শিশু নির্যাতনের অভিযোগে মেটাকে নোটিস

যা জানা জরুরি
- হাইলাইটস শিশু যৌন শোষণ-সংক্রান্ত সামগ্রী প্রচারের অভিযোগে মেটাকে নোটিস কেন্দ্রের।
- বিতর্কিত বিজ্ঞাপন ও সংশ্লিষ্ট সব সামগ্রী অবিলম্বে সরানোর নির্দেশ।
- অ্যালগরিদমের ভূমিকা নিয়েও তদন্তে নেমেছে সরকার।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
হাইলাইটস
- শিশু যৌন শোষণ-সংক্রান্ত সামগ্রী প্রচারের অভিযোগে মেটাকে নোটিস কেন্দ্রের।
- সাত দিনের মধ্যে বিস্তারিত জবাব দিতে নির্দেশ।
- বিতর্কিত বিজ্ঞাপন ও সংশ্লিষ্ট সব সামগ্রী অবিলম্বে সরানোর নির্দেশ।
- অ্যালগরিদমের ভূমিকা নিয়েও তদন্তে নেমেছে সরকার।
- শিশু সুরক্ষার প্রশ্নে কড়া বার্তা কেন্দ্রের।
ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন শোষণ ও নির্যাতন-সংক্রান্ত সামগ্রী (CSEAM) প্রচারের অভিযোগে কড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY) ইনস্টাগ্রামের মূল সংস্থা মেটাকে নোটিস পাঠিয়ে সাত দিনের মধ্যে বিস্তারিত জবাব দিতে বলেছে। পাশাপাশি, বিতর্কিত সব বিজ্ঞাপন ও সংশ্লিষ্ট বিষয়বস্তু অবিলম্বে সরিয়ে ফেলার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
কী অভিযোগ?
সরকারি সূত্রের দাবি, ইনস্টাগ্রামে এমন কিছু বিজ্ঞাপন দেখা গিয়েছে, যেগুলির মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের এমন বাহ্যিক প্ল্যাটফর্মে পাঠানো হচ্ছিল, যেখানে শিশু যৌন নির্যাতন-সংক্রান্ত অবৈধ সামগ্রী থাকার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই মেইটি দ্রুত নোটিস জারি করে।
কী জানতে চায় সরকার?
নোটিসে মেটাকে জানাতে বলা হয়েছে, কীভাবে এই ধরনের বিজ্ঞাপন ইনস্টাগ্রামে অনুমোদন পেল, কতজন ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছেছে এবং অভিযোগের পর সংস্থা কী পদক্ষেপ নিয়েছে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে প্রযুক্তিগত ও নীতিগত কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তাও সাত দিনের মধ্যে জানাতে হবে।
অ্যালগরিদমও তদন্তের আওতায়
সরকার শুধু বিতর্কিত বিজ্ঞাপন নয়, ইনস্টাগ্রামের সুপারিশ-ব্যবস্থা বা অ্যালগরিদমের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে। অভিযোগ, প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদম কখনও কখনও আপত্তিকর বিষয়বস্তুর বিস্তার বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই এই সম্ভাব্য ‘অ্যালগরিদমিক প্রচার’-কেও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
কড়া বার্তা কেন্দ্রের
মেইটির নির্দেশ, শিশু যৌন শোষণ ও নির্যাতনের সঙ্গে যুক্ত কোনও সামগ্রী বা তার নাগাল পাওয়ার সুযোগ করে দেয়—এমন সব বিজ্ঞাপন ও বিষয়বস্তু দ্রুত সরাতে হবে। শিশুদের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে কেন্দ্র। প্রয়োজনে তথ্যপ্রযুক্তি আইন-সহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক আইনের আওতায় আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
চাপে বড় প্রযুক্তি সংস্থাগুলি
সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষতিকর ও বেআইনি অনলাইন সামগ্রী নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের বড় প্রযুক্তি সংস্থাগুলির ওপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই প্রেক্ষাপটে ভারতে মেটাকে পাঠানো এই নোটিসকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। সরকারের বক্তব্য, শিশুদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রযুক্তি সংস্থাগুলিকে আরও দ্রুত, কঠোর এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।
সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট
প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।



