‘ভাইব’-এ গুপ্তচর, কিন্তু গুবলেট!

যা জানা জরুরি
- পরিচালক হিসেবে প্রথম ছবি ‘মাডগাঁও এক্সপ্রেস’-এই দর্শককে চমকে দিয়েছিলেন কুণাল কেমু।
- তিন বন্ধুর গোয়া সফরকে ঘিরে অপরাধ, ভুল বোঝাবুঝি আর একের পর এক উদ্ভট পরিস্থিতি মিলিয়ে তৈরি করেছিলেন জমজমাট হাসির আখ্যান।
- দ্বিতীয় ছবি ‘ভাইব’-এও সেই চেনা মাটিতেই ফিরছেন কুণাল।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
পরিচালক হিসেবে প্রথম ছবি ‘মাডগাঁও এক্সপ্রেস’-এই দর্শককে চমকে দিয়েছিলেন কুণাল কেমু। তিন বন্ধুর গোয়া সফরকে ঘিরে অপরাধ, ভুল বোঝাবুঝি আর একের পর এক উদ্ভট পরিস্থিতি মিলিয়ে তৈরি করেছিলেন জমজমাট হাসির আখ্যান। দ্বিতীয় ছবি ‘ভাইব’-এও সেই চেনা মাটিতেই ফিরছেন কুণাল। তবে এ বার stakes অনেক বড়—দুই আনাড়ি বন্ধুর কাঁধে এসে পড়েছে গোটা দেশকে বাঁচানোর দায়িত্ব!
বুধবার প্রকাশিত ‘ভাইব’-এর ঝলকে পরিচয় হল কুণালের হার্দিক এবং স্পর্শ শ্রীবাস্তবের বাগসের সঙ্গে। আপাতদৃষ্টিতে দু’জনেই একেবারে সাধারণ যুবক। বীরত্ব, গুপ্তচরবৃত্তি কিংবা বিপজ্জনক অভিযানের সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্কই নেই। অথচ ঘটনাচক্রে এই দুই অপ্রস্তুত বন্ধুকেই নামতে হয় গুপ্তচরের ভূমিকায়। দেশ যখন বড় বিপদের মুখে, তখন তার মোকাবিলার দায়িত্ব গিয়ে পড়ে এমন দু’জনের হাতে, যাঁরা নিজেদের জীবনই ঠিকঠাক সামলাতে পারেন না!
এই অসম্ভব অভিযানের নেপথ্যে রয়েছেন রহস্যময়ী ‘ম্যাডাম এইচ’। চরিত্রটিতে দীর্ঘ বিরতির পর বড় পর্দায় ফিরছেন প্রীতি জি জিন্টা। দাপুটে, কর্তৃত্বপূর্ণ অথচ কৌতুকময় ভঙ্গিতে তাঁর চরিত্রই হার্দিক ও বাগসকে গুপ্তচরের মিশনে পাঠান। কিন্তু মুশকিল হল, মিশন যত এগোয়, তাঁদের ভুল, বিভ্রান্তি এবং অনভিজ্ঞতা পরিস্থিতিকে ততই জটিল করে তোলে। দেশ বাঁচানোর গুরুগম্ভীর অভিযান শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় একের পর এক বিপত্তি আর ভুল বোঝাবুঝির হাস্যকর খেলায়।
প্রায় দুই মিনিট ৪৪ সেকেন্ডের ঝলকে রয়েছে দ্রুতগতির দৃশ্য, মারপিট, ধাওয়া, বিস্ফোরণ এবং সংলাপনির্ভর কৌতুকের মশলা। কুণালের ‘গো গোয়া গন’ এবং ‘মাডগাঁও এক্সপ্রেস’-এর উন্মত্ত হাস্যরসের ছাপও চোখে পড়ে। মজার ব্যাপার, আগের ছবিগুলির মতো এখানেও কুণালের চরিত্রের নাম হার্দিক। ঝলকের এক ঝলকেই আবার দেখা মিলেছে কিংবদন্তি অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের।
কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখার পাশাপাশি ছবিটি পরিচালনা করেছেন কুণাল কেমু। অভিনয়েও রয়েছেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে দীনেশলাল যাদব ও যশপাল শর্মাকে। এই ছবির হাত ধরেই বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করছেন বংশিকা ধীর। কুণাল কেমু ও চিরাগ নিহালানি তাঁদের ড্রঙ্গো ফিল্মসের ব্যানারে ছবিটি প্রযোজনা করেছেন। পরিবেশনায় অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিয়োজ।
‘ভাইব’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ১৮ সেপ্টেম্বর। একই দিনে মুক্তি পাওয়ার কথা করিনা কপূর খানের ‘দায়রা’র। অর্থাৎ পারিবারিক সম্পর্কের বাইরে বক্স অফিসেও মুখোমুখি হতে চলেছেন করিনার ননদ সোহা আলি খানের স্বামী কুণাল।
তবে ঝলক যা বলছে, তাতে ‘ভাইব’-এর আসল অস্ত্র দেশ রক্ষার রোমাঞ্চ নয়, বরং সেই রোমাঞ্চ সামলাতে না-পারা দুই গুপ্তচর! যুক্তির বদলে বিশৃঙ্খলা, দক্ষতার বদলে আনাড়িপনা আর বিপদের মাঝেও লাগামছাড়া হাসি—কুণাল কেমুর নতুন ছবির ‘ভাইব’ আপাতত এমনই।
সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট
প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।



