International

হাসিমুখের আড়ালে?

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • পঁচিশ বছর আগে সান দিয়েগোর এক আবাসনে দুই নতুন ভাড়াটে এসেছিলেন।
  • শান্ত, ভদ্র, প্রায় নির্বিকার—তাঁদের দেখে সন্দেহ করার মতো কিছুই পাননি বাড়ির ব্যবস্থাপক হলি র‍্যাচফোর্ড।
  • বিদেশ থেকে সদ্য আমেরিকায় আসা দুই যুবক, বাড়ি ভাড়া নিতে চাইছেন—ব্যাপারটা তাঁর কাছে একেবারেই স্বাভাবিক মনে হয়েছিল।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

পঁচিশ বছর আগে সান দিয়েগোর এক আবাসনে দুই নতুন ভাড়াটে এসেছিলেন। শান্ত, ভদ্র, প্রায় নির্বিকার—তাঁদের দেখে সন্দেহ করার মতো কিছুই পাননি বাড়ির ব্যবস্থাপক হলি র‍্যাচফোর্ড। বিদেশ থেকে সদ্য আমেরিকায় আসা দুই যুবক, বাড়ি ভাড়া নিতে চাইছেন—ব্যাপারটা তাঁর কাছে একেবারেই স্বাভাবিক মনে হয়েছিল।

আর তাঁদের সঙ্গে যিনি এসেছিলেন? র‍্যাচফোর্ডের কাছে তিনি ছিলেন আরও পরিচিত এক মুখ—সদা হাস্যময়, মিশুকে, পরোপকারী এক প্রতিবেশী।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের পর সেই ছবিটাই বদলে যায়।

র‍্যাচফোর্ড জানতে পারেন, তাঁর সেই দুই ভাড়াটে নাওয়াফ আল-হাজমি এবং খালিদ আল-মিহদার আসলে আল-কায়দার সদস্য। আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ৭৭ নম্বর উড়ান ছিনতাই করে পেন্টাগনে আঘাত হানা পাঁচ ছিনতাইকারীর মধ্যে ছিলেন তাঁরা দু’জন। আর তাঁদের বাড়ি পেতে সাহায্য করা সৌদি নাগরিক ওমর আল-বাইউমিকে পরবর্তী তদন্তে সৌদি গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগী বা তথ্যদাতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

বিবিসির কাছে প্রথম বার প্রকাশ্যে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন র‍্যাচফোর্ড। তাঁর স্মৃতিচারণ ৯/১১-এর ছিনতাইকারীদের আমেরিকায় নিজেদের জায়গা তৈরি করতে সাহায্য করা সম্ভাব্য সহায়তা-জাল নিয়ে পুরনো বিতর্ককে ফের সামনে এনেছে।

তবে শুরুতেই একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা: বাইউমির ভূমিকা নিয়ে যত সন্দেহ ও নথি সামনে এসেছে, সেগুলি সৌদি সরকার সরাসরি ৯/১১ হামলার পরিকল্পনায় যুক্ত ছিল—এমন চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। সৌদি আরব এবং বাইউমি দু’পক্ষই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

একটি বাড়ি, দুই ভাড়াটে

১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ক্যালিফর্নিয়ার সান দিয়েগোর পার্কউড অ্যাপার্টমেন্টসে উঠেছিলেন বাইউমি। সেই আবাসনের ব্যবস্থাপক ছিলেন র‍্যাচফোর্ড।

তাঁর স্মৃতিতে বাইউমি ছিলেন প্রাণবন্ত মানুষ। আবাসনের সুইমিং পুল ঘিরে আয়োজিত সামাজিক অনুষ্ঠানেও তাঁকে নিয়মিত দেখা যেত। হাসিখুশি, বন্ধুবৎসল—একজন আদর্শ প্রতিবেশীর মতোই মনে হয়েছিল তাঁকে।

তাই কয়েক বছর পর তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ শুনে র‍্যাচফোর্ড নিজেই যেন নিজের স্মৃতিকে বিশ্বাস করতে পারেননি।

২০০০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাইউমি দুই সৌদি যুবককে নিয়ে তাঁর অফিসে হাজির হন। তাঁরা নাওয়াফ আল-হাজমি ও খালিদ আল-মিহদার। আমেরিকায় সদ্য আসা ওই দু’জনের আর্থিক অবস্থান আবাসনের নিয়ম অনুযায়ী বাড়ি ভাড়া নেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট ছিল না।

সমস্যার সমাধান করলেন বাইউমি।

তিনি তাঁদের হয়ে জামিনদার হলেন এবং ভাড়ার চুক্তিতে সহস্বাক্ষর করলেন। শুধু তা-ই নয়, তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাঙ্কে হিসাব খোলা, অগ্রিম ভাড়ার টাকা জোগাড় করা এবং নতুন দেশে দৈনন্দিন জীবন শুরু করার মতো নানা বিষয়েও তিনি সাহায্য করেছিলেন।

র‍্যাচফোর্ডের চোখে তখন এসব ছিল নিছক সাহায্য। দুই যুবকও ছিলেন বিনয়ী ও ভদ্র। তাঁদের আচরণে এমন কিছুই ছিল না, যা দেখে বিপদের আঁচ পাওয়া সম্ভব।

কিন্তু মাত্র দেড় বছরের মধ্যে সেই সাধারণ বাড়ি ভাড়ার ঘটনাই জড়িয়ে পড়ে ইতিহাসের ভয়াবহতম সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে।

১১ সেপ্টেম্বরের পর

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়দার ১৯ জন সদস্য চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করেন। দুটি বিমান নিউ ইয়র্কের বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রের যমজ অট্টালিকায় আঘাত হানে, একটি পেন্টাগনে এবং চতুর্থটি পেনসিলভেনিয়ায় ভেঙে পড়ে। প্রায় তিন হাজার মানুষ নিহত হন।

হাজমি ও মিহদার ছিলেন পেন্টাগনে আঘাত হানা আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ৭৭ নম্বর উড়ানের পাঁচ ছিনতাইকারীর মধ্যে দু’জন।

র‍্যাচফোর্ড তখনও জানতেন না, টেলিভিশনের পর্দায় দেখা সেই হামলার সঙ্গে তাঁর প্রাক্তন ভাড়াটেদের যোগ রয়েছে।

তার পর একদিন ফোন এল।

এক মহিলা প্রথমে তাঁর কাছে দুই প্রাক্তন ভাড়াটের সম্পর্কে তথ্য জানতে চান। হঠাৎ প্রশ্ন করেন—র‍্যাচফোর্ড কি জানতেন, ওই দু’জন সন্ত্রাসবাদী এবং পেন্টাগনে বিমান আছড়ে ফেলেছেন?

র‍্যাচফোর্ডের প্রতিক্রিয়া ছিল অবিশ্বাস—“কী বলছেন?”

১১ সেপ্টেম্বরের মাত্র তিন দিন পর, ১৪ সেপ্টেম্বর, এফবিআইয়ের আধিকারিকেরা তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের হাতে তিনি তুলে দেন বাইউমির স্বাক্ষর করা জামিনদারের নথি।

একটি সাধারণ ভাড়ার কাগজ তখন হয়ে উঠেছে ৯/১১ তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র।

‘বাইউমির জাল’

৯/১১ তদন্তের সঙ্গে যুক্ত প্রাক্তন এফবিআই আধিকারিক রিচার্ড ল্যামবার্টের দাবি, অনুসন্ধান করতে গিয়ে তদন্তকারীরা এমন একটি সম্ভাব্য সহায়তা-জালের সন্ধান পেয়েছিলেন, যার কেন্দ্রে ছিলেন বাইউমি।

বাইউমির নিজের ব্যাখ্যা অবশ্য সম্পূর্ণ আলাদা।

তাঁর দাবি, লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি রেস্তরাঁয় হাজমি ও মিহদারের সঙ্গে হঠাৎ পরিচয় হয়েছিল। তাঁদের আরবি উচ্চারণ শুনে তিনি কথা বলেন। স্বদেশি দুই যুবককে নতুন দেশে সমস্যায় পড়তে দেখে মানবিকতার কারণেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। তাঁদের সন্ত্রাসী পরিচয় বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না বলে দাবি করেছেন বাইউমি।

প্রথম দিকের সরকারি তদন্তও অনেকাংশে এই ব্যাখ্যাকে সমর্থন করেছিল। ২০০৪ সালের ৯/১১ কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাইউমি হিংসাত্মক চরমপন্থায় বিশ্বাস করতেন বা জেনেশুনে কোনও চরমপন্থী সংগঠনকে সাহায্য করেছিলেন—এমন বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ কমিশন পায়নি।

কিন্তু পরে গোপন নথি প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন ফের জোরালো হয়।

‘অপারেশন এনকোর’ নামে এফবিআইয়ের দীর্ঘ তদন্তে সান দিয়েগোয় হাজমি ও মিহদারের জীবন এবং তাঁদের সাহায্য করা ব্যক্তিদের খতিয়ে দেখা হয়। ২০১৭ সালের একটি এফবিআই মূল্যায়নে বাইউমিকে সৌদি আরবের সাধারণ গোয়েন্দা অধিদপ্তরের একজন ‘সহযোগী’ বা খণ্ডকালীন তথ্যদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

আরও একটি মূল্যায়নে তদন্তকারীরা বলেন, ৯/১১-এর হামলা ঘটতে চলেছে—বাইউমি তা আগে থেকে জানতেন কি না, সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কিন্তু তদন্তকারীরা নিশ্চিত সিদ্ধান্তেও পৌঁছতে পারেননি।

অর্থাৎ, সন্দেহ ছিল প্রবল; নিশ্চিত প্রমাণের প্রশ্নটি থেকেই গিয়েছিল।

শুধু বাড়ি নয়, আরও অনেক কিছু

সান দিয়েগোয় হাজমি ও মিহদার আসার পর তাঁদের আবাসনে একটি অনুষ্ঠান করেছিলেন বাইউমি। সেখানে এলাকার প্রায় দু’ডজন মুসলিম বাসিন্দা উপস্থিত ছিলেন।

বাইউমির দাবি, এক সৌদি ধর্মপ্রচারকের সম্মানে ওই অনুষ্ঠান হয়েছিল। কিন্তু পরে উদ্ধার হওয়া চিত্রধারণ ঘিরে তৈরি হয় নতুন প্রশ্ন।

ব্রিটিশ পুলিশ বাইউমির বাড়ি থেকে ওই অনুষ্ঠানের ভিডিও উদ্ধার করেছিল। প্রথমে তার একটি সংক্ষিপ্ত অংশ তদন্তকারীদের হাতে এলেও পরে পাওয়া পূর্ণ ফুটেজে হাজমি ও মিহদারকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যায় বলে মামলাকারীদের আইনজীবীরা দাবি করেন।

তাঁদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে। পরে তাঁদের কেউ ইংরেজি শেখার ক্লাসে ভর্তি হতে, কেউ ফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা নিতে, আবার কেউ ব্যবহৃত গাড়ি কিনতে সাহায্য করেন।

অর্থাৎ, মামলাকারীদের বক্তব্য, বাইউমির সাহায্য শুধু একটি বাড়ি খুঁজে দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি এমন একটি সামাজিক নেটওয়ার্কের দরজাও খুলে দিয়েছিলেন, যার সাহায্যে দুই যুবক আমেরিকায় নিজেদের স্বাভাবিক জীবনের একটি আবরণ তৈরি করতে পেরেছিলেন।

তবে এই দাবিগুলিও পরিস্থিতিগত প্রমাণের পর্যায়ে। এগুলি থেকে বাইউমি সরাসরি ৯/১১-এর পরিকল্পনা করেছিলেন বা হামলার কথা নিশ্চিত ভাবে জানতেন—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না।

ওয়াশিংটনের ছবিও প্রশ্ন তুলেছিল

তদন্তকারীদের হাতে আসা আরও একটি চিত্রধারণও সন্দেহ বাড়ায়। ১৯৯৯ সালে ওয়াশিংটনে ধারণ করা ওই ফুটেজে বাইউমিকে ক্যাপিটল ভবন, ওয়াশিংটন স্মৃতিস্তম্ভ এবং বিভিন্ন প্রবেশপথ ও নিরাপত্তা-ব্যবস্থা দেখাতে দেখা যায়।

তাঁর একটি খাতায় পাওয়া বিমানের হাতে আঁকা নকশা এবং কিছু হিসাব নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এক অভিজ্ঞ বিমানচালক আদালতে জানান, ওই ধরনের হিসাব বিমানের কোনও লক্ষ্যবস্তুর দিকে নিম্নগমনের হার নির্ধারণে ব্যবহার করা সম্ভব।

কিন্তু এখানেও একই সমস্যা—সন্দেহজনক মানেই অপরাধ প্রমাণিত নয়।

গ্রেফতার হয়েছিলেন, অভিযোগ হয়নি

৯/১১-এর মাত্র দশ দিন পর ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে বাইউমিকে গ্রেফতার করেছিল ব্রিটিশ পুলিশ। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল হাজার হাজার পাতার নথি, বহু ঘণ্টার অডিয়ো-ভিডিয়ো এবং ব্যক্তিগত নোট।

তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ আনা হয়নি। তিনি মুক্তি পান।

পরে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে প্রশ্ন ওঠে, এফবিআই প্রয়োজনীয় তথ্য ব্রিটিশ তদন্তকারীদের না দেওয়ার কারণেই কি তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি? নথি ও অন্যান্য উপাদান হাতে থাকা সত্ত্বেও আমেরিকা কেন তাঁর প্রত্যর্পণ চায়নি, সেই প্রশ্নেরও পুরোপুরি সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি।

আদালতে ফের উঠল পুরনো প্রশ্ন

৯/১১-এ নিহতদের কয়েকটি পরিবার বহু বছর ধরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মামলা চালিয়ে আসছে। তাঁদের অভিযোগ, সৌদি প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তি আমেরিকায় ছিনতাইকারীদের সাহায্য করেছিলেন।

২০২৫ সালের অগস্টে নিউ ইয়র্কের একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত সৌদি আরবের মামলা খারিজের আবেদন নাকচ করে দেয়। বিচারক মনে করেন, পেশ করা তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তিসঙ্গত ভাবে এমন সম্ভাবনা বিবেচনা করা যায় যে, বাইউমি এবং সৌদি কূটনীতিক ফাহাদ আল-থুমাইরি ছিনতাইকারীদের সাহায্য করার সময়ে সৌদি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে থাকতে পারেন।

তবে এটিও সৌদি আরবকে ৯/১১ হামলার জন্য দায়ী সাব্যস্ত করার রায় নয়। আদালত শুধু মনে করেছে, অভিযোগগুলি পূর্ণাঙ্গ বিচারে পরীক্ষা করার মতো যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে। সৌদি আরব সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন করেছে।

সৌদি সরকারের বক্তব্য, ৯/১১ কমিশন আগেই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনও নির্ভরযোগ্য ভিত্তি পায়নি। বাইউমিও গুপ্তচর হওয়া বা সন্ত্রাসীদের জেনেশুনে সাহায্য করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

পঁচিশ বছর পরেও প্রশ্ন একই

হলি র‍্যাচফোর্ডের বয়ান কোনও রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু তাঁর স্মৃতিতে উঠে আসে ৯/১১-এর আর একটি অস্বস্তিকর দিক—কী ভাবে সম্ভাব্য সহায়তা-জাল তৈরি হতে পারে একেবারে সাধারণ সামাজিক সম্পর্কের আড়ালে।

একজন হাসিখুশি প্রতিবেশী।
একটি বাড়ি ভাড়ার আবেদন।
জামিনদারের স্বাক্ষর।
ব্যাঙ্কে হিসাব খোলা।
নতুন বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয়।

সবই আলাদা করে দেখলে স্বাভাবিক। কিন্তু ইতিহাসের ভয়াবহতম সন্ত্রাসী হামলার পর সেই ছোট ছোট ঘটনাগুলিই নতুন অর্থ পেতে শুরু করে।

বাইউমি কি সত্যিই নিছক সহৃদয় এক প্রবাসী ছিলেন, যিনি স্বদেশি দুই যুবককে সাহায্য করেছিলেন? নাকি তিনি সৌদি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর ভূমিকা ছিল ছিনতাইকারীদের আমেরিকায় নিজেদের জায়গা তৈরি করতে সাহায্য করা?

পঁচিশ বছর পরেও সেই প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর মেলেনি। আর র‍্যাচফোর্ডের স্মৃতিতে থাকা সেই ‘হাসিখুশি প্রতিবেশী’ তাই ৯/১১-এর ইতিহাসে আজও এক অস্বস্তিকর রহস্যের নাম।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles