হাইলাইটস
- ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান।
- আমন্ত্রণপত্র মঙ্গলবার ভারত সরকারের কাছে পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে।
- ৫ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত তেহরান, কোম ও মাশহাদে শেষকৃত্যের বিভিন্ন পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
- প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি নয়াদিল্লি।
- গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ সামরিক হামলায় খামেনেই, তাঁর কন্যা, জামাতা এবং এক নাতি নিহত হন।
- পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইসলামি রীতি অনুযায়ী দ্রুত দাফন সম্ভব হয়নি, একাধিকবার পিছিয়ে যায় শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান।
- খামেনেইর মৃত্যুর পর ভারত সরকার শোকপ্রকাশ করে। বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি তেহরানের দূতাবাসে গিয়ে শোকবার্তায় স্বাক্ষর করেন।
- বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও ইরানের বিদেশমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে কথা বলেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর শেষকৃত্যে অংশগ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে বুধবার একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আমন্ত্রণপত্র ইতিমধ্যেই ভারত সরকারের হাতে পৌঁছেছে। তবে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
জানা গিয়েছে, ৫ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ইরানের বিভিন্ন শহরে শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান হবে। প্রথম পর্যায়ের অনুষ্ঠান তেহরান ও কোমে ৫, ৬ এবং ৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। শেষ পর্বের আয়োজন করা হয়েছে মাশহাদে, ৯ জুলাই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ সামরিক হামলায় খামেনেই নিহত হন। সেই হামলায় তাঁর পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যেরও মৃত্যু হয়। ইসলামি ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী সাধারণত মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দাফন সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে খামেনেইর শেষকৃত্য বারবার স্থগিত রাখতে হয়েছিল।
খামেনেইর মৃত্যুর পর ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শোকপ্রকাশ করে। বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি ইরানের দূতাবাসে গিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে শোকবার্তায় স্বাক্ষর করেন। পাশাপাশি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ইরানের বিদেশমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে সমবেদনা জানান। এখন নজর রয়েছে নয়াদিল্লির সিদ্ধান্তের দিকে। প্রধানমন্ত্রী মোদি ব্যক্তিগতভাবে অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন, নাকি ভারতের পক্ষ থেকে অন্য কোনও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি পাঠানো হবে, তা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হতে পারে।