সংস্কৃতি ও বিনোদন

সলমনই ‘ফিল্ম স্কুল’

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • ক্যামেরা ঘুরলেই জাদু, বললেন ‘সেভেন ডগস’-এর পরিচালকদ্বয় বলিউড তারকা সলমন খানের সঙ্গে কাজ করাকে ‘চলচ্চিত্রের পাঠশালায় যাওয়ার’ সঙ্গে তুলনা করলেন আন্তর্জাতিক অ্যাকশন ছবি ‘সেভেন…
  • তাঁদের কথায়, ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেই একটি সাধারণ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে তোলার সহজাত ক্ষমতা রয়েছে সলমনের।
  • আগামী ২১ আগস্ট ভারতে মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

ক্যামেরা ঘুরলেই জাদু, বললেন ‘সেভেন ডগস’-এর পরিচালকদ্বয়

বলিউড তারকা সলমন খানের সঙ্গে কাজ করাকে ‘চলচ্চিত্রের পাঠশালায় যাওয়ার’ সঙ্গে তুলনা করলেন আন্তর্জাতিক অ্যাকশন ছবি ‘সেভেন ডগস’-এর পরিচালক আদিল এল আরবি ও বিলাল ফালাহ। তাঁদের কথায়, ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেই একটি সাধারণ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে তোলার সহজাত ক্ষমতা রয়েছে সলমনের। আগামী ২১ আগস্ট ভারতে মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি।

মরক্কো-বেলজীয় পরিচালকদ্বয় পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, চিত্রনাট্যে লেখা সংলাপ ও নির্দেশনার মধ্যেই সলমনের অভিনয় সীমাবদ্ধ থাকেনি। দৃশ্যের চরিত্র ও আবহ খুব দ্রুত বুঝে নিয়ে ক্যামেরা চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিজের মতো করে তাতে প্রাণ সঞ্চার করেন তিনি।

আদিলের কাছে সলমনের এই স্বতঃস্ফূর্ত আকর্ষণ মনে করিয়ে দিয়েছে হলিউড তারকা উইল স্মিথকে। ‘ব্যাড বয়েজ’ সিরিজে উইল স্মিথের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে আদিল ও বিলাল দু’জনেরই। সেই অভিজ্ঞতার সঙ্গে তুলনা টেনে আদিল বলেন, ক্যামেরা সলমনের দিকে ঘুরলেই যেন দৃশ্যের মধ্যে আলাদা এক জাদু তৈরি হয়। তখনই বোঝা যায়, একজন প্রকৃত মহাতারকার উপস্থিতি কাকে বলে।

আদিলের কথায়, সলমন মুহূর্তেই বুঝে যান একটি দৃশ্য তাঁর কাছে কী চাইছে। প্রথমে সেটি নিখুঁত ভাবে করেন, তার পর নিজের অভিনয়শৈলী দিয়ে তাতে আরও কিছু যোগ করেন। তাঁর কাজ সামনে থেকে দেখা যেন ‘চলচ্চিত্রের পাঠশালায়’ বসার মতো—চোখের সামনেই একটি দৃশ্য ধীরে ধীরে সিনেমা হয়ে ওঠে।

বিলালও একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, সলমনের অবদান শুধু চিত্রনাট্যের সংলাপ বলাতেই থেমে থাকেনি। অভিনয়ের সময় প্রায়ই তিনি তাৎক্ষণিক ভাবে নতুন এক-পঙ্‌ক্তির সংলাপ বা ছোট ছোট অভিব্যক্তি যোগ করেছেন। পরে সম্পাদনার সময় পরিচালকরা এমন অনেক মুহূর্ত খুঁজে পেয়েছেন, যেগুলি শুটিংয়ের সময় তাঁদের চোখেও ধরা পড়েনি।

বিলালের মতে, দৃশ্য যত ছোটই হোক না কেন, সলমন তাতে এমন কিছু যোগ করতে পারেন যা গোটা মুহূর্তটিকেই ‘খাঁটি সিনেমার মুহূর্তে’ বদলে দেয়।

‘সেভেন ডগস’-এ সলমনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন সঞ্জয় দত্ত। ছবিতে দেখা যাবে ইতালীয় অভিনেত্রী মনিকা বেলুচ্চি, হলিউডের জিয়ানকার্লো এসপোসিতো ও মার্টিন লরেন্সের পাশাপাশি মিশরের তারকা করিম আবদেল আজিজ ও আহমেদ এজকেও।

প্রায় চার কোটি ডলার বাজেটে তৈরি ছবিটি আরব বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল চলচ্চিত্র। সৌদি আরবের রিয়াধে আল-হোসন বিগ টাইম স্টুডিয়োয় ছবির বড় অংশের শুটিং হয়েছে। বাস্তব বিস্ফোরণ ও বড় মাপের অ্যাকশন দৃশ্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন নির্মাতারা। ছবির একটি বিস্ফোরণ দৃশ্য ইতিমধ্যেই গিনেস বিশ্বরেকর্ডে জায়গা করে নিয়েছে। বিস্ফোরণের শক্তি ছিল ১৭০.৭ টন টিএনটির সমান—যা ‘জেমস বন্ড’ সিরিজের ‘স্পেক্টর’ এবং ‘নো টাইম টু ডাই’-এর আগের নজিরকে ছাপিয়ে গিয়েছে।

ছবির গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন ইন্টারপোল আধিকারিক খালিদ আল-আজাজি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধচক্র ‘সেভেন ডগস’। ‘পিঙ্ক লেডি’ নামে এক প্রাণঘাতী মাদকের কারবার বন্ধ করতে গিয়ে খালিদকে শেষ পর্যন্ত সাহায্য নিতে হয় এমন এক ব্যক্তির, যাকে তিনি আগেই গ্রেপ্তার করেছিলেন। সেই সূত্র ধরেই শুরু হয় একাধিক শহরজুড়ে দুঃসাহসিক গোপন অভিযান।

আরব বিশ্বের অ্যাকশনধারা, হলিউডি নির্মাণশৈলী এবং বলিউডের তারকা-আকর্ষণ—এই তিনের মিশেলই ‘সেভেন ডগস’-এর অন্যতম বড় বাজি। আর পরিচালকদের কথায়, সেই বাজিতে সলমনের ‘স্টার পাওয়ার’ই হতে পারে অন্যতম বড় তুরুপের তাস।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

বিষয়:
লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles