনের তাৎপর্য ছিল বিশেষ। অনুরাগীদের পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলেও তাঁর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। কীর্তি সুরেশের এই বার্তা শুধু জন্মদিনের শুভেচ্ছাই নয়, বরং বিজয়ের অভিনয়জীবন থেকে রাজনৈতিক নেতৃত্বে উত্তরণের একটি প্রতীকী স্বীকৃতি হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, একজন সুপারস্টার থেকে জননেতায় রূপান্তরিত হওয়ার এই অধ্যায়কে তিনি বিজয়ের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নতুন পরিচয় হিসেবে মনে করছেন।