খবর

রাজ্যসভায় ‘বন্দে মাতরম’ সুরক্ষা বিল, অপমান বা গানে বাধা দিলে হতে পারে তিন বছরের জেল

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • বাংলাস্ফিয়ার: জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর মতোই এবার জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-কেও আইনি সুরক্ষার আওতায় আনতে উদ্যোগী হল কেন্দ্র।
  • সেই লক্ষ্যে শুক্রবার রাজ্যসভায় ‘প্রিভেনশন অব ইনসাল্টস টু ন্যাশনাল অনার (সংশোধনী) বিল, ২০২৬’ পেশ করা হয়েছে।
  • বিলটি আইনে পরিণত হলে ‘বন্দে মাতরম’-কে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা গানটি গাওয়ায় বাধা দেওয়া ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

বাংলাস্ফিয়ার: জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর মতোই এবার জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-কেও আইনি সুরক্ষার আওতায় আনতে উদ্যোগী হল কেন্দ্র। সেই লক্ষ্যে শুক্রবার রাজ্যসভায় ‘প্রিভেনশন অব ইনসাল্টস টু ন্যাশনাল অনার (সংশোধনী) বিল, ২০২৬’ পেশ করা হয়েছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে ‘বন্দে মাতরম’-কে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমান করা বা গানটি গাওয়ায় বাধা দেওয়া ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

বর্তমান প্রিভেনশন অব ইনসাল্টস টু ন্যাশনাল অনার আইন, ১৯৭১’-এ জাতীয় পতাকা, সংবিধান এবং জাতীয় সঙ্গীতের মর্যাদা রক্ষার বিধান রয়েছে। জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ায় ইচ্ছাকৃত বাধা সৃষ্টি করা বা গানের সময় বিশৃঙ্খলা ঘটানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নতুন সংশোধনী বিলে একই বিধান জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ায় বাধা দেন বা গানের সময় বিঘ্ন ঘটান, তবে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। একই অপরাধে দ্বিতীয় বা পরবর্তীবার দোষী সাব্যস্ত হলে ন্যূনতম এক বছরের কারাদণ্ডের বিধানও বহাল থাকবে, যেমনটি বর্তমানে জাতীয় সঙ্গীতের ক্ষেত্রে রয়েছে।

সরকারের বক্তব্য, স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে ‘বন্দে মাতরম’-এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এতদিন জাতীয় সঙ্গীতের মতো নির্দিষ্ট আইনি সুরক্ষা ছিল না। এই সংশোধনের মাধ্যমে সেই শূন্যতা পূরণ করা হবে এবং জাতীয় গানের মর্যাদা আরও সুদৃঢ় হবে।

তবে বিলটি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীদের একাংশের মত, জাতীয় প্রতীকের প্রতি সম্মান অবশ্যই থাকা উচিত, কিন্তু বিষয়টিকে ফৌজদারি আইনের আওতায় আনার ফলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও আইনের সম্ভাব্য অপব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। সংসদে বিলটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং প্রয়োজনে সংশোধনের সুযোগ থাকবে।

রাজ্যসভায় উপস্থাপনের পর বিলটি এখন সংসদীয় প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে যাবে। উভয় কক্ষের অনুমোদন এবং রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেলেই সংশোধনীটি আইনে পরিণত হবে।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles