হাইলাইটস
- ভারতীয় বংশোদ্ভূত কণিষ্ক নারায়ণকে ব্রিটেনের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক মন্ত্রী করা হয়েছে।
- এআই-সংক্রান্ত দায়িত্ব প্রথমবার সরাসরি মন্ত্রিসভার কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নিয়ে এল ব্রিটিশ সরকার।
- বিহারে জন্ম নেওয়া কণিষ্ক পরে পরিবারের সঙ্গে ব্রিটেনে চলে যান এবং ২০২৪ সালে ওয়েলস থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন।
- এর আগে এআই ও অনলাইন নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি।
- অর্থনীতি, সরকারি পরিষেবা ও শিল্পনীতিতে এআই-এর ব্যবহার বাড়ানোই নতুন মন্ত্রকের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে জাতীয় নীতিনির্ধারণের একেবারে কেন্দ্রে নিয়ে এল ব্রিটেন। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের নতুন মন্ত্রিসভায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত লেবার সাংসদ কণিষ্ক নারায়ণকে দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
শুধু নতুন একটি পদ তৈরি করাই নয়, এআই-সংক্রান্ত দায়িত্বকে সরাসরি মন্ত্রিসভার পর্যায়ে উন্নীত করাও ব্রিটিশ প্রশাসনে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তি, অর্থনীতি ও সরকারি পরিষেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকেই স্বীকৃতি দিল ব্রিটেন।
বিহারে জন্ম নেওয়া কণিষ্ক শৈশবেই পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চলে যান। ২০২৪ সালে ওয়েলসের ভেল অব গ্ল্যামরগান আসন থেকে লেবার পার্টির সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। এর আগে এআই ও অনলাইন নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন কণিষ্ক।
নতুন দায়িত্বে তাঁর কাজের পরিধি আরও বিস্তৃত হতে চলেছে। মন্ত্রিসভায় উপস্থিত থেকে এআই নীতি, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, বিনিয়োগ, সরকারি পরিষেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং নিরাপদ প্রযুক্তি বিকাশের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমন্বয়ের দায়িত্ব সামলাবেন তিনি।
ব্রিটিশ সরকারের মতে, ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় দেশের অবস্থান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই প্রযুক্তিকে শুধু গবেষণাগার বা বেসরকারি শিল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সরকারি নীতির কেন্দ্রেও নিয়ে আসতে চাইছে সরকার।
কণিষ্ক নারায়ণের এই নিয়োগ তাই শুধু ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক রাজনীতিকের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়। এটি ব্রিটেনের ভবিষ্যৎ নীতিরও একটি বড় বার্তা—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর শুধু প্রযুক্তি খাতের বিষয় নয়, এবার তা সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনার অংশ।