উপহারে কূটনীতি

যা জানা জরুরি
- আধুনিক ইতিহাসে রাজনৈতিক তাৎপর্যে এত শক্তিশালী উপহার খুব কমই এসেছে।
- ফ্রান্সে তৈরি নব্য ধ্রুপদি রীতির এই বিশাল ভাস্কর্য উনিশ শতকের শেষ দিকে আমেরিকাকে উপহার দিয়েছিল ফ্রান্স।
- আদি নাম ছিল ‘লিবার্টি এনলাইটেনিং দ্য ওয়ার্ল্ড’—স্বাধীনতার আলোয় আলোকিত বিশ্ব।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
স্ট্যাচু অব লিবার্টি শুধু একটি মূর্তি নয়। আধুনিক ইতিহাসে রাজনৈতিক তাৎপর্যে এত শক্তিশালী উপহার খুব কমই এসেছে। ফ্রান্সে তৈরি নব্য ধ্রুপদি রীতির এই বিশাল ভাস্কর্য উনিশ শতকের শেষ দিকে আমেরিকাকে উপহার দিয়েছিল ফ্রান্স।
আদি নাম ছিল ‘লিবার্টি এনলাইটেনিং দ্য ওয়ার্ল্ড’—স্বাধীনতার আলোয় আলোকিত বিশ্ব। বিপুল আকার এবং প্রতীকী গুরুত্বের এই মূর্তি ছিল বন্ধুত্বের স্মারক। উপলক্ষ, ১৭৭৬ সালের মার্কিন স্বাধীনতার ঘোষণার শতবর্ষ। যদিও উপহারটি নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক দশক পরে পৌঁছেছিল। ব্রিটেনের অধীনতা থেকে আমেরিকার মুক্তির লড়াইয়ে ফ্রান্সের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছিল সেটি—হয়তো খানিকটা খোঁচা দিয়েই।
আজ স্ট্যাচু অব লিবার্টি বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত স্মারকগুলির একটি। অথচ তার স্রষ্টা ফ্রেদেরিক অগুস্ত বার্থোলদিকে তুলনায় কম মানুষ চেনেন। সেই বিস্মৃতি খানিকটা কাটাতেই প্যারিসের মিউজে দ’অর্সে আয়োজন করেছে তাঁর জীবন ও কাজের প্রদর্শনী।
কূটনৈতিক উপহারের ক্ষেত্রে যেমন প্রায়ই হয়, তেমনই আমেরিকাকে এমন তাক লাগানো উপহার দেওয়ার পিছনেও ছিল রাজনৈতিক হিসাব। ১৮৬৫ সালে ভার্সাইয়ের এক অভিজাত নৈশভোজে উদারপন্থী রাজনীতিক এদুয়ার লাবুলে প্রথম প্রস্তাবটি তোলেন। তাঁর আশা ছিল, আমেরিকার স্বাধীনতা উদ্যাপনের এই উদ্যোগ হয়তো ফ্রান্সের কর্তৃত্ববাদী শাসক তৃতীয় নেপোলিয়নকেও নিজের দেশে আরও স্বাধীনতা দেওয়ার কথা ভাবাবে। লাবুলে এবং বার্থোলদি—দু’জনেই ছিলেন নেপোলিয়নের বিরোধী।
বার্থোলদি সানন্দে রাজি হন। পূর্ব ফ্রান্সের কোলমারের এই শিল্পী তখন এমন একটি বিশাল কাজ করতে চাইছিলেন, যা তাঁর নাম চিরস্থায়ী করে দেবে। কুড়ির কোঠায় বয়সেই তিনি সুয়েজ খালের প্রবেশমুখে একটি বাতিঘর তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। ভাবনাটি ছিল, ঢিলেঢালা পোশাক পরা এক মিশরীয় নারী, হাতে জ্বলন্ত মশাল। কিন্তু মিশরের শাসকের কাছে প্রকল্পটি অতিরিক্ত ব্যয়বহুল মনে হয়েছিল।
তৃতীয় নেপোলিয়ন ১৮৭০ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত ১৮৮৪ সালে প্যারিসের রু দ্য শাজেল সড়কের বাসিন্দারা দেখলেন, কর্মশালার ভিতর থেকে ধীরে ধীরে মাথা তুলছে এক বিশাল মূর্তি। কিছু দিনের মধ্যেই আশপাশের প্রায় সবকিছুকে ছাপিয়ে আকাশে উঠে গেল তার অবয়ব।
তার পর মূর্তিটি খুলে টুকরো টুকরো করে ট্রেনে রুয়াঁ, সেখান থেকে জাহাজে নিউ ইয়র্কে পাঠানো হয়।
মিউজে দ’অর্সের প্রদর্শনী চলবে ২০২৭ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। সেখানে বার্থোলদির প্রায় ১০০টি শিল্পকর্ম রাখা হয়েছে। মূর্তিটির ভাবনা থেকে নির্মাণ—গোটা যাত্রাপথ দর্শকের সামনে তুলে ধরতে তৈরি হয়েছে ত্রিমাত্রিক কৃত্রিম পরিবেশও। ২০২৬ সালের এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে মূর্তি উদ্বোধনের ১৪০ বছর এবং আমেরিকার স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি।
প্রদর্শনীর দুই পরিকল্পক ফ্রাঁসোয়া ব্লঁশতিয়ের ও জুলিয়েত শেভে মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বার্থোলদির স্বাধীনতার ধারণা ফরাসি বিপ্লবীদের ধারণার সঙ্গে এক ছিল না। তাঁদের কথায়, “এই স্বাধীনতার ভিত্তি আইন, হিংসা নয়।” তাঁদের ব্যাখ্যায়, প্রকল্পটি একইসঙ্গে শৈল্পিক, রাজনৈতিক, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট, প্রযুক্তিগত এবং সর্বোপরি আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক।
বার্থোলদি ও লাবুলের আশা ছিল, স্ট্যাচু অব লিবার্টি ফ্রান্স ও আমেরিকার বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করবে। মূর্তিটি স্থাপিত হতে অবশ্য লাবুলে দেখে যেতে পারেননি। কিন্তু তাঁর পরিকল্পনার সেই প্রতীক আজ স্বাধীনতার বিশ্বজনীন চিহ্ন। আর তার ফরাসি উৎস ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অনেকটাই আড়ালে চলে গেছে।
উপহার যখন বার্তা
পেশাদার কূটনীতিক পল ব্রুমেল তাঁর ২০২২ সালের বই ডিপ্লোম্যাটিক গিফটস: আ হিস্ট্রি ইন ফিফটি প্রেজেন্টস-এ দেখিয়েছেন, প্রাচীন কাল থেকেই উপহার শুধু সৌজন্য নয়—রাজনৈতিক, প্রচারমূলক এবং কূটনৈতিক হাতিয়ারও। ট্রয়ের কাঠের ঘোড়া থেকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি—সবই এসেছে তাঁর আলোচনায়। ব্রুমেল বর্তমানে মরিশাসে ব্রিটেনের হাইকমিশনার।
‘ওয়াশিংটন ডিপ্লোম্যাট’কে তিনি বলেন, “এখনকার উপহারে তেমন আড়ম্বর থাকে না। কিন্তু ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, বড় বড় রাজাদের চিন্তাভাবনার একেবারে কেন্দ্রে ছিল কূটনৈতিক উপহার। তাঁরা কোনও কার্পণ্য করতেন না।”
প্রশ্ন হল, উপহার দিয়ে কি সত্যিই সম্পর্ক বদলানো যায়?
১৯৭২ সালে রিচার্ড নিক্সনের বেজিং সফরের পর চিন আমেরিকাকে দু’টি জায়ান্ট পান্ডা দিয়েছিল—লিং-লিং ও সিং-সিং। সেখান থেকেই জনপ্রিয় হয় ‘পান্ডা কূটনীতি’ কথাটি। বিনিময়ে আমেরিকা চিনকে পাঠিয়েছিল মিল্টন ও ম্যাটিল্ডা নামে দু’টি মাস্ক অক্স—শীতপ্রধান অঞ্চলের দীর্ঘলোমশ তৃণভোজী প্রাণী।
ওয়াশিংটনের স্মিথসোনিয়ান জাতীয় চিড়িয়াখানায় পান্ডা দু’টি পৌঁছনোর প্রথম মাসেই তাদের দেখতে ভিড় করেছিলেন ১০ লক্ষেরও বেশি দর্শক। চিন সম্পর্কে মার্কিন জনমতেও এর প্রভাব পড়েছিল বলে মনে করা হয়।
এই সপ্তাহে শি জিনপিংও সেই পুরনো কূটনীতির পথেই হেঁটেছেন। আটলান্টার চিড়িয়াখানায় পাঠিয়েছেন দু’টি পান্ডা, যাদের তিনি বলেছেন ‘বন্ধুত্বের দূত’। জবাবে ট্রাম্প শি-কে দিয়েছেন আমেরিকার জাতীয় প্রতীক বল্ড ইগলের একটি ভাস্কর্য।
পান্ডা, মূর্তি, গাছ—কূটনৈতিক উপহারের ভাষা যে কত বিচিত্র হতে পারে, তার আর একটি চরম উদাহরণ উত্তর কোরিয়া।
পিয়ংইয়ংয়ের প্রায় ৯০ মাইল উত্তর-পূর্বে রয়েছে জানলাবিহীন ‘আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব প্রদর্শনী’। ১৫০টি ঘরে সাজানো রয়েছে প্রাক্তন শাসক কিম ইল-সুং ও কিম জং-ইলকে দেওয়া উপহার। তাঁদের একজন মারা যান ১৯৯৪ সালে, অন্যজন ২০১১ সালে।
সংগ্রহে রয়েছে নিকারাগুয়ার সান্দিনিস্তাদের দেওয়া একটি কুমির—হাতে কাঠের ট্রে, তার উপর পানীয়ের গ্লাস এবং পাশে ছাইদানি। রয়েছে সোভিয়েত শাসক জোসেফ স্তালিনের দেওয়া জেডআইএস-১১০ সাঁজোয়া গাড়ি, প্রাক্তন মার্কিন বিদেশসচিব ম্যাডেলিন অলব্রাইটের দেওয়া মাইকেল জর্ডনের সই করা বাস্কেটবল এবং বিয়র্কের ২০০৭ সালের অ্যালবাম ‘ভোল্টা’র একটি কপি।
বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের সামনে এই সংগ্রহের বার্তা স্পষ্ট—তাঁদের নেতাদের পাশে রয়েছে গোটা বিশ্বের সমর্থন।
কখনও উপহার, কখনও বিপত্তি
সব কূটনৈতিক উপহার অবশ্য সমান সাফল্য পায় না।
২০০৯ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন ওয়াশিংটনে গিয়ে বারাক ওবামাকে দিয়েছিলেন কারুকার্যময় একটি কলমদানি। ব্রিটিশ নৌবাহিনীর দাসব্যবসা দমনে ব্যবহৃত একটি জাহাজের কাঠ খোদাই করে তৈরি হয়েছিল সেটি। বিনিময়ে ব্রাউন পেয়েছিলেন ওবামার নিজের পছন্দের কয়েকটি ছবির ডিভিডি-সংকলন।
আরও বিব্রতকর হয়েছিল রাশিয়াকে হিলারি ক্লিন্টনের দেওয়া একটি প্রতীকী বোতামের ঘটনা। ২০০৯ সালে রাশিয়া-মার্কিন সম্পর্ক ‘রিসেট’ করার বার্তা দিতে চেয়েছিল আমেরিকা। কিন্তু রুশ ভাষায় ‘রিসেট’-এর বদলে বোতামে লেখা হয়েছিল ‘ওভারচার্জ’—অর্থাৎ অতিরিক্ত দাম আদায়।
কূটনৈতিক দুনিয়ায় ৪০ বছর কাটানো এবং ফ্রান্সে ব্রিটেনের প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত পিটার রিকেটসের কথায়, মন্ত্রীদের মধ্যে উপহার বিনিময় “একেবারে মহা ঝক্কির ব্যাপার”।
কয়েক পাউন্ডের বেশি দামের উপহার হলে সেটি ঘোষণা করতে হয়। পরে হয় রাষ্ট্রের কাছে জমা দিতে হয়, নয়তো নিজের পকেট থেকে তার দাম মেটাতে হয়। ফলে রাজনীতিকদের জন্য বিষয়টি অস্বস্তিকরও হয়ে উঠতে পারে। রাষ্ট্রীয় সফরে অবশ্য নিয়ম কিছুটা আলাদা। তবে কোনও উপহার যদি সত্যিই প্রভাব ফেলতে হয়, তা হলে সেটিকে হতে হবে ভেবেচিন্তে বাছাই করা এবং নজরকাড়া।
এই জায়গায় ব্রিটিশ রাজপরিবারের উপহার বাছাইয়ের দক্ষতার কথা বলেন রিকেটস।
একটি উদাহরণ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাজা চার্লসের দেওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ব্রিটিশ ডুবোজাহাজ ‘এইচএমএস ট্রাম্প’-এর আসল পিতলের ঘণ্টা। ব্যক্তিগত যোগ, ইতিহাস, সৌন্দর্য এবং সোনালি রং—সব মিলিয়ে উপহারটি ট্রাম্পের পছন্দ হয়েছিল বলে রিকেটসের মন্তব্য।
আর একটি ১৯৭৬ সালের ঘটনা। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ভালেরি জিসকার দেস্তাঁর রাষ্ট্রীয় সফরের সময় রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ তাঁকে দিয়েছিলেন একটি কালো ল্যাব্রাডর শাবক। রিকেটসের কথায়, জিসকার দেস্তাঁর কুকুরটিকে এতটাই পছন্দ করেছিলেন যে সেটি যত দিন বেঁচেছিল, তিনি তার সঙ্গে ইংরেজিতেই কথা বলতেন।
রাজপরিবার নিজেও পেয়েছে বিচিত্র সব উপহার। ১৯৭২ সালে ফরাসি প্রেসিডেন্ট জর্জ পম্পিদু রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে দিয়েছিলেন বিশাল ঘাসফড়িংয়ের আদলে তৈরি মদ ঠান্ডা রাখার পাত্র। সেটি আবার প্রয়োজনে ছোট টেবিল হিসেবেও ব্যবহার করা যেত।
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের প্রত্যন্ত দ্বীপ তান্নার একটি জনজাতি প্রিন্স ফিলিপকে জীবন্ত দেবতা বলে মনে করত। ২০২১ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত সেই বিশ্বাস টিকে ছিল। নিজেদের শাসকদের পোশাকের অনুকরণে ঘাস দিয়ে তৈরি একটি পুরুষাঙ্গ-আবরণও তাঁকে উপহার দিয়েছিল তারা।
কখনও উপহারের ভাগ্য আরও বিচিত্র।
১৮২৬ সালে মিশরের পাশা মুহাম্মদ আলি ফরাসি রাজা দশম চার্লসকে জারাফা নামে একটি স্ত্রী মাসাই জিরাফ উপহার দিয়েছিলেন। ১৮৪৫ সালে মৃত্যুর আগে ১৮ বছর সেটি প্যারিসের জার্দাঁ দে প্লঁত-এ ছিল।
কিন্তু ২০১৩ সালে মালি সফরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদকে দেওয়া উটটির কপাল তত ভালো ছিল না। দেখাশোনার জন্য প্রাণীটিকে টিমবাকটুর একটি পরিবারের কাছে রেখে যাওয়া হয়েছিল। তারা কিছু দিনের মধ্যেই সেটিকে জবাই করে তাজিন রান্না করে ফেলে। পরে মালি প্রতিশ্রুতি দেয়, বদলে দেওয়া হবে “আরও বড় এবং দেখতে আরও সুন্দর একটি উট”।
যে উপহার থেকে যায়
সব উপহার অবশ্য ক্ষমতার প্রদর্শন বা রাজনৈতিক বার্তা হয়ে থাকে না। কিছু উপহার সময় পেরিয়েও বন্ধুত্বের স্মৃতি হয়ে থাকে।
১৯১২ সালে জাপান টোকিয়ো থেকে ওয়াশিংটন শহরকে দিয়েছিল ৩,০২০টি চেরিগাছ। আজও প্রতি বসন্তে সেই গাছগুলিতে ফুল ফোটে।
১৯৪৭ সাল থেকে অসলো প্রতি বছর লন্ডনে পাঠায় একটি বড়দিনের গাছ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির দখলে চলে যাওয়া নরওয়ের নির্বাসিত সরকারকে লন্ডন আশ্রয় দিয়েছিল। সেই কৃতজ্ঞতার স্মৃতি হিসেবেই শুরু হয়েছিল এই রীতি।
আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিজেদের রাজপরিবারকে অটোয়ায় আশ্রয় দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নেদারল্যান্ডস প্রতি বছর কানাডায় পাঠায় ২০ হাজার টিউলিপের কন্দ।
কূটনীতির ভাষা সব সময় চুক্তিপত্রে লেখা হয় না। কখনও তা একটি বিশাল মূর্তি, কখনও পান্ডার জোড়া, কখনও একটি গাছ, একটি কুকুর কিংবা একটি ঘণ্টা।
উপহার তাই শুধু ‘ধন্যবাদ’ বলার উপায় নয়। কখনও তা বন্ধুত্বের প্রতীক, কখনও রাজনৈতিক বার্তা, কখনও প্রচারের হাতিয়ার—আর কখনও ভুল অনুবাদের কারণে একেবারে উল্টো অর্থ বহন করা এক টুকরো ইতিহাস।
সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট
প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।



