Table of Contents
হাইলাইটস
- আইআইটি খড়্গপুরের ৭২তম সমাবর্তনে যোগ দিলেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী।
- রাজ্যের উচ্চশিক্ষার উন্নয়নে আইআইটি খড়্গপুরকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান।
- গবেষণা, উদ্ভাবন এবং শিল্প-শিক্ষার সংযোগ জোরদারে গুরুত্ব।
- শিক্ষার্থীদের সমাজ ও দেশ গঠনে প্রযুক্তি ও জ্ঞান কাজে লাগানোর বার্তা।
পশ্চিমবঙ্গের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে আইআইটি খড়্গপুরকে আরও বড় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানালেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী। আইআইটি খড়্গপুরের ৭২তম সমাবর্তনে তিনি বলেন, শুধু উৎকর্ষের কেন্দ্র হিসেবেই নয়, রাজ্যের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের পথপ্রদর্শক হিসেবেও এগিয়ে আসা উচিত এই প্রতিষ্ঠানটির।
পথপ্রদর্শকের ভূমিকায় আইআইটি
মন্ত্রী বলেন, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় আইআইটি খড়্গপুরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা যদি রাজ্যের অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যায়, তবে গোটা শিক্ষাব্যবস্থার মান আরও উন্নত হবে। পাঠ্যক্রমের আধুনিকীকরণ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, যৌথ গবেষণা এবং শিল্পের সঙ্গে শিক্ষার ঘনিষ্ঠ যোগসূত্র গড়ে তোলার ওপরও তিনি জোর দেন।
শুধু চাকরি নয়, সমাজের দায়ও
সমাবর্তনে ডিগ্রিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি সমাজের সমস্যার সমাধানেও তাঁদের জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তিকে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার আহ্বানও জানান তিনি।
গবেষণা-উদ্ভাবনের বার্তা
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথিরাও বলেন, ভবিষ্যতের অর্থনীতি ও সমাজ গঠনে প্রযুক্তি, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের গুরুত্ব আরও বাড়বে। সেই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে আইআইটি খড়্গপুরের মতো প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমাবর্তনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের দেশ গঠনের দায়িত্বও তুলে ধরা হয়।