স্পাইডার-ম্যানের জোরেই ‘ডুমসডে’!

যা জানা জরুরি
- মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে দাপট দেখাচ্ছে টম হল্যান্ড অভিনীত ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’।
- বিশ্বজুড়ে ছবিটির বিপুল সাফল্য যে আসন্ন ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’-র উন্মাদনার ফল—চলচ্চিত্র মহলে এমন আলোচনা থাকলেও সোনি পিকচার্সের ভারতীয় শাখার প্রধান শোনি পাঞ্জিকরণ তা মানছেন না।
- তাঁর যুক্তি, সমীকরণটা বরং উল্টো—‘স্পাইডার-ম্যান’-এর সাফল্যই লাভবান করবে ‘ডুমসডে’-কে।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে দাপট দেখাচ্ছে টম হল্যান্ড অভিনীত ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। বিশ্বজুড়ে ছবিটির বিপুল সাফল্য যে আসন্ন ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’-র উন্মাদনার ফল—চলচ্চিত্র মহলে এমন আলোচনা থাকলেও সোনি পিকচার্সের ভারতীয় শাখার প্রধান শোনি পাঞ্জিকরণ তা মানছেন না। তাঁর যুক্তি, সমীকরণটা বরং উল্টো—‘স্পাইডার-ম্যান’-এর সাফল্যই লাভবান করবে ‘ডুমসডে’-কে।
সোনি পিকচার্স রিলিজিং ইন্টারন্যাশনাল, ইন্ডিয়ার জেনারেল ম্যানেজার ও প্রধান শোনি পাঞ্জিকরণ ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ভারতে ‘স্পাইডার-ম্যান’ নিজেই এতটাই শক্তিশালী একটি ব্র্যান্ড যে অন্য কোনও ছবির প্রচার বা জনপ্রিয়তার উপর তাকে ভর করতে হয় না। বরং ‘ব্র্যান্ড নিউ ডে’ যে বিপুল সংখ্যক দর্শককে ফের মার্ভেলের দুনিয়ায় টেনে এনেছে, তার সুফল পেতে পারে ডিসেম্বরে মুক্তি পেতে চলা ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’।
বক্স অফিসে ইতিমধ্যেই ঝড় তুলেছে ‘ব্র্যান্ড নিউ ডে’। বিশ্বজুড়ে ২৩৩ কোটি ৫০ লক্ষ ডলারের বেশি আয় করে ছবিটি সর্বকালের তৃতীয় সর্বোচ্চ উপার্জনকারী ছবির জায়গা করে নিয়েছে। মার্ভেলের ছবির তালিকায় অবশ্য এখনও শীর্ষে রয়েছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। ভারতেও ‘ব্র্যান্ড নিউ ডে’-র দৌড় অব্যাহত। ছবিটির নিট আয় ৫০০ কোটি টাকার দোরগোড়ায়, মোট আয় প্রায় ৬০০ কোটি টাকা। প্রায় সাড়ে ছয় কোটি ডলার আয় করে এটি ভারতে সর্বাধিক উপার্জনকারী হলিউড ছবির তকমাও পেয়েছে। পিছনে পড়েছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’-এর প্রায় ছয় কোটি দশ লক্ষ ডলারের রেকর্ড।
শোনির দাবি, ছবিটি ভারতে বড় সাফল্য পাবে—এ নিয়ে তাঁদের শুরু থেকেই যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস ছিল। কিন্তু এত দ্রুত সেই লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে, তা তাঁরা নিজেরাও ভাবেননি। তাঁর মতে, ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’-এর পর পরিচালক ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন যেভাবে গল্পকে নতুন মোড় দিয়েছেন, সেটিও ছবির সাফল্যের অন্যতম কারণ। পরিচিত চরিত্র, দর্শকের আবেগ এবং নতুন বিপদের মিশেলেই তৈরি হয়েছে এই সাফল্যের রসায়ন।
‘ব্র্যান্ড নিউ ডে’-তে পিটার পার্কার এমন এক পৃথিবীতে নতুন করে জীবন শুরু করে, যেখানে কেউ আর তাকে মনে রাখে না। পুরনো বন্ধুরাও তাকে ছাড়াই এগিয়ে গিয়েছে। সেই নিঃসঙ্গতার মাঝেই নতুন শত্রুদের মোকাবিলায় নামতে হয় তাকে। টম হল্যান্ডের পাশাপাশি ছবিতে ফিরেছেন জেন্ডায়া ও জেকব ব্যাটালন। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন স্যাডি সিঙ্ক, মার্ক রাফালো এবং জন বার্নথাল।
সব মিলিয়ে শোনি পাঞ্জিকরণের বক্তব্যের ইঙ্গিত স্পষ্ট—‘ব্র্যান্ড নিউ ডে’ শুধু নিজের বক্স অফিসের পাল্লাই ভারী করেনি, মার্ভেলের প্রতি দর্শকের আগ্রহও ফের উসকে দিয়েছে। অর্থাৎ ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ পর্দায় আসার আগেই তার জন্য খানিকটা পথ মসৃণ করে দিয়েছে স্পাইডার-ম্যান।
সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট
প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।



