খবর

গ্রামীণ কর্মসংস্থানে নতুন মজুরি কাঠামো, দৈনিক ন্যূনতম ₹৩০০ নির্ধারণ করল কেন্দ্র

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • হাইলাইটস: ভি বি-জি রাম-জি প্রকল্প চালুর আগে নতুন মজুরি হার বিজ্ঞাপিত দেশের কোথাও দৈনিক মজুরি ₹৩০০-এর নিচে থাকবে না ১ জুলাই থেকে কার্যকর নতুন…
  • বুধবার থেকে কার্যকর হওয়া বিকশিত ভারত–রোজগার ও আজীবিকা নিশ্চয়তা মিশন (গ্রামীণ) বা ভি বি-জি রাম-জি প্রকল্প চালুর ঠিক আগে গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রক নতুন মজুরি…
  • এর ফলে দেশের কোনও রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে গ্রামীণ কর্মসূচির অধীনে দৈনিক মজুরি আর ₹৩০০-এর কম হবে না।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

হাইলাইটস:

  • ভি বি-জি রাম-জি প্রকল্প চালুর আগে নতুন মজুরি হার বিজ্ঞাপিত
  • দেশের কোথাও দৈনিক মজুরি ₹৩০০-এর নিচে থাকবে না
  • ১ জুলাই থেকে কার্যকর নতুন গ্রামীণ কর্মসংস্থান কাঠামো
  • রাজ্যভেদে মজুরি পুনর্নির্ধারণ, জাতীয় গড় বেড়ে ₹৩২৭.৪০

কেন্দ্র সরকার গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের মজুরি বাড়িয়ে দেশের সর্বনিম্ন দৈনিক মজুরি ₹৩০০ নির্ধারণ করেছে। বুধবার থেকে কার্যকর হওয়া বিকশিত ভারত–রোজগার ও আজীবিকা নিশ্চয়তা মিশন (গ্রামীণ) বা ভি বি-জি রাম-জি প্রকল্প চালুর ঠিক আগে গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রক নতুন মজুরি হার সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এর ফলে দেশের কোনও রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে গ্রামীণ কর্মসূচির অধীনে দৈনিক মজুরি আর ₹৩০০-এর কম হবে না।

সরকার জানিয়েছে, এটি একটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা। পরবর্তীকালে মূল্যবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচক বিবেচনা করে প্রয়োজনে মজুরি পুনর্বিবেচনা করা হবে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী জাতীয় গড় দৈনিক মজুরি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ₹৩২৭.৪০। বিভিন্ন রাজ্যে স্থানীয় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে।  নতুন কর্মসূচি পুরনো গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের পরিবর্তে চালু হচ্ছে। এর আওতায় প্রতি গ্রামীণ পরিবারের জন্য বছরে কর্মসংস্থানের আইনি নিশ্চয়তা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সময়মতো মজুরি প্রদান, স্বচ্ছ ডিজিটাল ব্যবস্থা, সম্পদ সৃষ্টিমূলক প্রকল্প এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের ভূমিকা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রকের দাবি, নতুন কর্মসূচির জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে অন্তর্বর্তীভাবে ₹৯৫,৬৯২.৩১ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে, যাতে প্রকল্প চালু হওয়ার প্রথম দিন থেকেই কাজ ও মজুরি প্রদানে কোনও বিঘ্ন না ঘটে। বিদ্যমান ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন কর্মকার্ড আপাতত বৈধ থাকবে এবং নতুন কার্ড ইস্যু না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকরা আগের ব্যবস্থাতেই কাজ করতে পারবেন।  কেন্দ্রের বক্তব্য, এই নতুন কাঠামোর লক্ষ্য শুধু কর্মসংস্থান দেওয়া নয়, বরং জল সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, গ্রামীণ পরিকাঠামো, স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং টেকসই সম্পদ নির্মাণের মাধ্যমে গ্রামের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা। প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও প্রত্যক্ষ হস্তান্তর ব্যবস্থার মাধ্যমে দুর্নীতি কমিয়ে দ্রুত মজুরি প্রদানের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রের আশা, ন্যূনতম মজুরি ₹৩০০-এ উন্নীত হওয়ায় গ্রামীণ শ্রমিকদের আয় বাড়বে এবং কর্মসংস্থানের আকর্ষণও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে ১২৫ দিনের কর্মনিশ্চয়তা গ্রামীণ পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করবে এবং গ্রামাঞ্চলে টেকসই উন্নয়নের গতি বাড়াবে।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

বিষয়:
লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles