শীতঘুমে প্রশাসন, জীবনের ঝুঁকিতে জীবিকা

যা জানা জরুরি
- বাংলাস্ফিয়ার: নাজিয়াবাদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।
- সোমবার ভোররাতে যেই দু'টি গুদামে ভয়াবহ আগুন লেগেছিল।
- সেই দুটো গুদামে নাকি পর্যাপ্ত পরিমাণে অগ্নি-নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
বাংলাস্ফিয়ার: নাজিয়াবাদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সোমবার ভোররাতে যেই দু’টি গুদামে ভয়াবহ আগুন লেগেছিল। সেই দুটো গুদামে নাকি পর্যাপ্ত পরিমাণে অগ্নি-নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। তেমনটাই খবর মিলেছে দমকল সূত্রে। এমনকি কোনও ফায়ার অডিটও হয়নি বলেই জানা যাচ্ছে।
ওই দুটি গুদামের আশপাশে বহু কোম্পানির গুদাম রয়েছে। ঘটনার পর ওই এলাকায় খোঁজখবর নিতে গিয়ে দেখা যায়, বেশিরভাগ গুদামের অবস্থা একই। অগ্নি নির্বাপনের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থাই নেই। কোথাও নামমাত্র কিছু ব্যবস্থা থাকলেও, তা জরুরী পরিস্থিতির জন্য এক্কেবারেই যথেষ্ট নয়।
ঘটনাস্থলের পাশেই একটি গাড়ির সরঞ্জামের গুদামের ম্যানেজার শুভ সাহা বলেন, “আমাদের গুদামে কোনও অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা নেই। কোম্পানি ভাড়ায় এই জায়গা কাজ চালাচ্ছে। তাঁরাও কিছু করেনি। মালিক পক্ষও কোনো উদ্যোগ নেয় নি।প্রশাসনের নজরও পড়ে না। আমরা কর্মীরা নিজেরাই যতটা পারি সাবধানে থাকার চেষ্টা করি।”
এই এলাকায় একাধিক ডেলিভারি সংস্থার গুদাম রয়েছে। ভোক্তাদের হাতে খুব দ্রুত পণ্য পৌঁছে দিতে ডেলিভারি সংস্থার বিপুল পরিমাণ পণ্য মজুত রাখা হয় এই গুদাম গুলিতেই। এমনই এক গুদামে প্রবেশ করতেই দেখা যায়, ঘর জুড়ে নানা ধরনের পণ্যে ঠাসা, ভেতরে কাজের চরম ব্যস্ততা। বহু কর্মী কাজ করলেও অগ্নি নিরাপত্তা বলতে ভরসা শুধু কয়েকটি ফায়ার সিলিন্ডার।
এছাড়াও পুরনো গাড়ির একটি শো-,রুমে অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থার কোনও চিহ্ন চোখে পড়েনি। অথচ সেখানেই প্রাণভয় ত্যাগ করে অগুন জ্বালিয়ে কাজ করছে কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। এখন দেখার, কখন প্রশাসনের টনক নড়ে।
সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট
প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।



