হাইলাইটস:

  • বিদেশে চিকিৎসার জন্য কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি চাইলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • চলমান আইনি ও তদন্ত-সংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত।
  • নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন জমা।
  • তদন্তকারী সংস্থার অবস্থান ও আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে নজর রাজনৈতিক মহলের।
  • মামলার শুনানিতে বিদেশযাত্রার উদ্দেশ্য, সময়সীমা ও চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

বাংলাস্ফিয়ার: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিদেশে চিকিৎসার জন্য কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন। জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্যগত কারণে বিদেশে বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে চলমান বিভিন্ন তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার কারণে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালতে দাখিল করা আবেদনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিদেশে যাওয়ার সম্ভাব্য সময়সূচি, চিকিৎসার প্রকৃতি এবং চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক নথিপত্র সংযুক্ত করেছেন বলে আইনজীবী মহলের সূত্রে জানা গিয়েছে। আবেদনকারীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, চিকিৎসা সম্পূর্ণভাবে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত বিষয় এবং বিদেশে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যাওয়ার অনুমতি দিলে তিনি আদালত ও তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন।

অন্যদিকে, মামলায় তদন্তকারী সংস্থাগুলির বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিলে তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়ায় কোনও প্রভাব পড়বে কি না, সেই প্রশ্ন আদালতের বিবেচনায় আসতে পারে। অতীতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদালত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তাকে গুরুত্ব দিয়ে বিদেশযাত্রার অনুমতি দিলেও, শর্তসাপেক্ষে সেই অনুমতি দেওয়ার নজির রয়েছে।

রাজনৈতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছে আবেদনটির সময় নির্বাচন নিয়ে, যদিও তৃণমূলের দাবি, এটি সম্পূর্ণ মানবিক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত বিষয়, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।

এখন নজর কলকাতা হাই কোর্টের সিদ্ধান্তের দিকে। আদালত যদি আবেদন মঞ্জুর করে, তবে নির্দিষ্ট শর্ত ও সময়সীমা বেঁধে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দিতে পারে। আর যদি অতিরিক্ত তথ্য বা নথি প্রয়োজন বলে মনে করে, তবে পরবর্তী শুনানির জন্য বিষয়টি মুলতুবিও রাখতে পারে। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশে চিকিৎসার পরিকল্পনা আপাতত আদালতের রায়ের উপরেই নির্ভর করছে।