খবর

কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের বড় ভরসা: কারা জেতাতে পারেন পদক?

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের সাফল্যের ইতিহাস শুরু হয় কিংবদন্তি অ্যাথলিট মিলখা সিংয়ের হাত ধরে।
  • ১৯৫৮ সালে কার্ডিফে ৪৪০ ইয়ার্ড দৌড়ে সোনা জিতে তিনি শুধু ভারতের প্রথম কমনওয়েলথ স্বর্ণপদকই এনে দেননি, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মঞ্চেও দেশের আত্মপ্রকাশকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে…
  • সেই থেকে কমনওয়েলথ গেমস ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের কাছে এশিয়ান গেমস ও অলিম্পিকের আগে নিজেদের সামর্থ্য যাচাইয়ের অন্যতম বড় মঞ্চ হয়ে উঠেছে।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের সাফল্যের ইতিহাস শুরু হয় কিংবদন্তি অ্যাথলিট মিলখা সিংয়ের হাত ধরে। ১৯৫৮ সালে কার্ডিফে ৪৪০ ইয়ার্ড দৌড়ে সোনা জিতে তিনি শুধু ভারতের প্রথম কমনওয়েলথ স্বর্ণপদকই এনে দেননি, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মঞ্চেও দেশের আত্মপ্রকাশকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। সেই থেকে কমনওয়েলথ গেমস ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের কাছে এশিয়ান গেমস ও অলিম্পিকের আগে নিজেদের সামর্থ্য যাচাইয়ের অন্যতম বড় মঞ্চ হয়ে উঠেছে।

এবারও ভারতের আশা একাধিক তারকা ক্রীড়াবিদকে ঘিরে। অ্যাথলেটিক্সে নীরজ চোপড়া না থাকলেও দেশের জ্যাভলিন, লং জাম্প, স্টিপলচেজ এবং দৌড়ের বিভিন্ন বিভাগে একাধিক প্রতিভাবান অ্যাথলিট পদকের দাবিদার। বিশেষ করে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভালো ফল করা অ্যাথলিটদের দিকে নজর থাকবে।

বক্সিং বরাবরই ভারতের শক্তির জায়গা। পুরুষ ও মহিলা—দুই বিভাগেই ভারতীয় বক্সাররা গত কয়েক বছরে বিশ্বস্তরে নিজেদের প্রমাণ করেছেন। তাই এবারও একাধিক পদকের আশা রয়েছে। একইভাবে ভারোত্তোলনেও ভারত ঐতিহ্যগতভাবে শক্তিশালী। অভিজ্ঞ ও তরুণ ভারোত্তোলকদের সমন্বয়ে গড়া দল থেকে সোনা-রুপো-সহ একাধিক পদক আসতে পারে।

শুটিং আবারও ভারতের অন্যতম প্রধান ভরসা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভারতীয় শুটারদের ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করেছে, এই ইভেন্টে দেশ বড় পদকজয়ের ক্ষমতা রাখে। পিস্তল, রাইফেল ও শটগান—সব বিভাগেই ভারতের প্রতিযোগীরা শিরোপার লড়াইয়ে থাকবেন।

কুস্তি, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস ও স্কোয়াশেও ভারতের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। ব্যাডমিন্টনে লক্ষ্য সেন, পি ভি সিন্ধুর মতো তারকারা না থাকলেও নতুন প্রজন্ম নিজেদের প্রমাণের সুযোগ পাবে। টেবিল টেনিস ও স্কোয়াশেও ভারতীয় খেলোয়াড়রা ধারাবাহিকভাবে আন্তর্জাতিক মানের পারফরম্যান্স করে চলেছেন।

অন্যদিকে সাঁতার, সাইক্লিং ও ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের বেশ কিছু ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অত্যন্ত কঠিন। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, কানাডা ও নিউজিল্যান্ডের ক্রীড়াবিদদের আধিপত্যের কারণে সেখানে পদক জেতা ভারতের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

তবু কমনওয়েলথ গেমস বরাবরই ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য আত্মবিশ্বাস অর্জনের মঞ্চ। এখানকার সাফল্য ভবিষ্যতের এশিয়ান গেমস ও অলিম্পিকের প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করে। তাই এবারও ভারতের লক্ষ্য শুধু পদকের সংখ্যা বাড়ানো নয়, নতুন তারকাদের তুলে আনা এবং বিশ্বমঞ্চে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করা।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

নির্ণয় চট্টোপাধ্যায়

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles