হাইলাইটস:
- ১০ জনের ইরাককে ৫-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করল সেনেগাল।
- বদলি নেমে পাপে গেইয়ের জোড়া দূরপাল্লার দুর্দান্ত গোল ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
- ইসমাইলা সার টুর্নামেন্টে নিজের তৃতীয় গোল করেন।
- তৃতীয় স্থান নিয়ে শেষ করলেও সেরা আট তৃতীয় স্থানাধিকারী দলের তালিকায় আপাতত পঞ্চম স্থানে রয়েছে সেনেগাল।
- লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ইরাকের রেবিন সুলাকা; দ্বিতীয় বিশ্বকাপেই বিদায় ইরাকের।
বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এ ওঠার আশা জিইয়ে রাখল সেনেগাল। গ্রুপ ‘আই’-এর শেষ ম্যাচে ১০ জনের ইরাককে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে গোলপার্থক্য অনেকটাই বাড়িয়ে নিল আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ফলে তৃতীয় স্থান নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করলেও সেরা তৃতীয় স্থানাধিকারী দলগুলির তালিকায় আপাতত পঞ্চম স্থানে রয়েছে তারা। তবে তাদের নীচে থাকা চারটি দলের এখনও একটি করে ম্যাচ বাকি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল সেনেগাল। চতুর্থ মিনিটেই হাবিব দিয়ারা গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর ১৩তম মিনিটে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। সাদিও মানেকে গোলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার অপরাধে ইরাকের ডিফেন্ডার রেবিন সুলাকাকে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি অ্যান্থনি টেলর। কিন্তু ভিডিও সহায়ক প্রযুক্তির সাহায্যে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার পর সেই কার্ড লালে বদলে যায়। দশ জনে নেমে পড়ে ইরাক।
সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুবিধা পেলেও প্রথমার্ধে আর গোল বাড়াতে পারেনি সেনেগাল। তবে বিরতির পর শুরু হয় একতরফা আক্রমণ। ৫৬ মিনিটে লামিন কামারার চমৎকার প্রচেষ্টায় বল পেয়ে সহজ সুযোগে টুর্নামেন্টে নিজের তৃতীয় গোল করেন ইসমাইলা সার।
এরপর বদলি হিসেবে নেমেই আলো কেড়ে নেন পাপে গেইয়ে। ৫৯ মিনিটে বক্সের ডান প্রান্ত থেকে বাঁ পায়ের অসাধারণ বাঁকানো শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। ৭১ মিনিটে আবারও দূরপাল্লার বজ্রগতির অর্ধভলি শটে গোলরক্ষক জালাল হাসানকে কোনও সুযোগই দেননি তিনি।
শেষ দিকে ৮২ মিনিটে দূরপাল্লার আরেকটি দুর্দান্ত শটে ইলিমান এনদিয়ায়ে গোল করে সেনেগালের জয়কে ৫-০-তে পৌঁছে দেন।
এই হারে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল ইরাক। ১৯৮৬ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ খেলতে এসে একটি পয়েন্টও সংগ্রহ করতে পারল না তারা। অন্যদিকে সেনেগাল এখন অপেক্ষায় থাকবে অন্য গ্রুপগুলির ফলাফলের, যা নির্ধারণ করবে শেষ ৩২-এ তাদের যাত্রা অব্যাহত থাকবে কি না।