Home খবর গ্রামে ডাক্তার-সংকট মেটাতে বেসরকারি ক্ষেত্রের দ্বারস্থ মধ্যপ্রদেশ

গ্রামে ডাক্তার-সংকট মেটাতে বেসরকারি ক্ষেত্রের দ্বারস্থ মধ্যপ্রদেশ

Authored By বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক
17 views 2 minutes read
A+A-
Reset

হাইলাইটস:

  • মধ্যপ্রদেশে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকের শূন্যপদ উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে।
  • গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে সচল রাখতে বেসরকারি চিকিৎসকদের নিয়োগের পরিকল্পনা।
  • চুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থায় বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ।
  • স্বাস্থ্য পরিষেবার মান বজায় রাখা এবং মাতৃ-শিশু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

মধ্যপ্রদেশে সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে চিকিৎসকের তীব্র ঘাটতি রাজ্য সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বহু প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং কমিউনিটি হেলথ সেন্টার দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ছাড়াই চলছে। ফলে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার জন্য বহু দূরে যেতে হচ্ছে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্য সরকার এবার বেসরকারি ক্ষেত্রের সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, যেখানে স্থায়ী চিকিৎসক নিয়োগ সম্ভব হচ্ছে না, সেখানে চুক্তিভিত্তিকভাবে বেসরকারি চিকিৎসকদের কাজে লাগানো হবে। এর মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং সাধারণ চিকিৎসক—উভয় ক্ষেত্রেই শূন্যপদ পূরণের চেষ্টা করা হবে।

সরকারের হিসাব অনুযায়ী, বহু গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অনুমোদিত পদের তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা অনেক কম। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ায় এবং অনেক চিকিৎসক প্রত্যন্ত এলাকায় কাজ করতে অনাগ্রহী হওয়ায় সমস্যা আরও জটিল হয়েছে। ফলে প্রসূতি পরিষেবা, শিশুস্বাস্থ্য, সংক্রামক রোগের চিকিৎসা এবং জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, বেসরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পরিষেবা নেওয়া হবে। স্থানীয় স্তরে চিকিৎসক পাওয়া গেলে রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছে প্রশাসন। একই সঙ্গে টেলিমেডিসিন ও ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবার পরিকাঠামোও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এটি স্বল্পমেয়াদি সমাধান হিসেবে কার্যকর হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থায় স্থায়ী চিকিৎসক নিয়োগ, উন্নত কর্মপরিবেশ এবং গ্রামীণ এলাকায় কাজের জন্য অতিরিক্ত প্রণোদনা দেওয়ার ওপর জোর দিতে হবে। নইলে চিকিৎসক সংকটের মূল সমস্যার সমাধান হবে না।

রাজ্য সরকারের আশা, বেসরকারি ক্ষেত্রের সহায়তায় গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ কিছুটা কমবে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। বিশেষ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, টিকাকরণ এবং প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সচল রাখতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

Description. online stores, news, magazine or review sites.

Edtior's Picks

Latest Articles