ধিকৃত পশ্চিম তীরে ইজরায়েলি বসতিগুলির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করল ব্রিটেন, কানাডা ও ফ্রান্স। একসময়ে ইজরায়েলের দৃঢ় সমর্থক হিসেবে পরিচিত এই তিন দেশের সমন্বিত পদক্ষেপ মূলত প্রতীকী। কিন্তু গাজার বিধ্বংসী যুদ্ধ এবং পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের হিংসার জেরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইজরায়েল যে ক্রমশ আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে, এই সিদ্ধান্ত তারই পরিচায়ক।

গাজায় যুদ্ধ পরিচালনার ধরন নিয়ে ইজরায়েল ইতিমধ্যেই ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক বিরোধিতার মুখে। ওই যুদ্ধে কয়েক দশ হাজার প্যালেস্টাইনি নিহত হয়েছেন। এখন বিশ্বের নজর পশ্চিম তীরের উপরে ইজরায়েলের নিয়ন্ত্রণ আরও আঁটসাঁট করা এবং সেখানে বেআইনি বসতি সম্প্রসারণের দিকে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে উগ্রপন্থী ইজরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা বারবার প্যালেস্টাইনিদের আক্রমণ করেছেন। সেনাবাহিনী দাঁড়িয়ে দেখেছে।

ব্রিটেনের ঘোষণায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ইজরায়েল। পূর্ব জেরুসালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট জেনারেল বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা করেছে তারা। ১৮৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান জেরুসালেম, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজায় ব্রিটিশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করে।

তিন দেশের এই যৌথ পদক্ষেপে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও তিক্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কূটনৈতিক ও সামরিক—উভয় ক্ষেত্রেই ইজরায়েলকে দৃঢ় সমর্থন দিয়ে এসেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যদিও ইজরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি বসতি স্থাপনকারীদের হিংসার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন।

মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংসদে নিষেধাজ্ঞার প্যাকেজ ঘোষণা করেন এড মিলিব্যান্ড। জুলাইয়ে তিনি বিদেশমন্ত্রী হয়েছেন। ওই মাসেই অ্যান্ডি বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ব্রিটিশ বিদেশনীতিতে এটিই সবচেয়ে স্পষ্ট দিকবদল।

সাংসদদের উদ্দেশে মিলিব্যান্ড বলেন, “আজ একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা হল।” তাঁর বক্তব্য, ব্রিটিশ সরকার “একমত যে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় প্যালেস্টাইনিদের জাতিগত উচ্ছেদ চলছে—যার হোতা বসতি স্থাপনকারী সন্ত্রাসবাদীরা।” তিনি আরও বলেন, বহু ক্ষেত্রেই “ইজরায়েলি সরকার এসব দেখেও চোখ বুজে থেকেছে, এমনকি তার চেয়েও খারাপ ভূমিকা নিয়েছে।”

বক্তৃতার বিভিন্ন অংশে গভীর ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা তুলে ধরেন মিলিব্যান্ড। তিনি জানান, নিজেকে একজন “গর্বিত ব্রিটিশ ইহুদি” মনে করেই এই ঘোষণা করছেন। ইজরায়েল রাষ্ট্রের প্রতি তাঁর সমর্থন “অবিচল”। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের রায়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ব্রিটেন এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে ওই ভূখণ্ড দখল করে রাখা বেআইনি।

তাঁর ঘোষণা, “তাই আজ আমি জানাতে পারি, অধিকৃত ভূখণ্ডে বেআইনি বসতি থেকে পণ্য আমদানির উপরে আমরা নিষেধাজ্ঞা জারি করব।” তিনি জানান, বসতিগুলিকে পরিষেবা দেওয়া সংস্থাগুলিও এই পদক্ষেপের আওতায় পড়বে। এর মধ্যে রয়েছে “বসতি সম্প্রসারণের জন্য নির্মাণ, পরিকাঠামো, অর্থায়ন কিংবা আবাসনসংক্রান্ত কাজ।”

মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োর বক্তব্য, এই সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরে উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে।

ব্রিটেনের ঘোষণা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে এত কিছু ঘটছে। এই মুহূর্তে পশ্চিম তীরে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে, এমন কিছু আমরা দেখতে চাই না।”

ব্রিটিশ বিবৃতির আগেই হাকাবি সতর্ক করেছিলেন, এই পরিকল্পনা ওয়াশিংটনের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়াবে। আমেরিকার সম্ভাব্য পাল্টা ব্যবস্থায় “ব্রিটিশ ব্যবসার উপরে বিরাট অর্থনৈতিক প্রভাব” পড়তে পারে।

বিবিসিকে হাকাবি বলেন, আমেরিকার যে সব অঙ্গরাজ্যে ইজরায়েল বয়কটের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে ব্রিটিশ সংস্থাগুলির ব্যবসায় বিধিনিষেধ আসতে পারে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ফ্লরিডার কথা উল্লেখ করেন। তাঁর মন্তব্য, “এ যেন কোথায় গিয়ে পড়বে তার কোনও ধারণা না রেখেই একটা পাথর ছুড়ে দেওয়া।”

মিলিব্যান্ড আরও ঘোষণা করেন, যে সব অস্ত্র ভূখণ্ড দখল করে রাখার কাজে “কার্যকর অবদান রাখবে”, সেগুলি বিক্রির আবেদন ব্রিটেন প্রত্যাখ্যান করবে। এই অঙ্গীকারের আওতা ঠিক কতটা, তা প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট হয়নি। ইজরায়েলের মোট অস্ত্র আমদানির অতি সামান্য অংশই আসে ব্রিটেন থেকে। প্রধান সরবরাহকারী আমেরিকা ও জার্মানি।

২০২৪ সালে আগের লেবার সরকার যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ ও সামরিক রাডার রফতানির প্রায় ৩০টি অনুমতিপত্র স্থগিত করেছিল। গাজার যুদ্ধে সেগুলি ব্যবহৃত হতে পারে—এই আশঙ্কার প্রতিবাদেই ওই পদক্ষেপ করা হয়। মিলিব্যান্ড জানান, নতুন নীতি অনুযায়ী ইজরায়েল যত দিন দখলদারি বজায় রাখবে, তত দিন ওই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

ব্রিটেন, কানাডা ও ফ্রান্সের বিদেশমন্ত্রীরা একটি যৌথ বিবৃতিতে বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিষিদ্ধ করতে নিজ নিজ দেশে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যে সব দেশ ইতিমধ্যেই এমন পদক্ষেপ করেছে, তাদের পাশেও দাঁড়িয়েছেন তাঁরা। ব্রিটেনের বিধিনিষেধ কার্যকর হতে ছয় থেকে ন’মাস লাগতে পারে।

সব মিলিয়ে স্পেন, ডেনমার্ক ও আয়ারল্যান্ড-সহ এক ডজন দেশ মঙ্গলবার জানিয়েছে, বসতিগুলির সঙ্গে বাণিজ্যে বিধিনিষেধ আরোপকে তারা সমর্থন করছে। এদের মধ্যে কয়েকটি দেশ আগেই নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল।

ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার প্রবীণ সদস্য প্যাট ম্যাকফ্যাডেন বলেন, এই পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখা। ইজরায়েলের পাশে একটি স্বাধীন প্যালেস্টাইনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘাতের অবসান ঘটানোই ওই প্রস্তাবিত সমাধানের ভিত্তি।

ম্যাকফ্যাডেন বলেন, “এটাও বলা জরুরি যে ইজরায়েল ব্রিটেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য সমস্ত ইজরায়েলি পণ্য বয়কট করা নয়।”

ইজরায়েলের দীর্ঘদিনের মিত্র ব্রিটেন পশ্চিম তীরে ইজরায়েলি বসতির বারবার নিন্দা করেছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এই বসতিগুলি বেআইনি। সম্প্রতি ইজরায়েলের কয়েক জন প্রাক্তন সেনাপ্রধান, গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও প্রধানমন্ত্রীও পশ্চিম তীরের সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে জাতিগত উচ্ছেদের অভিযোগ তুলেছেন। প্যালেস্টাইনিদের বাড়ি, মসজিদ ও গ্রামে হামলার পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁদের এই অভিযোগ।

নিজের বক্তৃতায় তাঁদেরই এক জন, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এফ্রাইম স্নেহের বক্তব্য উদ্ধৃত করেন মিলিব্যান্ড। নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্নেহ বলেছিলেন, “সোজা কথায়, এটা জাতিগত উচ্ছেদ।”

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু অবশ্য দেশের ভিতরের এবং আন্তর্জাতিক সমালোচনা উড়িয়ে দিয়ে অতি দ্রুত আরও বসতি নির্মাণে উৎসাহ দিয়ে চলেছেন।

ব্রিটেনে প্যালেস্টাইনি রাষ্ট্রদূত হুসাম জমলট মিলিব্যান্ডের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এটি “সব অর্থেই একটি মোড় ঘোরানো ঘটনা।”

টেলিফোনে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ব্রিটেন শেষ পর্যন্ত তার মূল্যবোধের সঙ্গে কাজের মিল ঘটিয়েছে। আজ যা ঘটল, তা শুরু, শেষ নয়। কিন্তু এটি অত্যন্ত, অত্যন্ত শক্তিশালী একটি সূচনা।”

জেরুসালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের পাশাপাশি পশ্চিম তীরে কয়েক জন ব্রিটিশ কর্মকর্তার কাজকর্মে বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছেন ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিদেওন সার। ব্রিটেনের ১২ জন সাংসদ ও অন্য নাগরিকের ইজরায়েলে প্রবেশও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সারের অভিযোগ, তাঁরা “ইহুদিবিদ্বেষী ও ইজরায়েলবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত” ছিলেন। এই তালিকায় রয়েছেন লেবার পার্টির প্রাক্তন নেতা জেরেমি করবিনও।

ইজরায়েলের অতি দক্ষিণপন্থী অর্থমন্ত্রী এবং বসতি সম্প্রসারণের প্রধান প্রবক্তা বেজালেল স্মোট্রিচ ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের প্রস্তাব দিয়েছেন। জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির আবার বলেছেন, দক্ষিণ আটলান্টিকে ব্রিটিশ ভূখণ্ড ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে আর্জেন্টিনার অংশ বলে ইজরায়েলের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।

অন্য সমালোচকদের আশঙ্কা, আগামী মাসের নির্বাচনের আগে নিজের সমর্থকদের চাঙ্গা করতে এই নিষেধাজ্ঞাকে কাজে লাগাতে পারেন নেতানিয়াহু। ইজরায়েলের সংসদীয় বিরোধী পক্ষের মধ্যপন্থী নেতা ইয়ার লাপিদ ব্রিটেনের পদক্ষেপকে “গুরুতর ভুল” বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, “ভুল কারণে, ভুল সময়ে” এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এক বিবৃতিতে লাপিদ বলেন, “নির্বাচনের ঠিক আগের মুহূর্তে এটি ইজরায়েলের উগ্রপন্থী কণ্ঠগুলিকে শক্তিশালী করছে।”

তবে একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক বিরোধীরা বলেছেন, নিজের সরকারের কাজকর্মের ফলেই তিনি ইজরায়েলের উপরে এই নিষেধাজ্ঞা ডেকে এনেছেন।

হারেৎজ সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটি অভিযোগের জেরে নেতানিয়াহু আগে থেকেই আত্মপক্ষসমর্থনে ব্যস্ত ছিলেন। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের প্রাণঘাতী হামলার কয়েক সপ্তাহ আগে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শাসক মহম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান তাঁকে স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন যে হামাস ইজরায়েলের উপরে বড় আক্রমণের পরিকল্পনা করছে। কিন্তু তিনি ব্যবস্থা নেননি।

ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষের হিসাবে, ওই হামলায় ইজরায়েলে প্রায় ১,২০০ জন নিহত হন এবং প্রায় ২৫০ জনকে অপহরণ করা হয়। এই হামলার পরই গাজায় যুদ্ধ শুরু হয়।

নেতানিয়াহুর দফতর সংবাদপত্রটির প্রতিবেদন অস্বীকার করে সেটিকে “মিথ্যা” বলেছে।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময়ের কাছাকাছি বার্নহ্যাম গাজায় ইজরায়েলের কার্যকলাপের প্রতি ব্রিটিশ সরকারের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, তাঁর লেবার পার্টি “সঠিক অবস্থান নিতে পারেনি।” তিনি আরও বলেছিলেন, “যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে—এমন প্রমাণ ক্রমশ বাড়ছে।”

তবে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেননি। তাঁর বক্তব্য ছিল, দায় নির্ধারণ করতে পারে কেবল আন্তর্জাতিক আদালতই।

গাজা নিয়ে বিতর্ক ব্রিটেনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলেছে। তুলনামূলক ভাবে বেশি বামঘেঁষা ভোটারদের মধ্যে লেবারের প্রাথমিক সতর্ক অবস্থান নিয়ে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল, তাকে কাজে লাগিয়েছে দ্রুত উঠে আসা গ্রিন পার্টি।

ব্রিটেনের প্রধান রাব্বি মঙ্গলবার প্রকাশ্যে এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে দিনটিকে “সত্যিই এক অন্ধকার দিন” বলেছেন। তবে কিছু ব্রিটিশ ইহুদি আরও কঠোর ব্যবস্থাকে স্বাগত জানিয়েছেন।

ইজরায়েলের দখলদারির বিরোধী, কিন্তু ইজরায়েলপন্থী সংগঠন ইয়াখাদ এক বিবৃতিতে বলেছে, এই “ঘোষণা ইজরায়েলবিরোধী নয়, এবং অবশ্যই ইহুদিবিদ্বেষী নয়।” সংগঠনটির বক্তব্য, দখলদারি আরও স্থায়ী করতে গিয়ে “ইজরায়েলের বর্তমান উগ্রপন্থী সরকার প্রায় সমস্ত সীমারেখা অতিক্রম করেছে।”

গত মাসে জেরুসালেমের কাছে পশ্চিম তীরের ই-১ এলাকায় বসতি স্থাপনকারীদের জন্য নতুন বাড়ি তৈরির পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের নিন্দা করেছিল ব্রিটেন। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, কানাডা, নরওয়ে ও অস্ট্রেলিয়া-সহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে যৌথ বিবৃতিতে ওই নিন্দা জানানো হয়।

বিবৃতিতে ইজরায়েলকে “অবিলম্বে এই পরিকল্পনা প্রত্যাহার করতে এবং পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করতে” বলা হয়েছিল। আরও বলা হয়, “এগুলি শুধু আমাদের শান্তি থেকে আরও দূরে সরিয়ে নিয়ে যাবে না, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইজরায়েলের অবস্থানও আরও দুর্বল করবে।”