Table of Contents
কন্নড় চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি Yash এবং Radhika Pandit মহারাষ্ট্রের সমুদ্রতীরবর্তী বিলাসবহুল আবাসন বাজারে বড়সড় বিনিয়োগ করলেন। তাঁরা আলিবাগের কামাথ গ্রামে সমুদ্রসংলগ্ন দুটি জমি কিনেছেন, যার মোট মূল্য ₹২৪ কোটি।
রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত নথি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৮ মে এই সম্পত্তি ক্রয়ের নথিভুক্তি সম্পন্ন হয়। জমিগুলি অবস্থিত Kamath Village এলাকায়, যা জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত Kihim Beach-এর সংলগ্ন একটি উচ্চমূল্যের আবাসন অঞ্চল।
কত বড় এই সম্পত্তি?
দুটি সংলগ্ন কৃষিজমির মোট আয়তন প্রায় ৫,২৮৯ বর্গমিটার বা ০.৫২৮৯ হেক্টর। জমির সঙ্গে একটি আবাসিক কাঠামোও রয়েছে।
সম্পত্তিটির পূর্বদিকে রয়েছে একটি গ্রামীণ রাস্তা এবং পশ্চিমদিকে সরাসরি আরব সাগর। উত্তর দিকে একটি সরু পথ সমুদ্রসৈকতে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। এই অবস্থানগত সুবিধাই জমিটির বাজারমূল্যকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্ট্যাম্প ডিউটি ও অন্যান্য খরচ
এই লেনদেনের জন্য দম্পতিকে দিতে হয়েছে—
- স্ট্যাম্প ডিউটি: ₹১.৪৪ কোটি
- রেজিস্ট্রেশন ফি: ₹৬০,০০০
- নথি প্রক্রিয়াকরণ খরচ: ₹৫,২০০
সরকারি নথিতে জমির মূল্যায়নের হার প্রতি বর্গমিটার ₹৩,৭৫০ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এটি কৃষিজমি হিসেবেই শ্রেণিবদ্ধ।
কীভাবে সম্পন্ন হল চুক্তি?
এই ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন হয়েছে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নির মাধ্যমে। যশ ও রাধিকা উভয়েই ১১ মে ২০২৬ তারিখে পৃথক বিশেষ পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রদান করেন, যার ভিত্তিতে প্রতিনিধি হিসেবে প্রশান্ত দিলীপ হার্ডিকার চুক্তিটি সম্পন্ন করেন।
বিক্রেতা ছিলেন নাসিম ইকবাল হালিম এবং ইফফাত শফিক আহমেদি।
কেন আলিবাগ এত জনপ্রিয়?
Alibag গত এক দশকে ভারতের অন্যতম অভিজাত ‘সেকেন্ড হোম’ বাজারে পরিণত হয়েছে। মুম্বই থেকে দ্রুত পৌঁছানো যায় এবং সমুদ্রতীরবর্তী বড় জমির সীমিত জোগান থাকায় এখানে সম্পত্তির দাম ক্রমাগত বেড়েছে।
বিশেষ করে—
- কিহিম
- আওয়াস
- মান্ডওয়া
- সাসাওয়ানে
- নাগাঁও
—এই এলাকাগুলিতে ব্যবসায়ী, কর্পোরেট প্রধান, স্টার্টআপ উদ্যোক্তা এবং চলচ্চিত্র তারকারা বড় আকারে বিনিয়োগ করছেন।
তারকাদের নতুন ঠিকানা?
যশ ও রাধিকার এই ক্রয় শুধু একটি সম্পত্তি লেনদেন নয়, বরং ভারতের সেলিব্রিটি রিয়েল এস্টেট প্রবণতারও প্রতিফলন। মুম্বইয়ের কোলাহল থেকে দূরে, সমুদ্রের ধারে ব্যক্তিগত অবকাশযাপন কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রবণতা এখন চলচ্চিত্র জগতের বহু পরিচিত মুখের মধ্যে দেখা যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আলিবাগে সমুদ্রসংলগ্ন জমির সরবরাহ অত্যন্ত সীমিত। ফলে আগামী কয়েক বছরে এই ধরনের সম্পত্তির মূল্য আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যশ ও রাধিকার নতুন বিনিয়োগ সেই দীর্ঘমেয়াদি মূল্যবৃদ্ধির প্রত্যাশাকেই প্রতিফলিত করে।