Home খবর বাকিংহামে ঠাঁই হল না হ্যারির

বাকিংহামে ঠাঁই হল না হ্যারির

Authored By বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক
8 views 2 minutes read
A+A-
Reset

হাইলাইটস

  • যুক্তরাজ্য সফরে শেষ পর্যন্ত বাকিংহাম প্রাসাদে থাকার সুযোগ পেলেন না প্রিন্স হ্যারি।
  • প্রথমে আমন্ত্রণ জানানো হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ হ্যারির শিবিরের।
  • রাজপ্রাসাদের দাবি, দেরিতে সম্মতি জানানোয় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির সময় মেলেনি।
  • হ্যারির পক্ষের অভিযোগ, আদালতের গুরুত্বপূর্ণ রায়ের আগে বিতর্ক এড়াতেই সিদ্ধান্ত বদলানো হয়েছে।
  • নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে রাজপরিবার ও হ্যারির সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে।

বহু বছরের টানাপোড়েনের পর ব্রিটিশ রাজপরিবার ও প্রিন্স হ্যারির সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে— এমন জল্পনা শুরু হয়েছিল সোমবার সকালেই। খবর ছিল, যুক্তরাজ্য সফরে হ্যারিকে বাকিংহাম প্রাসাদে থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং তিনি তাতে সম্মতিও দিয়েছেন। কিন্তু সেই আশায় খুব দ্রুতই ভাটা পড়ে।

অল্প সময়ের মধ্যেই রাজপ্রাসাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শেষ পর্যন্ত প্রিন্স হ্যারি বাকিংহাম প্রাসাদে থাকছেন না। আর এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

রাজপ্রাসাদ সূত্রের দাবি, বিষয়টি নিয়ে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রাসাদের ব্যাখ্যা, হ্যারি দেরিতে থাকার সম্মতি জানানোয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। তাই শেষ মুহূর্তে প্রাসাদে থাকার ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, হ্যারির ঘনিষ্ঠদের বক্তব্য একেবারেই ভিন্ন। তাঁদের দাবি, নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয় চূড়ান্ত করতেই সময় লেগেছিল। কিন্তু আদালতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণার ঠিক আগে বিতর্ক এড়াতেই শেষ মুহূর্তে থাকার প্রস্তাব কার্যত প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাজ্য সফরে রয়েছেন প্রিন্স হ্যারি। লন্ডনের পাশাপাশি বার্মিংহামেও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। সেখানে তিনি নিজের প্রতিষ্ঠিত ইনভিক্টাস গেমস ফাউন্ডেশন-এর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। তবে তাঁর স্ত্রী মেগান এবং দুই সন্তান এই সফরে যুক্তরাজ্যে আসছেন না। যদিও পরে তাঁরা ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসে হ্যারির সঙ্গে যোগ দিতে পারেন বলে জানা গেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের দাবি, প্রথমে হ্যারি ও তাঁর পরিবারের জন্য প্রাসাদে থাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি তা নাকচ করেন। এরপর একই দিনে মত বদলে অন্তত এক রাত একাই থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সেই পরিবর্তিত সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি।

হ্যারির মুখপাত্রের প্রশ্ন, যদি সংশ্লিষ্ট সবাই আগেই জানতেন যে মঙ্গলবার মামলার গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা হবে, তা হলে ঠিক শেষ মুহূর্তেই কেন সিদ্ধান্ত বদলানো হল?

উল্লেখ্য, প্রিন্স হ্যারি-সহ একাধিক ব্যক্তি Associated Newspapers Limited-এর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, বেআইনিভাবে তথ্য সংগ্রহ, ভয়েসমেল হ্যাকিং, ফোনে নজরদারি এবং প্রতারণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সেই মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণার কথা রয়েছে।

এই নতুন বিতর্কে আবারও প্রশ্ন উঠেছে, প্রিন্স হ্যারি ও ব্রিটিশ রাজপরিবারের সম্পর্কে বরফ সত্যিই গলছে, নাকি দুই পক্ষের দূরত্ব এখনও আগের মতোই রয়ে গেছে।

Description. online stores, news, magazine or review sites.

Edtior's Picks

Latest Articles