খবর

অভিষেকের আমতলার অফিস ভাঙায় ব্রেক, হাই কোর্টে স্বস্তি

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • হাইলাইটস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার অফিস থাকা ভবন ভাঙায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ।
  • স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের।
  • নোটিস ছাড়াই ভাঙার অভিযোগ তুলেছে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

হাইলাইটস

  • অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার অফিস থাকা ভবন ভাঙায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ।
  • স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের।
  • নোটিস ছাড়াই ভাঙার অভিযোগ তুলেছে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’।
  • রাজ্য সরকারকে জবাব দিতে বলেছে আদালত।
  • পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ভাঙার কাজ বন্ধ থাকবে।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্রের অফিস থাকা দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলার একটি ভবন ভাঙার কাজে আপাতত ব্রেক টানল কলকাতা হাই কোর্ট। জরুরি শুনানিতে বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর একক বেঞ্চ ভবনটি নিয়ে স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাস কো) বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ভবন ভাঙার কোনও কাজ করা যাবে না।

ভবনটিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয়ের পাশাপাশি ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর অফিসও রয়েছে। ওই সংস্থার অন্যতম পরিচালক অভিষেকের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবন ভাঙার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সংস্থাটিই কলকাতা হাই কোর্টে জরুরি রিট আবেদন দায়ের করে। মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসকেও প্রো-ফর্মা রেসপন্ডেন্ট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আবেদনকারীদের পক্ষে সওয়াল করে রাজ্যের প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত আদালতে দাবি করেন, জেলা প্রশাসন কোনও ধরনের আইনি নোটিস না দিয়েই ভাঙার কাজ শুরু করেছে। তাঁর বক্তব্য, আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পক্ষকে কারণ দর্শানোর সুযোগ না দিয়ে এমন পদক্ষেপ নেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি।

প্রাথমিক শুনানিতে আদালত এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে ভাঙার কাজ অবিলম্বে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে রাজ্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষকে হলফনামা দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে বলা হয়েছে। সেই জবাব জমা পড়ার পর মামলার পরবর্তী শুনানিতে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে বিবেচনা করবে আদালত।

ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক গুরুত্বও কম নয়। সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তি ও প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা বেড়েছে। সেই আবহেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা কেন্দ্রের অফিস থাকা ভবন ভাঙার উদ্যোগ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

তবে জেলা প্রশাসনের তরফে এখনও আদালতে ভবন ভাঙার কারণ বা আইনি ভিত্তি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি। সরকারের জবাব জমা পড়ার পরই স্পষ্ট হবে, কোন পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এবং নোটিস সংক্রান্ত অভিযোগ কতটা গ্রহণযোগ্য।

আদালতের অন্তর্বর্তী নির্দেশে আপাতত স্বস্তি পেয়েছে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ এবং ভবনটির সঙ্গে যুক্ত পক্ষগুলি। তবে এটি চূড়ান্ত রায় নয়। উভয় পক্ষের বক্তব্য ও নথি খতিয়ে দেখার পরই কলকাতা হাই কোর্ট ভবিষ্যতে ভাঙার নির্দেশ বহাল থাকবে, নাকি তা বাতিল হবে— সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। ততদিন পর্যন্ত ভবনের বর্তমান অবস্থাই বজায় থাকবে।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

বিষয়:
লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles