Home খবর ইউসিসিতে বড় পদক্ষেপ, কমিটি গড়ল মহারাষ্ট্র

ইউসিসিতে বড় পদক্ষেপ, কমিটি গড়ল মহারাষ্ট্র

Authored By বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক
3 views 2 minutes read
A+A-
Reset

হাইলাইটস

  • ইউসিসির খসড়া তৈরিতে সাত সদস্যের কমিটি গঠন।
  • নেতৃত্বে অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি রঞ্জনা দেশাই।
  • ছয় মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ।
  • শীতকালীন অধিবেশনেই বিল আনার ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীসের।
  • বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার ও সম্পত্তি আইনে এক অভিন্ন কাঠামোর পরিকল্পনা।

মহারাষ্ট্রে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউনিফর্ম সিভিল কোড বা ইউসিসি) কার্যকর করার পথে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। খসড়া আইন তৈরির জন্য সাত সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি রঞ্জনা দেশাইয়ের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিকে ছয় মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিধানসভায় এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস। তিনি জানান, কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে চলতি বছরের শীতকালীন অধিবেশনেই ইউসিসি বিল বিধানসভায় পেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কী করবে কমিটি?

কমিটি আগামী ছয় মাসে বিদ্যমান আইন, আদালতের গুরুত্বপূর্ণ রায়, সাংবিধানিক দিক এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মতামত পর্যালোচনা করবে। সেই ভিত্তিতেই তৈরি হবে ইউসিসির খসড়া আইন, যা পরে সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে।

ইউসিসি কী?

অভিন্ন দেওয়ানি বিধির লক্ষ্য হল ধর্মভেদে পৃথক ব্যক্তিগত আইনের পরিবর্তে বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, ভরণপোষণ, দত্তক, উত্তরাধিকার এবং সম্পত্তি বণ্টনের মতো বিষয়ে সকল নাগরিকের জন্য এক অভিন্ন আইন প্রয়োগ করা।

বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতির অন্যতম বিতর্কিত ইস্যু। বিজেপি বরাবরই ইউসিসিকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলির একটি হিসেবে তুলে ধরেছে।

কেন রঞ্জনা দেশাই?

কমিটির প্রধান বিচারপতি রঞ্জনা দেশাই সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি। অবসরের পর তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের সীমা পুনর্নির্ধারণ কমিশনের চেয়ারপার্সন ছিলেন। বর্তমানে তিনি প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার চেয়ারপার্সন এবং অষ্টম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনেরও প্রধান।

বিতর্কও রয়েছে

রাজ্য সরকারের দাবি, ইউসিসি চালু হলে ব্যক্তিগত আইন সংক্রান্ত বৈষম্য কমবে এবং আইনের চোখে সকল নাগরিকের সমতা নিশ্চিত হবে।

তবে বিরোধী দল ও একাধিক সংখ্যালঘু সংগঠনের বক্তব্য, ব্যক্তিগত আইন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকারের সঙ্গে যুক্ত। তাই এমন আইন আনার আগে বিস্তৃত আলোচনা এবং সর্বসম্মতি জরুরি।

পরবর্তী ধাপ

উত্তরাখণ্ড ইতিমধ্যেই ইউসিসি কার্যকর করার পথে এগিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে মহারাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

কমিটি নির্ধারিত সময়ে রিপোর্ট জমা দিলে, তার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত বিল তৈরি করবে রাজ্য সরকার। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে, চলতি বছরের শীতকালীন অধিবেশনেই ইউসিসি বিল বিধানসভায় পেশ হতে পারে।

Description. online stores, news, magazine or review sites.

Edtior's Picks

Latest Articles