Home খবর দিল্লিতে দুই বছরের মধ্যে উষ্ণতম জুলাইয়ের দিন, ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল রাজধানী

দিল্লিতে দুই বছরের মধ্যে উষ্ণতম জুলাইয়ের দিন, ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল রাজধানী

Authored By নির্ণয় চট্টোপাধ্যায়
45 views 2 minutes read
A+A-
Reset

হাইলাইটস

  • দিল্লিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠল ৩৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা গত দুই বছরের মধ্যে জুলাই মাসের সর্বোচ্চ।
  • আর্দ্রতার কারণে অনুভূত তাপমাত্রা (Heat Index) পৌঁছেছে প্রায় ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে
  • বৃষ্টির অভাব ও অতিরিক্ত জলীয় বাষ্পে অস্বস্তি বেড়েছে, জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা
  • সপ্তাহান্তে হালকা বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

দিল্লিতে বর্ষাকাল হলেও গরমের দাপট কমার কোনও লক্ষণ নেই। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে রেকর্ড হয়েছে গত দুই বছরের মধ্যে জুলাই মাসের সবচেয়ে উষ্ণ দিন। ভারতের আবহাওয়া দফতর (আইএমডি) জানিয়েছে, রাজধানীর প্রধান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সফদরজংয়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৪ ডিগ্রি বেশি। শেষবার জুলাই মাসে এর চেয়ে বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৩০ জুলাই ২০২৪-এ, যখন পারদ উঠেছিল ৩৯.৩ ডিগ্রিতে।

শুধু দিনের গরমই নয়, রাতেও স্বস্তি মেলেনি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রিরও বেশি। ফলে দিন-রাত মিলিয়ে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত সমস্যার কারণ শুধু তাপমাত্রা নয়, তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অত্যধিক আর্দ্রতা। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ এত বেশি ছিল যে শরীরের ঘাম সহজে শুকোতে পারেনি। এর ফলেই মানুষের শরীরে গরমের অনুভূতি অনেক বেশি বেড়ে যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে দিল্লির ‘ফিলস লাইক’ বা অনুভূত তাপমাত্রা প্রায় ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছয়, যা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বর্ষার বৃষ্টি কয়েক দিন ধরে কার্যত অনুপস্থিত থাকায় তাপমাত্রা কমেনি। মেঘের আনাগোনা থাকলেও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হওয়ায় গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়া আরও তীব্র হয়েছে। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে শুক্রবার ও শনিবারের জন্য দিল্লিতে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।  তবে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিতও দিয়েছে আইএমডি। শনিবার থেকে দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০–৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে, যা তাপমাত্রা কিছুটা কমাতে সাহায্য করবে।  চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই ধরনের গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় অকারণে রোদে বের না হওয়াই ভালো। পর্যাপ্ত জল পান করা, হালকা পোশাক পরা এবং শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের বিশেষ সতর্কতায় রাখা জরুরি। কারণ উচ্চ তাপমাত্রার সঙ্গে অতিরিক্ত আর্দ্রতা মিললে শরীরের ওপর চাপ অনেকটাই বেড়ে যায় এবং হিট স্ট্রেস বা জলশূন্যতার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।

Description. online stores, news, magazine or review sites.

Edtior's Picks

Latest Articles