মহেশের প্রশংসায় ফাহাদ

যা জানা জরুরি
- মুক্তির আগেই মহেশ বাবুর প্রশংসা কুড়িয়ে নিল ফাহাদ ফাসিল অভিনীত ‘ডোন্ট ট্রাবল দ্য ট্রাবল’।
- বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ছবিটি দেখার পর সমাজমাধ্যম এক্সে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তেলুগু তারকা।
- তাঁর চোখে, ছবিটি একসঙ্গে আনন্দদায়ক, মনোরঞ্জক এবং আবেগঘন।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
মুক্তির আগেই মহেশ বাবুর প্রশংসা কুড়িয়ে নিল ফাহাদ ফাসিল অভিনীত ‘ডোন্ট ট্রাবল দ্য ট্রাবল’। বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ছবিটি দেখার পর সমাজমাধ্যম এক্সে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তেলুগু তারকা। তাঁর চোখে, ছবিটি একসঙ্গে আনন্দদায়ক, মনোরঞ্জক এবং আবেগঘন। বিশেষ করে ফাহাদ ও শিশুশিল্পী সারা পালেকরের অভিনয় তাঁকে মুগ্ধ করেছে। শশাঙ্ক ইয়েলেতি পরিচালিত ছবিটি আগামী ২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা।
ছবিটি দেখে নিজের অনুভূতির কথাই প্রথমে তুলে ধরেছেন মহেশ। তাঁর মতে, যত্ন নিয়ে তৈরি এই ছবির গল্পে রয়েছে উষ্ণতা, আর সেই আবেগ দর্শককে একটি পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা দিতে পারে। হাসি ও বিনোদনের পাশাপাশি কাহিনির আবেগও তাঁকে ছুঁয়েছে। গোটা ছবিতে যে আন্তরিকতা তিনি অনুভব করেছেন, সেটিকেই বিশেষ গুণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিনেতা।
ফাহাদকে ‘অসাধারণ অভিনেতা’ বলেছেন মহেশ। একই ধরনের চরিত্রে আটকে না থেকে বার বার নতুন কিছু করার এবং অভিনয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর যে প্রবণতা ফাহাদের, সেটিই তাঁকে অনুপ্রাণিত করে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বিশেষ প্রশংসা পেয়েছে ফাহাদ ও সারার জুটি। মহেশের মতে, দু’জনের অভিনয়ে চরিত্রগুলি এতটাই জীবন্ত হয়ে উঠেছে যে তাদের অনুভূতিগুলি পর্দায় সহজেই দর্শকের কাছে পৌঁছে যায়।
ছবিতে ফাহাদ অভিনয় করেছেন সুরি নামে এক ছোটখাটো প্রতারক এবং পথের জাদুকরের চরিত্রে। ঘটনাচক্রে তার জীবনে আসে দিব্যা, অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন এক বালিকা। সুরি তাকে অপহরণ করলেও প্রথমে জানে না, মেয়েটির মধ্যে রয়েছে অদ্ভুত ক্ষমতা। অন্য দিকে দিব্যার বিশ্বাস, এই জাদুকরই তাকে বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারবে। দুই চরিত্রের এই ভুল বোঝাবুঝি থেকেই শুরু হয় তাদের অদ্ভুত যাত্রা।
গল্প এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে সুরি ও দিব্যার সম্পর্কই হয়ে ওঠে কাহিনির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। দু’জনের চাওয়া-পাওয়া সম্পূর্ণ আলাদা হলেও পরিস্থিতি তাদের একসঙ্গে পথ চলতে বাধ্য করে। সেই অভিযাত্রার মধ্যেই সুরির নিজের জীবনের উদ্দেশ্য নতুন করে আবিষ্কারের গল্পও রয়েছে। অর্থাৎ অলৌকিকতার পাশাপাশি ব্যক্তিগত পরিবর্তনের একটি আবেগঘন স্তরও রয়েছে ছবিতে।
অভিনেতাদের পাশাপাশি প্রযোজকদেরও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহেশ। এস এস রাজামৌলির পুত্র এস এস কার্তিকেয়কে উদ্দেশ করে তাঁর বক্তব্য, এমন শুরু আর কী-ই বা হতে পারে! ছবিটির পিছনে কার্তিকেয়র পরিশ্রমের প্রশংসা করে তাঁকে এবার নিশ্চিন্ত হওয়ার কথাও বলেছেন মহেশ। কার্তিকেয় ও শোবু ইয়ারলাগাড্ডা মিলে বিশেষ কিছু তৈরি করেছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
পরিচালক শশাঙ্ক ইয়েলেতির কাজও প্রশংসা পেয়েছে তাঁর কাছ থেকে। কল্পনার জগতের সঙ্গে গল্পের আবেগকে একসূত্রে বেঁধে রাখার জন্য গোটা দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহেশ। একই সঙ্গে দর্শকদেরও প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ছবিটি দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আর্কা মিডিয়া ওয়ার্কস এবং শোয়িং বিজনেসের ব্যানারে ছবিটি প্রযোজনা করেছেন শোবু ইয়ারলাগাড্ডা, প্রসাদ দেবিনেনি ও এস এস কার্তিকেয়। উপস্থাপনায় রয়েছেন এস এস রাজামৌলি। ফাহাদ ও সারা ছাড়াও ছবিতে অভিনয় করেছেন সৌরভ সচদেব। সংগীত পরিচালনায় কালা ভৈরব, চিত্রগ্রহণে ব্র্যাড ফ্রান্সিস এবং সম্পাদনায় প্রবীণ অ্যান্টনি। গল্প লেখায় সহযোগিতা করেছেন হামজা আলি। তেলুগুর পাশাপাশি তামিল ও মালয়ালম ভাষাতেও মুক্তি পাওয়ার কথা ছবিটির।
মুক্তির আগে ছবির অনুষ্ঠানে জুনিয়র এনটিআরের উপস্থিতির পর মহেশের প্রশংসা প্রচারে যোগ করল আরও একটি আলোচনার বিষয়। তবে মহেশের প্রতিক্রিয়া তাঁর ব্যক্তিগত দর্শক-অভিজ্ঞতা। ছবির গল্প, অভিনয় এবং কল্পনার এই মিশ্রণ সাধারণ দর্শকের কাছে কতটা পৌঁছয়, তার উত্তর মিলবে ২ অক্টোবরের পরেই।
তত দিন পর্যন্ত অবশ্য প্রশ্ন একটাই—ফাহাদ-সারার রসায়নে মহেশ মুগ্ধ, দর্শকও কি হবেন?
সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট
প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।



