খবর

তৃণমূলে ভাঙন আরও স্পষ্ট, বিদ্রোহী শিবিরে যোগাযোগ  দুই প্রাক্তন বিধায়কের

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • হাইলাইটস: বিদ্রোহী তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন দলের দুই প্রাক্তন বিধায়ক।
  • বৈঠকের পর তাঁদের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে মতবিনিময় বা সমঝোতার আর কোনও সুযোগ নেই।
  • বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দাবি, আরও বহু নেতা-জনপ্রতিনিধি তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

হাইলাইটস:

  • বিদ্রোহী তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন দলের দুই প্রাক্তন বিধায়ক।
  • বৈঠকের পর তাঁদের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে মতবিনিময় বা সমঝোতার আর কোনও সুযোগ নেই।
  • বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দাবি, আরও বহু নেতা-জনপ্রতিনিধি তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।
  • রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, তৃণমূলের অন্দরের সংকট আরও গভীর হচ্ছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও প্রকট হল দুই প্রাক্তন বিধায়কের বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে বৈঠককে ঘিরে। বৈঠকের পর দুই নেতাই স্পষ্ট জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বর্তমান দলে আলোচনার বা সমঝোতার আর কোনও পরিসর নেই। ফলে রাজনৈতিকভাবে নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

বিদ্রোহী শিবিরের নেতাদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পরে প্রাক্তন বিধায়কদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরেই দলের ভিতরে মতপ্রকাশের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। সংগঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় নিচুতলার কর্মী বা প্রবীণ নেতাদের মতামতের কোনও গুরুত্ব নেই বলেও তাঁদের অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প রাজনৈতিক পথ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে তাঁরা ইঙ্গিত দেন।

বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন তৃণমূলের একাধিক বর্তমান ও প্রাক্তন জনপ্রতিনিধি। অনেকেই প্রকাশ্যে অবস্থান না নিলেও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন। সময় এলেই আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা তাঁদের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন বলেও বিদ্রোহী শিবিরের দাবি।

অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির এখনও পর্যন্ত এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ। দলের একাংশের মতে, বিচ্ছিন্ন কিছু নেতার অবস্থান তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তিকে প্রভাবিত করবে না। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, একের পর এক প্রাক্তন ও বর্তমান নেতার বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ দলের অন্দরের অসন্তোষের ইঙ্গিত বহন করছে।

সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলে নেতৃত্ব, সংগঠন এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে মতপার্থক্য ক্রমেই প্রকাশ্যে এসেছে। সেই প্রেক্ষাপটে দুই প্রাক্তন বিধায়কের এই বৈঠক এবং তাঁদের প্রকাশ্য মন্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করল। এখন নজর থাকবে, এই যোগাযোগ কেবল প্রতীকী পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি আগামী দিনে আরও বড় রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের সূচনা করে।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles