মোটিভেশন

কার্গিল যুদ্ধের ছায়ায় শৈশব, উদ্ভাবনে বদলে দিলেন শ্রেণিকক্ষ: জাতীয় শিক্ষক সম্মান পেলেন মহম্মদ মুস্তাফা

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • বাংলাস্ফিয়ার: কার্গিলে তখন গোলাবর্ষণের শব্দ রোজকার জীবনেরই অংশ।
  • সেই আতঙ্কের মধ্যেই বইখাতা নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতেন স্কুলপড়ুয়া মহম্মদ মুস্তাফা কামাল।
  • কয়েক দশক পরে সেই ছেলেই পরিত্যক্ত সামরিক বাঙ্কারকে গবেষণাগারে এবং শ্রেণিকক্ষকে সংসদকক্ষে বদলে দিয়েছেন।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

বাংলাস্ফিয়ার: কার্গিলে তখন গোলাবর্ষণের শব্দ রোজকার জীবনেরই অংশ। সেই আতঙ্কের মধ্যেই বইখাতা নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতেন স্কুলপড়ুয়া মহম্মদ মুস্তাফা কামাল। কয়েক দশক পরে সেই ছেলেই পরিত্যক্ত সামরিক বাঙ্কারকে গবেষণাগারে এবং শ্রেণিকক্ষকে সংসদকক্ষে বদলে দিয়েছেন। সীমান্ত অঞ্চলের শিশুদের কাছে পড়াশোনাকে আনন্দদায়ক করে তোলার সেই অভিনব প্রয়াসের স্বীকৃতি হিসেবেই ২০২৬ সালের জাতীয় শিক্ষক সম্মান পেয়েছেন ৪১ বছরের মুস্তাফা।

বালির বাঙ্কারই হয়ে উঠল শ্রেণিকক্ষ

২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত গ্রং পাশকুমের সরকারি মডেল মিডল স্কুলে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের পড়িয়েছেন মুস্তাফা। স্কুল চত্বরে কার্গিল যুদ্ধের সময় প্রতিরক্ষা বাহিনীর তৈরি কয়েকটি পরিত্যক্ত সামরিক বাঙ্কার ছিল।

মুস্তাফা বলেন, ‘‘সাধারণত বাঙ্কার উল্লম্বভাবে তৈরি হয়। কিন্তু এখানে বালির বাঙ্কারগুলি ছিল অনুভূমিক, অনেকটা গুহার মতো। তখনই আমার মাথায় এল—ফাঁকা পড়ে থাকা বাঙ্কারগুলিকেই গবেষণাগারে বদলে দেওয়া যাক।’’

একটি বাঙ্কারকে তিনি প্রাগৈতিহাসিক যুগের গবেষণাগারে রূপান্তরিত করেন। সেখানে পড়ুয়াদের নিয়ে গিয়ে বোঝাতে শুরু করেন, প্রাচীনকালে মানুষ কীভাবে গুহায় বসবাস করত এবং তাদের দৈনন্দিন জীবন কেমন ছিল।

অল্পদিনের মধ্যেই তিনি লক্ষ করেন, পড়ুয়াদের অংশগ্রহণ বেড়ে গিয়েছে। মুখস্থ করার বদলে তারা বিষয়টিকে উপভোগ করতে শুরু করেছে। মুস্তাফার কথায়, ‘‘জাতীয় শিক্ষানীতিতে যে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে, আমি সেটিকেই বাস্তবে প্রয়োগ করতে চেয়েছিলাম।’’

শ্রেণিকক্ষের ভিতরেই সংসদ

নাগরিকবিদ্যা শেখানোর জন্য মুস্তাফা শ্রেণিকক্ষের বসার ব্যবস্থাটিই পাল্টে দেন। বেঞ্চগুলি ইংরেজি ‘ইউ’ অক্ষরের মতো করে সাজিয়ে শ্রেণিকক্ষকে সংসদের চেহারা দেওয়া হয়। পড়ুয়াদের ভাগ করা হয় শাসক ও বিরোধী—দুই শিবিরে। আর মুস্তাফা নিজে পালন করেন স্পিকারের ভূমিকা।

তাঁর ক্লাসে সমকালীন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিতর্ক করত পড়ুয়ারা। তার মধ্য দিয়েই তারা বুঝতে শিখত, জাতীয় স্তরে গণতন্ত্র কীভাবে কাজ করে।

মহেঞ্জোদারোর বিখ্যাত বৃহৎ স্নানাগারকে কেন্দ্র করে তিনি তৈরি করেন ‘গ্রেট বাথ লুডো’। এমন আরও কয়েকটি শিক্ষামূলক খেলার মাধ্যমে পড়ুয়াদের মূল্যায়ন করতেন তিনি। উদ্দেশ্য ছিল পরীক্ষাকে চাপমুক্ত করে তোলা।

প্রাচীন ইতিহাসের ধারণা দিতে পড়ুয়াদের আশপাশে বিভিন্ন ধরনের পাথর ও পুরনো বাসনপত্র খুঁজে দেখতেও বলেন মুস্তাফা। পড়ুয়ারা উৎসাহের সঙ্গে অচল হয়ে যাওয়া হাঁড়ি, কলসি ও নানা পুরনো পাত্র খুঁজে এনে তাঁর সামনে হাজির করত। সেগুলি নিয়ে শ্রেণিকক্ষে আলোচনা চলত। ধীরে ধীরে সেই পুরনো পাত্রগুলিই শ্রেণিকক্ষের কোণগুলি সাজিয়ে তোলে। ইতিহাসের প্রতি পড়ুয়াদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহও তাতে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

পড়ুয়াদের ফল ভালো হতে শুরু করে। সমাজবিজ্ঞান যে নিছক একঘেয়ে বিষয় নয়, সেই ধারণা প্রতিষ্ঠার জন্য মুস্তাফার উৎসাহও আরও বেড়ে যায়।

যে দুই পড়ুয়া এখনও অনুপ্রেরণা দেয়

শিক্ষকতার জীবনে পড়ুয়াদের সঙ্গে দু’টি সাক্ষাতের কথা বিশেষভাবে মনে রেখেছেন মুস্তাফা। তাঁর মতে, ওই দুই মুহূর্ত আজও তাঁকে উৎসাহ ও কৃতজ্ঞতায় ভরিয়ে দেয়।

প্রথম ঘটনাটি এক মাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়াকে ঘিরে। সে ইতিহাসকে ‘ব্যবহারিক’ বিষয় বলে বর্ণনা করেছিল। সাধারণত বিজ্ঞান বা বাণিজ্যের মতো বিষয়ের সঙ্গেই এই বিশেষণটি ব্যবহার করা হয়। ফলে ওই মন্তব্য মুস্তাফার কাছে ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি যা করতে চেয়েছিলেন, পড়ুয়ার মন্তব্যটি যেন তারই স্বীকৃতি—ইতিহাস শুধু মুখস্থ করার নয়, তাকে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে উপলব্ধিও করা যায়।

মুস্তাফা বলেন, ‘‘এই প্রথম আমার বিষয়কে ব্যবহারিক বলা হয়েছিল, তা-ও আবার একজন স্কুলপড়ুয়ার মুখে। পড়ুয়ারা বিষয়টিকে কীভাবে দেখতে শুরু করেছে, তা ওই মন্তব্যেই বোঝা গিয়েছিল।’’

দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে বাঙ্কার থেকে তৈরি গবেষণাগারে। মুস্তাফা তখন ক্লাস নিচ্ছিলেন। সদ্য ভর্তি হওয়া শিশুশ্রেণির একটি পড়ুয়া হাতে পেয়ালার মতো দেখতে একটি পাথর নিয়ে উত্তেজিতভাবে তাঁর দিকে ছুটে আসে। শিশুটি জানায়, সে একটি অদ্ভুত পাথর আবিষ্কার করেছে।

মুস্তাফা বলেন, ‘‘পাথরটি এখনও আমার বাড়িতে রাখা আছে। এত ছোট একটি শিশুও কতটা অনুসন্ধিৎসু হতে পারে, সেটি মনে করিয়ে দেওয়া আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান স্মৃতি।’’

বাবার ত্যাগেই তৈরি হয়েছে পথ

নিজের সাফল্যের পিছনে বাবা হাজি মহম্মদ আলির অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছেন মুস্তাফা। তিনি যখন শ্রীনগরে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছিলেন, তখন তাঁর বাবাই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী।

মুস্তাফা কলেজে প্রবেশ করার সময় তাঁর বাবা হস্তচালিত তাঁত বিভাগ থেকে অবসর নিয়েছিলেন। বাবার পেনশনই তখন মুস্তাফা, তাঁর তিন দিদি ও এক ছোট বোনের সংসারের একমাত্র আয়ের উৎস।

আর্থিক সংকটের চাপ বাবা কখনও পরিবারের সদস্যদের বুঝতে দেননি। কিন্তু মুস্তাফা জানতেন, সংসার চালাতে তাঁকে কতটা চাপ সহ্য করতে হচ্ছে। সেই উপলব্ধিই তাঁকে আরও মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার সংকল্প জুগিয়েছিল।

তবে এই যাত্রাপথে নিজের একটি স্বপ্ন নীরবে বিসর্জন দিতে হয়েছিল তাঁকে।

মুস্তাফা বলেন, ‘‘শিক্ষাক্ষেত্রে আসার আগে আমি সব সময় ক্রিকেটার হতে চেয়েছিলাম। শ্রীনগরে গিয়ে ছেলেদের নেটে অনুশীলন করতে দেখতাম। আমি তাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারি কি না, জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে বলা হয়, তারা এমন সব প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ভর্তি, যেখানে বিপুল টাকা লাগে। জানতাম, বাবার পক্ষে সেই খরচ বহন করা সম্ভব নয়। তাই ক্রিকেটের প্রতি আমার ভালোবাসার কথা তাঁকে কোনও দিন বলিনি।’’

শেষ পর্যন্ত পরিবারের সাধ্যের মধ্যে থাকা একমাত্র সম্পদ—শিক্ষার উপরেই তিনি ভরসা করেন। ক্রিকেটের স্বপ্ন ছেড়ে দেওয়া সহজ ছিল না। কিন্তু নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে পড়াশোনা এবং পরে শিক্ষকতার কাজে প্রবাহিত করেন মুস্তাফা। যে সুযোগ তিনি একসময় পাননি, অন্য শিশুদের সামনে সেই সুযোগ তৈরি করাই হয়ে ওঠে তাঁর জীবনের লক্ষ্য।

সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে সাক্ষাৎ থেকে রাজ্য সম্মান

২০১৬ সালে একটি শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে লাদাখের উদ্ভাবক ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে মুস্তাফার দেখা হয়। সেখানে তিনি একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্পের কথা তুলে ধরেছিলেন।

শিক্ষা দফতরের সমমনস্ক শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত লাদাখের একটি শিক্ষক সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দশ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন মুস্তাফা। প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্কুলগুলিতে গিয়ে সেখানকার প্রধান সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা এবং সেই অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিল সংগঠনটি।

পরীক্ষামূলক প্রকল্পের অধীনে শিক্ষার মান কতটা উন্নত হচ্ছে, তা পর্যবেক্ষণের জন্য সংগঠনটিকে দু’বছর সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলি পরিচালনা করতে হত।

মুস্তাফা নিজের পরিকল্পনা ওয়াংচুকের সামনে তুলে ধরলে তিনি জানান, ধারণাটি তাঁর কাছে নতুন নয়। মুস্তাফার স্মৃতিতে ওয়াংচুক বলেছিলেন, ‘‘এমন কথা সরকারের প্রতিটি নথিতেই রয়েছে। তাই ধারণাটি আমার কাছে নতুন নয়। কিন্তু এই প্রথম আমি নিচের স্তর থেকে উঠে আসা এমন একটি উদ্যোগ দেখছি।’’

বড় অথচ বাস্তবায়ন করা কঠিন এমন পরিকল্পনার বদলে ছোট ও সাধ্যের মধ্যে থাকা প্রকল্প গ্রহণের উপর জোর দেন ওয়াংচুক। তিনি লাদাখ স্বশাসিত পার্বত্য উন্নয়ন পরিষদকে উদ্যোগটির অনুমোদন দেওয়ার অনুরোধও জানান।

পরিষদ সম্মতি দেওয়ার পরে সংগঠনটি লাদাখের দু’টি মিডল স্কুলে কাজ শুরু করে। দু’টি স্কুলেই উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যায়। কার্গিলের স্কুলটি দু’টি জাতীয় পুরস্কার পায়। লাংকারচে থাং সরকারি মিডল স্কুলে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে মুস্তাফাও ২০২১ সালে শিক্ষকতা ও শিক্ষাক্ষেত্রে লাদাখ রাজ্য সম্মান লাভ করেন।

শিক্ষকের হাতেই শিশুর ভবিষ্যৎ নির্মাণ

মুস্তাফার মতে, শিক্ষকদের হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির যুগে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিক ব্যবহার সম্পর্কে পড়ুয়াদের চেয়েও শিক্ষকদের বেশি সচেতন হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

তাঁর কথায়, ‘‘পড়ুয়াদের পিছনে সময় ও শ্রম দেওয়া, তাদের তৈরি করা এবং তারা জীবনে প্রকৃতপক্ষে কী অর্জন করতে চায়, সে সম্পর্কে যথাযথ পথনির্দেশ দেওয়াই শিক্ষকদের প্রধান দায়িত্ব। লাদাখ থেকে আরও সোনম ওয়াংচুক তৈরি করতে হলে পড়ুয়াদের পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান চামচে করে খাইয়ে প্রচলিত পথে হাঁটতে বললে হবে না। তাদের নিজেদের পথ খুঁজে নিতে সাহায্য করতে হবে।’’

নতুন দায়িত্ব, নতুন অঙ্গীকার

শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, পাঠ্যক্রম নির্মাণ এবং জাতীয় শিক্ষাগত গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদের বিভিন্ন শিক্ষামূলক কাজেও অবদান রেখেছেন মুস্তাফা। কার্গিলের গ্রামীণ সরকারি স্কুলগুলিকে শক্তিশালী করে তুলতে স্থানীয় মানুষ এবং স্কুল পরিচালন সমিতিগুলির সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন তিনি।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী নিয়োগ কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্কুল শিক্ষা দফতরে ইতিহাসের প্রভাষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন মুস্তাফা। এটি দ্বিতীয় শ্রেণির রাজপত্রিত পদ।

জাতীয় শিক্ষক সম্মান প্রসঙ্গে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের স্বীকৃতির জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। তবে এই সম্মান তাঁর দায়িত্বও দ্বিগুণ করে দিয়েছে।

মুস্তাফার কথায়, ‘‘দেশের জন্য আত্মবিশ্বাসী পড়ুয়া তৈরি করার দায়িত্ব এই পুরস্কার দ্বিগুণ করে দিয়েছে।’’

এই স্বীকৃতি শিক্ষাক্ষেত্রে আরও কাজ করার সংকল্পকে শক্তিশালী করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ এবং দেশকে ‘উন্নত ভারত’-এর লক্ষ্যের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়াই এখন তাঁর স্বপ্ন।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles