খবর

ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার, পরীক্ষায় ভারতের প্রথম বন্দে ভারত মালগাড়ি

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • বাংলাস্ফিয়ার: আমদাবাদ–মুম্বই পথে পরীক্ষামূলক যাত্রায় ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার গতি তুলেছে ভারতের প্রথম বন্দে ভারত মালগাড়ি।
  • দ্রুত নষ্ট হয় এমন পণ্য এবং সময়-সংবেদনশীল শিল্পসামগ্রী সাধারণ মালগাড়ির তুলনায় দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই নতুন রেলগাড়ি তৈরি হচ্ছে।
  • রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার খবর প্রকাশিত হয়েছে।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

বাংলাস্ফিয়ার: আমদাবাদ–মুম্বই পথে পরীক্ষামূলক যাত্রায় ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার গতি তুলেছে ভারতের প্রথম বন্দে ভারত মালগাড়ি। দ্রুত নষ্ট হয় এমন পণ্য এবং সময়-সংবেদনশীল শিল্পসামগ্রী সাধারণ মালগাড়ির তুলনায় দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই নতুন রেলগাড়ি তৈরি হচ্ছে। রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার খবর প্রকাশিত হয়েছে।

যাত্রীবাহী বন্দে ভারত ট্রেনের পরিচিত নাম ব্যবহার করা হলেও মালগাড়িটির কাজ আলাদা। দ্রুত ত্বরণ, নির্দিষ্ট সময়সূচি এবং পণ্য ওঠানো-নামানোর উপযোগী কামরা প্রয়োজন। বিমানে পণ্য পাঠানোর তুলনায় খরচ কম এবং সাধারণ মালগাড়ির তুলনায় সময় কমানোই সম্ভাব্য বাজার।

ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার পরীক্ষার সর্বোচ্চ গতি; গোটা বাণিজ্যিক যাত্রার গড় গতি নয়। স্টেশন, সংকেত, অন্য ট্রেনকে পথ দেওয়া এবং পণ্য ওঠানো-নামানোর সময়ে গড় গতি অনেক কমে যায়। নতুন পরিষেবার সাফল্য বোঝার জন্য প্রান্ত থেকে প্রান্তে মোট সময় প্রকাশ করা দরকার।

আমদাবাদ–মুম্বই শিল্পপথে ওষুধ, বস্ত্র, যন্ত্রাংশ, ই-কমার্সের প্যাকেট, দুগ্ধ ও কৃষিপণ্য দ্রুত পরিবহণের চাহিদা রয়েছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বা তাপমাত্রা-নিয়ন্ত্রিত কামরা থাকলে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমতে পারে। তবে কোন ধরনের পণ্য বহন করা হবে এবং ভাড়া কত, তা এখনও প্রধান বাণিজ্যিক প্রশ্ন।

রেলের পণ্য পরিবহণে শেষ কয়েক কিলোমিটার বড় বাধা। কারখানা বা গুদাম থেকে স্টেশনে ট্রাক লাগে, গন্তব্যেও আবার সড়ক পরিবহণ প্রয়োজন। দ্রুত ট্রেন স্টেশনে পৌঁছলেও পণ্য যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা গুদামে পড়ে থাকে, সময়ের সুবিধা হারিয়ে যায়। ডিজিটাল নথি, দ্রুত শুল্কপরীক্ষা এবং নির্দিষ্ট ওঠানো-নামানোর কেন্দ্র দরকার।

উচ্চগতির মালগাড়ির জন্য রেলপথের ক্ষমতাও বিবেচ্য। একই পথে লোকাল, দূরপাল্লার যাত্রী ও সাধারণ মালগাড়ি চলে। নতুন দ্রুত পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দিলে অন্য ট্রেনের সময়সূচি প্রভাবিত হতে পারে। পৃথক মালবাহী করিডর বা সুসংহত সময়বণ্টন ছাড়া পরিষেবা নিয়মিত রাখা কঠিন।

রেল পরিবহণ সড়কের তুলনায় প্রতি টন পণ্যে কম জ্বালানি ব্যবহার করতে পারে। দীর্ঘপথের কিছু পণ্য ট্রাক থেকে রেলে এলে দূষণ ও মহাসড়কের চাপ কমবে। কিন্তু ছোট পরিমাণ ও অল্প দূরত্বে বহুবার পণ্য বদল করলে লাভ কমতে পারে।

১৩০ কিলোমিটার গতির পরীক্ষাটি প্রযুক্তিগত মাইলফলক। বাণিজ্যিক সাফল্যের পরীক্ষা হবে অন্য জায়গায়—সময়ে পৌঁছনোর নিশ্চয়তা, প্রতিযোগিতামূলক ভাড়া, পণ্যের ক্ষতি এবং নিয়মিত গ্রাহক। দ্রুততম গতি শিরোনাম দেয়; নির্ভরযোগ্য গড় সময় বাজার তৈরি করে।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

বিষয়:
লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles