বড় খবর

এবার কী তবে নীতিশ পুত্রের অভিষেক?

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • বাংলাস্ফিয়ার: বিহারের দীর্ঘদিনের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের রাজনৈতিক জীবনের শেষ পর্যায় নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে, তখন স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে আরেকটি প্রশ্ন ক্রমশ গুরুত্ব পাচ্ছে—তাঁর ছেলে…
  • তিনি কি সত্যিই সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করবেন, নাকি নীতীশ কুমারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার অন্য কারও হাতে যাবে?
  • নিশান্ত কুমার বহু বছর ধরেই বিহারের রাজনৈতিক আলোচনায় এক রহস্যময় উপস্থিতি।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

বাংলাস্ফিয়ার:  বিহারের দীর্ঘদিনের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের রাজনৈতিক জীবনের শেষ পর্যায় নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে, তখন স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে আরেকটি প্রশ্ন ক্রমশ গুরুত্ব পাচ্ছে—তাঁর ছেলে নিশান্ত কুমারের ভবিষ্যৎ কী? তিনি কি সত্যিই সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করবেন, নাকি নীতীশ কুমারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার অন্য কারও হাতে যাবে?

নিশান্ত কুমার বহু বছর ধরেই বিহারের রাজনৈতিক আলোচনায় এক রহস্যময় উপস্থিতি। কারণ তিনি একজন প্রভাবশালী নেতার পুত্র হলেও প্রকাশ্য রাজনীতি থেকে প্রায় সম্পূর্ণ দূরে থেকেছেন। জনসভা, নির্বাচনী প্রচার বা দলীয় কর্মকাণ্ড, কোনও ক্ষেত্রেই তাঁকে নিয়মিত দেখা যায়নি। বরং তাঁর জীবনযাপন অনেকটাই ব্যক্তিগত এবং নিরিবিলি। জানা যায়, তিনি পেশায় একজন ইঞ্জিনিয়ার এবং দীর্ঘ সময় রাজনীতির বাইরে থেকেছেন।

এই কারণেই যখনই তাঁর রাজনীতিতে আসার সম্ভাবনার কথা ওঠে, সেটি রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি করে।

ভারতের বহু আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ বাস্তবতা হলো পারিবারিক উত্তরাধিকার। যেমন বিহারেই লালু প্রসাদ যাদবের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এখন বহন করছেন তাঁর ছেলে তেজস্বী যাদব। একইভাবে ভারতের অন্য অনেক রাজনীতিতেও পরিবারভিত্তিক নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা দেখা যায়।

কিন্তু নীতীশ কুমারের রাজনীতি বরাবরই একটু ভিন্ন ছিল। তিনি নিজেকে কখনও পারিবারিক রাজনীতির প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরেননি। তাঁর দল জনতা দল(ইউনাইটেড)- এর মধ্যেও কোনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত উত্তরসূরি নেই। এই শূন্যতাই নিশান্ত কুমারকে ঘিরে জল্পনা তৈরি করেছে।

যদি নিশান্ত কুমার সত্যিই রাজনীতিতে প্রবেশ করেন, তবে তাঁর সামনে কয়েকটি সম্ভাব্য পথ রয়েছে।

প্রথম পথটি হলো ধীরে ধীরে রাজনীতিতে প্রবেশ করা—প্রথমে দলের সাংগঠনিক কাজ, পরে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া। এটি ভারতীয় রাজনীতিতে সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি।

দ্বিতীয় সম্ভাবনা হলো সরাসরি বড় ভূমিকা পাওয়া। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, যদি নীতীশ কুমার সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান, তবে জেডিইউর ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রশ্নে নিশান্তকে সামনে আনা হতে পারে।

তবে এর জন্য তাঁর রাজনৈতিক দক্ষতা, জনসংযোগ এবং সংগঠন পরিচালনার ক্ষমতা প্রমাণ করা জরুরি হবে।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

পার্বণ

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles