ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বুধবার জানিয়েছেন, আপাতত তাঁদের সংগঠন কোনও রাজনৈতিক দলে পরিণত হবে না। বরং সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর জনমতের চাপ তৈরি করার লক্ষ্যে একটি ‘প্রেশার গ্রুপ’ হিসেবেই সিজেপি কাজ চালিয়ে যাবে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দিপকে বলেন, “এই মুহূর্তে সিজেপি চাপ সৃষ্টিকারী সংগঠন হিসেবেই কাজ করবে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে জবাবদিহির আওতায় রাখতে একটি শক্তিশালী স্বাধীন মঞ্চের প্রয়োজন।”
তিনি আরও জানান, ঝাড়খণ্ডে চলমান ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে সিজেপির একটি প্রতিনিধিদল সেখানে যাবে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক আগের মতোই সংগঠনের ‘মেন্টর’ বা পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করবেন।
সিজেপির আগামী কর্মপন্থা, সাংগঠনিক বিস্তার এবং ভবিষ্যতে কোন কোন জনস্বার্থের ইস্যুতে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে, তা নিয়ে আলোচনার জন্য বুধবার থেকে সংগঠনের দু’দিনের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক শুরু হয়েছে। প্রথম দিনের বৈঠক মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে দিপকের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
দিপকে জানান, সিজেপির আগামী দিনের কর্মসূচির অন্যতম প্রধান বিষয় হবে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের ক্রমহ্রাসমান আস্থা, ই–২০ (২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত) জ্বালানি নীতি নিয়ে বিতর্ক এবং ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব।
তাঁর অভিযোগ, “আজ দেশের মানুষ গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলছে। রাজনৈতিক দল, সংবাদমাধ্যম, বিচারব্যবস্থা কিংবা নির্বাচন কমিশন—সব ক্ষেত্রেই মানুষের বিশ্বাসে ভাঙন ধরেছে।”
এই বিষয়গুলিকে সামনে রেখেই আগামী দিনে দেশজুড়ে জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে সিজেপি কাজ করবে বলে জানিয়েছেন দিপকে।