Home খবর ‘জন নায়গন’ নিয়ে বিভ্রান্তি, ভুয়ো সেন্সর শংসাপত্র ঘিরে জোর জল্পনা

‘জন নায়গন’ নিয়ে বিভ্রান্তি, ভুয়ো সেন্সর শংসাপত্র ঘিরে জোর জল্পনা

Authored By বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক
9 views 2 minutes read
A+A-
Reset

হাইলাইটস

  • বিজয়ের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি জন নায়গন-এর নামে ভুয়ো সেন্সর শংসাপত্র ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে।
  • শংসাপত্রে দাবি করা হয়, ছবিটি ‘এ’ শংসাপত্র পেয়েছে এবং দৈর্ঘ্য তিন ঘণ্টা।
  • পরে জানা যায়, ছবিটি এখনও কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র প্রত্যয়ন পর্ষদের অনুমোদনই পায়নি।
  • ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর জন্য ক্ষমাও চেয়েছে সংশ্লিষ্ট অনুরাগী-চালিত সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট।

দক্ষিণী তারকা বিজয়-এর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘জন নায়গন’-কে ঘিরে শনিবার সকাল থেকেই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় তুমুল বিভ্রান্তি। দাবি করা হয়, দীর্ঘ সাত মাসের বিলম্বের পর ছবিটি নাকি কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র প্রত্যয়ন পর্ষদ (সিবিএফসি)-র কাছ থেকে ‘এ’ শংসাপত্র পেয়েছে। সেই দাবির সঙ্গে একটি কথিত সেন্সর শংসাপত্রও দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে, যা দেখে অনেকেই সেটিকে সত্যি বলে ধরে নেন।

ভাইরাল হওয়া ওই নথিতে দাবি করা হয়, ছবিটির দৈর্ঘ্য প্রায় তিন ঘণ্টা এবং শুক্রবার সেটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এ’ শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, তথাকথিত সংশোধনের তালিকায় উল্লেখ ছিল একাধিক সংলাপ নিঃশব্দ করা, সহিংস দৃশ্য সংক্ষিপ্ত করা, রক্তপাতের দৃশ্য কমানো এবং ‘কালেক্টর শণ্মুগম’-এর হত্যার দৃশ্যে পরিবর্তন আনার মতো নানা তথ্য। এই সবই ছবি নিয়ে কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দেয়।

কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুরো বিষয়টি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ‘জন নায়গন’ এখনও সিবিএফসি-র কাছ থেকে কোনও শংসাপত্রই পায়নি। ফলে ভাইরাল হওয়া নথিটি সম্পূর্ণ জাল এবং তার কোনও সরকারি ভিত্তি নেই।

এর পরেই যে অনুরাগী-চালিত সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্টটি প্রথম ওই শংসাপত্র প্রকাশ করেছিল, তারা পোস্ট মুছে দিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তাদের বক্তব্য, “অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আগে যে জন নায়গন-এর শংসাপত্র প্রকাশ করা হয়েছিল, সেটি ভুয়ো ছিল।” এই স্বীকারোক্তির পর বিভ্রান্তির অবসান হলেও ইতিমধ্যেই খবরটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।

ছবিটি পরিচালনা করছেন এইচ বিনোথ। এতে বিজয়ের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন মমিথা বাইজু, ববি দেওল এবং পূজা হেগড়ে। ছবিটি ঘোষণার পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে বিপুল আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই সেন্সর সংক্রান্ত যে কোনও খবর মুহূর্তের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসছে।

চলচ্চিত্র মহলের একাংশের মতে, বড় তারকাদের ছবি মুক্তির আগে এই ধরনের ভুয়ো নথি বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়া নতুন ঘটনা নয়। অনেক সময় অনুরাগীদের উত্তেজনা বা সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়ার প্রবণতা থেকেই এমন ঘটনা ঘটে। তবে এর ফলে দর্শকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয় এবং ছবির আনুষ্ঠানিক প্রচারেও প্রভাব পড়তে পারে।

এখনও পর্যন্ত ‘জন নায়গন’-এর সেন্সর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে বলে কোনও সরকারি ঘোষণা আসেনি। ফলে ছবির শংসাপত্র, দৈর্ঘ্য বা সম্ভাব্য কাটছাঁট নিয়ে যে সব তথ্য ঘুরছে, সেগুলিকে সরকারি বা প্রযোজনা সংস্থার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিশ্বাস না করারই পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Description. online stores, news, magazine or review sites.

Edtior's Picks

Latest Articles