Home খবর ক্লাউড কিচেনের ঠিকানা হতে চলেছে রাজ্য, শীঘ্রই আসছে নতুন নীতি

ক্লাউড কিচেনের ঠিকানা হতে চলেছে রাজ্য, শীঘ্রই আসছে নতুন নীতি

Authored By বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক
34 views 2 minutes read
A+A-
Reset

হাইলাইটস

  • ক্লাউড কিচেন শিল্পের জন্য পৃথক নীতি আনতে চলেছে সরকার।
  • কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও ক্ষুদ্র উদ্যোগকে উৎসাহ দেওয়াই মূল লক্ষ্য।
  • লাইসেন্স, পরিকাঠামো ও খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম সহজ করা হতে পারে।
  • অনলাইন খাদ্য সরবরাহ বাজারের দ্রুত বৃদ্ধিকে কাজে লাগাতে চাইছে প্রশাসন।
  • নতুন নীতিতে বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের বিশেষ সুবিধা মিলতে পারে।

অনলাইন খাবার সরবরাহের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্লাউড কিচেন বা ভার্চুয়াল রান্নাঘর এখন খাদ্য ব্যবসার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার শীঘ্রই একটি পৃথক ক্লাউড কিচেন নীতি ঘোষণা করতে চলেছে। প্রশাসনের লক্ষ্য, সংগঠিত কাঠামোর মধ্যে এই শিল্পকে নিয়ে এসে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশ ঘটানো।

ক্লাউড কিচেন হল এমন এক ধরনের খাদ্য ব্যবসা যেখানে কোনও রেস্তোরাঁর মতো বসে খাওয়ার ব্যবস্থা থাকে না। শুধুমাত্র অনলাইন অর্ডারের ভিত্তিতে খাবার প্রস্তুত করে সরবরাহ করা হয়। গত কয়েক বছরে খাদ্য সরবরাহকারী বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের প্রসারের ফলে এই খাতের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষত শহরাঞ্চলে কম খরচে ব্যবসা শুরু করার সুযোগ থাকায় বহু তরুণ উদ্যোক্তা এই ক্ষেত্রে এগিয়ে এসেছেন।সরকারি সূত্রের মতে, নতুন নীতিতে ক্লাউড কিচেন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করা হতে পারে। বর্তমানে বিভিন্ন দফতরের একাধিক অনুমোদনের প্রয়োজন হওয়ায় অনেক উদ্যোক্তাকে সমস্যার মুখে পড়তে হয়। নতুন ব্যবস্থায় ‘সিঙ্গল উইন্ডো’ পদ্ধতির মাধ্যমে দ্রুত অনুমোদনের ব্যবস্থা করা হতে পারে।খাদ্য নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টিও নীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে। ক্লাউড কিচেনের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। তাই নির্দিষ্ট মানদণ্ড, নিয়মিত পরিদর্শন এবং ডিজিটাল পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হতে পারে।শিল্প মহলের মতে, এই নীতি কার্যকর হলে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। শুধু রাঁধুনি বা রান্নাঘরের কর্মী নয়, সরবরাহ ব্যবস্থা, প্যাকেজিং, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রযুক্তি পরিষেবার ক্ষেত্রেও নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে। নারী স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং ক্ষুদ্র খাদ্য উদ্যোগগুলিও এর ফলে বিশেষভাবে উপকৃত হতে পারে।এছাড়া বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে কর-সুবিধা, ভর্তুকি বা পরিকাঠামোগত সহায়তার মতো প্রণোদনাও বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। শহরের পাশাপাশি জেলা শহর এবং আধা-শহরাঞ্চলেও ক্লাউড কিচেন গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্য পরিষেবা শিল্পের ভবিষ্যৎ অনেকটাই ডিজিটাল নির্ভর। সেই কারণে সময়োপযোগী নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে সরকার যদি এই খাতকে সুশৃঙ্খল ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে পারে, তাহলে ক্লাউড কিচেন শিল্প আগামী কয়েক বছরে অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৃদ্ধির ক্ষেত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে।

Description. online stores, news, magazine or review sites.

Edtior's Picks

Latest Articles