হাইলাইটস:
- বিশ্বকাপ জিতলে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের জন্য প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড বোনাস
- প্রধান কোচ টমাস টুখেল পাবেন প্রায় ৩০ লাখ পাউন্ড, কোচিং স্টাফের জন্য আরও ১০ লাখ পাউন্ড
- ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় খেলোয়াড়দের সম্ভাব্য বোনাস দ্বিগুণেরও বেশি
- নারী দলের বোনাস বিতর্কের পরই পুরুষ দলের জন্য নতুন আর্থিক কাঠামো তৈরি করেছে এফএ
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই ইংল্যান্ড শুধু মাঠে নয়, আর্থিক দিক থেকেও বড় পুরস্কারের সামনে দাঁড়িয়ে। দ্য গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে হ্যারি কেনের হাতে যদি বিশ্বকাপ ওঠে, তাহলে ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) খেলোয়াড়দের মোট প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড বোনাস দেবে। পাশাপাশি প্রধান কোচ Thomas Tuchel পাবেন প্রায় ৩০ লাখ পাউন্ড, আর তাঁর কোচিং স্টাফের জন্য বরাদ্দ থাকবে আরও ১০ লাখ পাউন্ড।
এই অঙ্ক ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে সম্ভাব্য বোনাসের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। বিশ্বকাপ শুরুর আগে খেলোয়াড়দের নেতৃত্ব গোষ্ঠীর সঙ্গে হওয়া চুক্তির ভিত্তিতেই এই বোনাস কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বড় অঙ্কের বোনাস চালুর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে ইংল্যান্ডের নারী দলের। ২০২৩ নারী বিশ্বকাপের আগে বোনাস নিয়ে এফএ-র সঙ্গে প্রকাশ্য বিরোধে জড়িয়েছিলেন লায়নেসরা। পরে সেই বিরোধ মিটে যায় এবং নারী দল বড় অঙ্কের বোনাস পায়। এরপরই পুরুষ দলের জন্যও আরও আকর্ষণীয় বোনাস কাঠামো তৈরি করে এফএ।
এদিকে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাও এবারের বিশ্বকাপে জাতীয় ফুটবল সংস্থাগুলোর জন্য পুরস্কারের অর্থ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। মোট পুরস্কার তহবিল ২০২২ সালের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে। যদিও এবার অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বেড়ে ৪৮ হওয়ায় সেই অর্থ আরও বেশি দেশের মধ্যে ভাগ হবে। চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ কোটি ডলার, যেখানে কাতার বিশ্বকাপে এই অঙ্ক ছিল ৩ কোটি ২০ লাখ ডলার।
ইংল্যান্ড ইতিমধ্যেই কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার নিশ্চিত করেছে। এর প্রায় অর্ধেক খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের মধ্যে বণ্টন করা হবে, নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের ফল যাই হোক না কেন।
প্রত্যেক খেলোয়াড় কত অর্থ পাবেন, তা নির্ভর করবে টুর্নামেন্টে তাঁর মাঠে কাটানো সময়ের ওপর। তবে সমান ভাগ হলে প্রত্যেকের প্রাপ্য হবে প্রায় ৫ লাখ ৭৭ হাজার পাউন্ড। এছাড়া প্রতি ম্যাচে খেলোয়াড়রা ২ হাজার পাউন্ড উপস্থিতি ভাতা পেলেও, দীর্ঘদিনের প্রথা অনুযায়ী সেই অর্থ দান করা হয় দাতব্য কাজে। ২০০৭ সাল থেকে এই উদ্যোগের মাধ্যমে ৫০ লাখ পাউন্ডেরও বেশি অর্থ জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হয়েছে।