হাইলাইটস
- ‘মির্জাপুর’-এ অভিনয় করতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল আলি ফজলকে।
- কেরিয়ারের শুরুতে ঝুঁকি নিতে ভয় পেয়েছিলেন অভিনেতা।
- পরে জানতে পারেন, ‘ফুকরে’-র পরিচালক মৃগদীপ সিং লাম্বাই তাঁর নাম সুপারিশ করেছিলেন।
- এবার জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘মির্জাপুর’-এর গল্প আসছে বড় পর্দায়।
‘মির্জাপুর’-এর গুড্ডু পণ্ডিত চরিত্রে অভিনয় করে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন বলিউড অভিনেতা আলি ফজল। তবে এই চরিত্রেই অভিনয় করতে তাঁকে একসময় নিরুৎসাহিত করেছিলেন ইন্ডাস্ট্রির একাধিক নির্মাতা। কেরিয়ারের শুরুতে অনেকেই তাঁকে সতর্ক করে বলেছিলেন, এমন অন্ধকার, সহিংস এবং ঝুঁকিপূর্ণ গল্পে অভিনয় করলে ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে। সেই পরামর্শে তিনিও কিছুটা দ্বিধায় পড়ে গিয়েছিলেন বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন অভিনেতা।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলি ফজল বলেন, ‘মির্জাপুর’কে এবার বড় পর্দায় নিয়ে আসা হচ্ছে, যা ভারতীয় বিনোদন জগতের জন্য এক নতুন পরীক্ষা। তাঁর কথায়, ‘‘ভারতে এই প্রথম কোনও জনপ্রিয় ধারাবাহিককে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে রূপ দেওয়া হচ্ছে। এটা জাতীয় স্তরের এক বড় পরীক্ষা। গল্প, চরিত্র—সবকিছু নিয়েই আমরা ভীষণ উৎসাহী। দর্শকদের সামনে একে একে প্রচারের সমস্ত উপকরণ তুলে ধরার অপেক্ষায় রয়েছি।’’
আলি আরও জানান, সম্প্রতি তিনি জানতে পেরেছেন, ‘ফুকরে’ ছবির পরিচালক মৃগদীপ সিং লাম্বাই প্রথম তাঁর নাম ‘মির্জাপুর’-এর নির্মাতাদের কাছে প্রস্তাব করেছিলেন। সেই সময় তিনি এখনও বলিউডে নিজের জায়গা পাকা করার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ফলে অনেকেই তাঁকে এই প্রকল্পে যোগ না দেওয়ার পরামর্শ দেন।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ঝুঁকিই তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ‘গুড্ডু পণ্ডিত’ চরিত্রটি শুধু দর্শকদের কাছে বিপুল জনপ্রিয়তাই পায়নি, আলি ফজলকেও ওটিটি জগতের অন্যতম সফল অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। এখন সেই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজির চলচ্চিত্র সংস্করণ ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশাও তুঙ্গে। নির্মাতাদের আশা, ওয়েব সিরিজের সাফল্যের ধারাই এবার বড় পর্দাতেও বজায় থাকবে।