Table of Contents
হাইলাইটস
- ইউএপিএ-র আওতায় আরও ২৩ জনকে ‘ব্যক্তিগত সন্ত্রাসবাদী’ ঘোষণা করল কেন্দ্র।
- তালিকায় রয়েছে লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ-সহ পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সদস্যরা।
- হাফিজ সঈদের আত্মীয় ও একাধিক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর নামও যুক্ত হয়েছে।
- নতুন সংযোজনের পর ইউএপিএ-র অধীনে ঘোষিত ব্যক্তিগত সন্ত্রাসবাদীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮০।
ভারত সরকার বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ)-এর আওতায় আরও ২৩ জনকে ‘ব্যক্তিগত সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। নতুন তালিকায় রয়েছে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং তাদের সহযোগী নেটওয়ার্কের একাধিক সদস্য। তাঁদের মধ্যে লস্করের প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সঈদের আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীরাও রয়েছেন।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দাবি, তালিকাভুক্ত ব্যক্তিরা ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহ, জঙ্গি নিয়োগ, সন্ত্রাসে অর্থ জোগান এবং বিশেষ করে জম্মু ও কাশ্মীরে হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তের ওপার থেকে জঙ্গি নেটওয়ার্ক পরিচালনায় তাঁদের সক্রিয় ভূমিকার অভিযোগ রয়েছে।
২০১৯-এর সংশোধনের প্রভাব
২০১৯ সালে ইউএপিএ সংশোধনের পর শুধু কোনও সংগঠন নয়, কোনও ব্যক্তিকেও সরাসরি ‘সন্ত্রাসবাদী’ ঘোষণা করার ক্ষমতা পায় কেন্দ্র। এই সংশোধনের ফলে তদন্তকারী সংস্থাগুলি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, আর্থিক লেনদেনে কড়া নজরদারি, অর্থের উৎস বন্ধ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাওয়ার মতো পদক্ষেপ আরও সহজে নিতে পারে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পদক্ষেপ?
কেন্দ্রের মতে, এই সিদ্ধান্ত শুধু প্রতীকী নয়। সন্ত্রাসবাদী অর্থায়ন, সীমান্তপারের জঙ্গি নেটওয়ার্ক এবং অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। নতুন ২৩ জনের নাম যুক্ত হওয়ায় ইউএপিএ-র আওতায় ঘোষিত ব্যক্তিগত সন্ত্রাসবাদীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮০। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলেরই অংশ এই পদক্ষেপ। এর ফলে আন্তর্জাতিক মহলেও জঙ্গি সংগঠন ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে ভারতের অবস্থান আরও জোরালো হবে বলে মনে করা হচ্ছে।