হাইলাইটস
- ১০০ কোটির গণ্ডি পেরিয়েছে অক্ষয় কুমারের ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’।
- ছবির সাফল্যে উচ্ছ্বসিত চিত্রনাট্যকার ফরহাদ সামজি।
- ৩৪ জনেরও বেশি অভিনেতাকে নিয়ে কাজ করাকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানালেন তিনি।
- ভাইরাল ‘ফোর্থ-ওয়াল ব্রেকিং’ দৃশ্য নিয়েও দিলেন প্রতিক্রিয়া।
বক্স অফিসে ১০০ কোটির মাইলফলক ছুঁতেই উচ্ছ্বাস লুকোলেন না ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’-এর চিত্রনাট্যকার ফরহাদ সামজি। তাঁর কথায়, গত সাড়ে তিন বছরের পরিশ্রমের ফল মিলতে শুরু করেছে, আর দর্শকদের উচ্ছ্বাস প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।
এক সাক্ষাৎকারে ফরহাদ বলেন, কমেডি এমন একটি ঘরানা যেখানে দর্শকের প্রতিক্রিয়া মুহূর্তেই বোঝা যায়। তাঁর কথায়, “গত কয়েক দিনে যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা কল্পনারও বাইরে। দর্শক প্রেক্ষাগৃহকে যেন স্টেডিয়ামে পরিণত করে ফেলেছেন। রহস্যঘরানার ছবিতে সবাই চুপচাপ থাকেন, কিন্তু কমেডিতে হাসি, হাততালি আর উচ্ছ্বাসই বলে দেয় ছবিটি কতটা উপভোগ করছেন।”
৩৪ জনেরও বেশি অভিনেতাকে নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে ফরহাদ জানান, এত বড় তারকাবহুল কাস্টকে একসঙ্গে সামলানো সহজ ছিল না। পরিকল্পনা, শুটিং থেকে শুরু করে সময়ের সমন্বয়—সবই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সেই কঠিন কাজই শেষ পর্যন্ত ছবির অন্যতম বড় শক্তি হয়ে উঠেছে বলে তাঁর দাবি।
ছবির ইন্টারভ্যালে অক্ষয় কুমারের ‘ফোর্থ-ওয়াল ব্রেকিং’ দৃশ্য ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। এই প্রসঙ্গে ফরহাদ বলেন, দর্শকদের চমকে দেওয়ার লক্ষ্যেই দৃশ্যটি রাখা হয়েছিল। সেটি যে এত আলোচনা তৈরি করেছে, তাতেই তিনি সন্তুষ্ট।
সমালোচনার বিষয়েও স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন ফরহাদ। তাঁর মতে, কোনও ছবির সাফল্য শুধু বক্স অফিসের অঙ্কে মাপা যায় না। দর্শক যদি প্রেক্ষাগৃহ থেকে হাসিমুখে বেরিয়ে মনে করেন, তাঁদের সময় ও অর্থ সার্থক হয়েছে, সেটাই একজন নির্মাতার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। বিশেষ করে পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে আনন্দ উপভোগ করতে পারলে, তার চেয়ে বড় সাফল্য আর কিছু হতে পারে না।