হাইলাইটস:
- রামমন্দির অনুদান গণনায় চুরির অভিযোগ নিয়ে প্রথমবার প্রকাশ্যে মুখ খুললেন চম্পত রাই।
- ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর এক্স-এ হাতে লেখা চিঠি প্রকাশ করেন তিনি।
- দাবি, ট্রাস্টের অনুরোধে এসআইটির প্রাথমিক তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নীরব ছিলেন।
- এসআইটির প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরই নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন রাই।
- তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগকে ‘অন্যায্য’ বলেও উল্লেখ করেছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই নেতা।
বাংলাস্ফিয়ার: রামমন্দিরে অনুদানের অর্থ গণনার সময় চুরির অভিযোগ ঘিরে চলা বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা ও সদ্য পদত্যাগী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই।
এক্স-এ প্রকাশ করা হাতে লেখা একটি চিঠিতে তিনি জানান, গত ৬ জুন ২০২৬ থেকে রামমন্দিরের দানবাক্সে জমা হওয়া অনুদান গণনার সময় চুরির অভিযোগ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলেছে। সেই ঘটনায় তাঁকেও ব্যক্তিগতভাবে নানা ‘অন্যায্য অভিযোগ’-এর মুখে পড়তে হয়েছে।
চিঠিতে চম্পত রাই লিখেছেন, “আমার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অন্যায্য অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু ট্রাস্টের ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে আমি এতদিন নীরব ছিলাম। কারণ, বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) প্রাথমিক তদন্ত করে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছিল, যা যাচাই করা হচ্ছিল। সেই রিপোর্ট এখন প্রকাশ্যে এসেছে।”
রাইয়ের বক্তব্য, তদন্ত চলাকালীন প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করলে তদন্ত প্রক্রিয়া প্রভাবিত হতে পারত। তাই তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই নীরবতা বজায় রেখেছিলেন।
রামমন্দিরে অনুদান সংক্রান্ত এই বিতর্ক সামনে আসার পর চম্পত রাই ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দেন। এরপর থেকেই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির পাশাপাশি বিভিন্ন মহলে তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। যদিও শুরু থেকেই তিনি প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।
এবার সেই নীরবতা ভেঙে তিনি স্পষ্ট করেছেন, তাঁর নীরবতা কোনও স্বীকারোক্তি ছিল না; বরং ট্রাস্টের সিদ্ধান্ত এবং তদন্তের স্বার্থেই তিনি অপেক্ষা করেছিলেন।
রামমন্দিরের অনুদান-কাণ্ড এখনো তদন্তাধীন। এসআইটির প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ্যে এলেও তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল এবং দায় নির্ধারণের প্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে এই মামলায় আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।