বড় খবর

১ ট্রিলিয়ন ডলার উধাও!

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে উন্মাদনার মধ্যেই বড় ধাক্কা খেল এশিয়ার শেয়ারবাজার।
  • মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজার থেকে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি বাজারমূল্য উধাও হয়ে যায়।
  • বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই পতনের নেপথ্যে রয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট Apple-এর মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা এবং AI খাতের অতিমূল্যায়ন নিয়ে বিনিয়োগকারীদের বাড়তে থাকা উদ্বেগ।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে উন্মাদনার মধ্যেই বড় ধাক্কা খেল এশিয়ার শেয়ারবাজার। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজার থেকে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি বাজারমূল্য উধাও হয়ে যায়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই পতনের নেপথ্যে রয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট Apple-এর মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা এবং AI খাতের অতিমূল্যায়ন নিয়ে বিনিয়োগকারীদের বাড়তে থাকা উদ্বেগ।

সম্প্রতি Apple জানায়, মেমোরি ও স্টোরেজ চিপের দাম বেড়ে যাওয়ায় MacBook, iPad-সহ একাধিক পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। AI-চালিত ডেটা সেন্টারের বিপুল চাহিদার কারণে চিপের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Apple-এর এই ঘোষণার পরই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে—যদি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি সংস্থাকেও উৎপাদন ব্যয় সামলাতে পণ্যের দাম বাড়াতে হয়, তাহলে AI-নির্ভর প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর বর্তমান মূল্যায়ন কি বাস্তবসম্মত? এই আশঙ্কা থেকেই প্রযুক্তি শেয়ারে ব্যাপক বিক্রির চাপ তৈরি হয়।

সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খায় দক্ষিণ কোরিয়ার KOSPI সূচক, যা প্রায় ৮.২ শতাংশ পড়ে যায়। জাপানের Nikkei 225 সূচক ৪.৫ শতাংশ এবং তাইওয়ানের শেয়ারবাজার প্রায় ৩ শতাংশ নেমে আসে। অন্যদিকে, চীনের Shanghai Composite সূচকও ২ শতাংশের বেশি পতন রেকর্ড করে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধুমাত্র Apple-এর ঘোষণার প্রভাব নয়। AI খাতে অতিরিক্ত বিনিয়োগ, সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলোর উচ্চ মূল্যায়ন, বাড়তি চিপের দাম এবং ভবিষ্যৎ মুনাফা নিয়ে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়েই বাজারে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।

তবে বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই পতন AI খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নেতিবাচক বার্তা নয়। বরং বিনিয়োগকারীরা এখন জানতে চাইছেন, AI-তে বিপুল বিনিয়োগের প্রকৃত আর্থিক ফল কতটা দ্রুত আসবে এবং বাড়তে থাকা উৎপাদন ব্যয়ের প্রভাব প্রযুক্তি সংস্থাগুলো কীভাবে সামাল দেবে। আগামী কয়েকটি ত্রৈমাসিকের আর্থিক ফলাফলই এই প্রশ্নের উত্তর অনেকটাই স্পষ্ট করবে।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

সৌমিক হালদার

সৌমিক হালদার গান্ধী কলোনী উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে, নেতাজী নগর কলেজের বঙ্গভাষা ও সাহিত্য বিভাগে বাংলায় স্নাতক (অনার্স) পাঠে ভর্তি হন এবং ২০২১ সালে ফার্স্ট ক্লাস ডিগ্রীতে উত্তীর্ণ হন। কলেজে আয়োজিত ‘প্রকাশনা শিল্প : গ্রন্থ নির্মাণশৈলী ও ডিজাইন কৌশল’ শীর্ষক সার্টিফিকেট কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করে কিছুকাল প্রকাশনা জগতের সঙ্গেও যুক্ত থেকেছেন। সাহিত্য, চলচ্চিত্র ও সৃজনশীল কাজের প্রতি তার গভীর আগ্রহ। গল্প লেখা, আলোকচিত্র গ্রহণ, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ ও ভিডিও সম্পাদনা তাঁর অন্যতম প্রিয় কাজ। বিভিন্ন খ্যাতনামা চলচ্চিত্র পরিচালকের প্রোডাকশন টিমের সদস্য হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। ডিজিটাল ম্যাগাজিন ডিজাইন ও প্রযুক্তিনির্ভর সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে তাঁর দক্ষতা বিশেষভাবে প্রশংসিত। কর্মনিষ্ঠা, সৃজনশীলতা ও বহুমুখী প্রতিভার সমন্বয়ে তিনি একজন সম্ভাবনাময় তরুণ।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles