রাজামশাইয়ের সংবাদ চাই, সাংবাদিক নয়

যা জানা জরুরি
- সুমন চট্টোপাধ্যায়: ক্ষমতাবান মানুষের একটি পুরনো শখ, সকালের কাগজ খুলে নিজের সঙ্গে দেখা করা।
- ছবিটি বড় হবে, হাসিটি উজ্জ্বল হবে, শিরোনাম পড়ে মনে হবে পৃথিবী এতকাল তাঁর আগমনের অপেক্ষাতেই আটকে ছিল।
- সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে গোলমাল বাধে যখন ছবির পাশে একটি প্রশ্নও ছাপা হয়।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
সুমন চট্টোপাধ্যায়: ক্ষমতাবান মানুষের একটি পুরনো শখ, সকালের কাগজ খুলে নিজের সঙ্গে দেখা করা। ছবিটি বড় হবে, হাসিটি উজ্জ্বল হবে, শিরোনাম পড়ে মনে হবে পৃথিবী এতকাল তাঁর আগমনের অপেক্ষাতেই আটকে ছিল। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে গোলমাল বাধে যখন ছবির পাশে একটি প্রশ্নও ছাপা হয়। তখনই বোঝা যায়, শাসক আসলে সংবাদপত্রের গ্রাহক হয়েছিলেন না নিজের বন্দনাগীতির। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কাণ্ড দেখে মনে হচ্ছে, হোয়াইট হাউসের প্রযুক্তি একবিংশ শতাব্দীর হলেও সংবাদ সম্পর্কে তার বাসিন্দার প্রত্যাশা অনেকটা রাজদরবারের: ঘোষক থাকবেন, জিজ্ঞাসু লোকের প্রয়োজন নেই।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোর হোয়াইট হাউসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার কথা ঘোষণা করেন। অভিযোগ, তারা মিথ্যা ও নেতিবাচক সংবাদ পরিবেশন করে। পরদিন সাংবাদিকদের প্রবেশপত্র কেড়ে নেওয়া হয়। মানে রাষ্ট্রপতির দফতরে সংবাদসংগ্রহের প্রবেশাধিকার হরণ। কিন্তু তাতেই মূল প্রবৃত্তিটি স্পষ্ট: প্রশ্ন পছন্দ না হলে উত্তর সংশোধনের চেয়ে প্রশ্নকর্তার ঠিকানা বদলে দেওয়া সহজ। দরজা বন্ধ করে দিলে আপাতত ঘরের ভিতরে কোনও অস্বস্তিকর প্রশ্ন শোনা যাবে না।
তারপর ঘটল সেই ব্যাপার, যা কর্তৃত্বপ্রিয় শাসকের হিসাবে সচরাচর থাকে না। সিএনএনকে নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করতে না দেওয়ায় এবিসি, সিবিএস, এনবিসি এবং ফক্স নিউজ-সহ প্রধান সম্প্রচারকেরা রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানগুলির যৌথ চিত্রসংগ্রহ স্থগিত করল। এই ব্যবস্থায় একটি সংস্থা পালা করে ছবি তোলে, অন্যেরা ব্যবহার করে। ট্রাম্পের সমস্ত খবর প্রচার বন্ধ হয়নি, বন্ধ হয়েছিল ওই যৌথ ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানগুলি। তবু তাৎপর্য যথেষ্ট। একজনকে সরিয়ে অন্যজনকে তাঁর চেয়ারে বসানোর পরিচিত খেলায় বাকি খেলোয়াড়েরা সেদিন চেয়ারটি খালিই রাখলেন।
এখানেই ফক্স নিউজের উপস্থিতি বিশেষ উপাদেয়। মতের মিল থাকলেই পেশার দরজার চাবি শাসকের হাতে তুলে দিতে হবে, এমন বাধ্যবাধকতা নেই। প্রতিবেশীর দোকানে তালা পড়লে নিজের বিক্রি বাড়তে পারে। কিন্তু তালার ব্যবসা একবার জমে গেলে নিজের দোকানের ভবিষ্যৎও বিশেষ উজ্জ্বল থাকে না। সংবাদপ্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতা থাকুক খবর পাওয়ায়, পাঠক টানায়, বিশ্লেষণের উৎকর্ষে। সহকর্মীকে রাষ্ট্রীয় অপমানে সরিয়ে দিয়ে পাওয়া আসন কোনও বিশেষ সাংবাদিক কৃতিত্ব নয়। সেটি বড়জোর দারোয়ানের সঙ্গে সুসম্পর্কের পুরস্কার।
এরপর আদালত। ২৪ সেপ্টেম্বর বিচারক টিমোথি কেলি চোদ্দো দিনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দিতে বলেন। তাঁর সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি ছিল যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া, আগে থেকে সুস্পষ্ট নিয়ম, নোটিস এবং বক্তব্য জানানোর সুযোগ ছাড়াই প্রবেশপত্র বাতিল করা হয়েছিল। প্রশাসন জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি তুললেও বিচারক তার সমর্থনে যথেষ্ট তথ্য পাননি। এটি মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি নয়। আপাতত রাষ্ট্রপতির মর্জির সামনে একটি নিয়মের বই রাখা হল। সরকারি দফতরের দরজা ব্যক্তিগত বসার ঘরের দরজার মতো চালানো যায় কি না, বিরোধের কেন্দ্র সেটিই।
রসিকতার আরও একটি স্তর আছে। কেলিকে বিচারক হিসেবে মনোনীত করেছিলেন ট্রাম্পই, ২০১৭ সালে। শাসকের কল্পনায় নিয়োগের সঙ্গে কৃতজ্ঞতার আজীবন চুক্তিও কখনও কখনও জুড়ে যায়। প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে সেই চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর না করলে। নিয়োগকর্তার পরিচয় বিচারকের প্রতিটি সিদ্ধান্তের আগাম উত্তর হয়ে দাঁড়ালে আদালতের এত আয়োজন অনাবশ্যক, একটি অনুগত হিসাবখাতা রাখলেই চলে। আমেরিকার এই পর্বে অন্তত দেখা গেল, নিয়োগের ইতিহাস আর রায়ের যুক্তি একই জিনিস হতে বাধ্য নয়।
তবে বিজয়মিছিল একটু ধীরে। প্রবেশপত্র ফিরে পাওয়ার পরেও নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানে ঢোকা নিয়ে বিরোধ চলেছে, আদালতের ওই নির্দেশ সিএনএনকে যৌথ চিত্রসংগ্রহের দলে ফেরানোর বিষয়টি মেটায়নি। গণতন্ত্রে একটি তালা খোলা মানেই সমস্ত দরজা হাট করে খুলে যাওয়া নয়। ক্ষমতা প্রায়ই মূল ফটকে পরাজিত হয়ে পাশের দরজায় দাঁড়ায়। সেই জন্য স্বাধীনতার খবর ছাপার পরদিনও স্বাধীনতা আছে কি না, সেটি দেখতে হয়। সংবাদসংগ্রহের অধিকার নিয়ে সংবাদসংগ্রহের কাজটিও তাই শেষ হয় না।
শাসক ও সংবাদমাধ্যমের সম্পর্ক নিয়ে সবচেয়ে হাস্যকর ভুলটি হল, তাঁদের সুখী দম্পতির মতো থাকতে হবে। দু’পক্ষের একসঙ্গে ছবি উঠতেই পারে, কিন্তু সংসার পাতার কথা ছিল না। সরকার সিদ্ধান্ত নেবে, সাংবাদিক তার কারণ, খরচ, ফল এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কথা খুঁজবেন। সম্পর্কটি সভ্য হতে পারে, আরামদায়ক হওয়া জরুরি নয়। প্রশ্ন শুনে মন্ত্রীর চায়ের স্বাদ একটু বিস্বাদ হলে গণতন্ত্রের চিকিৎসককে ডাকার দরকার নেই। অনেক সময় সেটিই ব্যবস্থাটির সুস্থ থাকার লক্ষণ।
আবার সংবাদমাধ্যমকে নিষ্পাপ দেবদূত সাজালেও নিবন্ধ লেখা হয়, সত্যের বিশেষ উপকার হয় না। সংবাদপ্রতিষ্ঠানের মালিক আছেন, ব্যবসা আছে, রাজনৈতিক পছন্দ আছে। সাংবাদিক ভুল করেন, কখনও পক্ষপাত দেখান, কখনও চমকের লোভে যাচাইয়ের কাজটি ছোট করেন। ভুল ধরিয়ে দেওয়া, সংশোধন দাবি করা, প্রমাণ হাজির করা, যুক্তি দিয়ে প্রতিবাদ করা, এসব শাসকেরও অধিকার। কিন্তু সমালোচনার বিচারক, অভিযোগকারী এবং শাস্তিদাতা হিসেবে নিজেই বসে পড়লে সমস্যাটি সংবাদশুদ্ধির থাকেনা। তখন শুরু হয় আনুগত্য পরীক্ষার আয়োজন।
দুই পক্ষের শক্তিও সমান নয়। সংবাদপত্রের হাতে শিরোনাম আছে, সরকারের হাতে প্রশাসন। এক পক্ষ রাগ করে সম্পাদকীয় লিখতে পারে, অন্য পক্ষের সিদ্ধান্তে প্রবেশাধিকার, অনুমোদন কিংবা ব্যবসার পরিবেশ বদলে যেতে পারে। অতএব দু’জনেই পরস্পরকে গাল দিয়েছে বলে ঝগড়াটিকে সমান সমান বলা যায় না। পাড়ার আড্ডায় দু’জনের তর্ক আর থানার ঘরে একজনের জিজ্ঞাসাবাদ দেখতে কাছাকাছি লাগলেও আসবাবের অবস্থানেই পার্থক্য বোঝা যায়। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার উপস্থিতি কথোপকথনের চরিত্র বদলে দেয়।
ভারতীয় পাঠক কিংবা দর্শক এই নাটক দেখলে একটি কল্পদৃশ্য এঁকে নিতে পারেন। ধরা যাক, কোনও সরকারের সংবাদসভা থেকে একটি চ্যানেলকে বাদ দেওয়া হল। অন্য চ্যানেলগুলি প্রতিবাদে দাঁড়াবে, না সামনের সারিতে বাড়তি চেয়ার পেয়ে বসে পড়বে? সন্ধ্যার বিতর্কে কি প্রশ্ন উঠবে প্রবেশাধিকার নিয়ে না নিষিদ্ধ সাংবাদিকের দেশপ্রেমের নম্বর কষা হবে? দৃশ্যটি কাল্পনিক, কিন্তু উত্তর দেওয়ার অস্বস্তিটি বাস্তব। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আমাদের আন্তরিকতার পরীক্ষা হয় নিজের পছন্দের কাগজে আঘাত এলে নয়, অপছন্দের কাগজের দরজায় পাহারা বসলে।
অবশ্য চতুর শাসককে সব সময় নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হয় না। সংবাদমাধ্যম যদি সরকারি বিজ্ঞাপন, মালিকের অন্য ব্যবসার অনুমোদন কিংবা বিশেষ সাক্ষাৎকারের আশায় অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তবে একটি ফোনই যথেষ্ট হতে পারে। প্রকাশ্য নির্দেশের বদলে সম্পাদক নিজেই বুঝে নেন কোন প্রশ্নটি আজ না করাই ভালো। এই বন্দোবস্তের সৌন্দর্য হল, কাগজে স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ থাকে; শুধু তার ব্যবহার ক্রমশ কমে। দেওয়ালে নিষেধ লেখা নেই, অথচ সবাই নিচু স্বরে কথা বলছে।
সাংবাদিকের নিজেরও প্রলোভন কম নয় ক্ষমতাবানের ফোন সরাসরি আসে, নাম ধরে ডাকেন, মাঝে মাঝে গোপন খবর দেন। এই নৈকট্য কাজের সম্পদ হতে পারে, আবার বিচারবুদ্ধির বন্ধকও হয়ে উঠতে পারে। একসময় মনে হয়, কঠিন প্রশ্ন করলে সূত্রটি নষ্ট হবে। তারপর প্রশ্ন ছোট হয়, বিশেষণ বড় হয়। পাঠক ভাবেন তিনি রাষ্ট্রের খবর পড়ছেন, বাস্তবে পড়ছেন একজন প্রভাবশালী পরিচিতকে অসন্তুষ্ট না করার পরিশীলিত সাহিত্য। এমন সাহিত্যচর্চার জন্য আলাদা পুরস্কার থাকলে মনোনয়নের অভাব হত না।
আজ শাসকের হাতে নিজের প্রচারের ব্যবস্থাও আছে। সমাজমাধ্যমে তিনি নিজেই ঘোষণা করেন, নিজেই ছবি দেন, নিজের বক্তব্যের নিচে নিজের সমর্থকদের উল্লাস দেখেন। সাংবাদিকের মধ্যস্থতা ছাড়াই মানুষের কাছে পৌঁছনো সম্ভব। কিন্তু সরাসরি পৌঁছনো আর সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া এক নয়। সরকারি ভাষণ জানায় সরকার কী বলতে চায়, সাংবাদিকতা খোঁজে কী বলা হচ্ছে না। মঞ্চের আলো যথেষ্ট উজ্জ্বল হলেও পিছনে কত লোক মজুরি পাননি, সেই প্রশ্নের উত্তর আলো থেকে পাওয়া যায় না।
পাঠকের দায়িত্বটিও এড়ানো চলে না। নিজের দলের অনুকূলে হলে দুর্বল খবরকে সত্য এবং প্রতিকূলে হলে প্রমাণসমেত খবরকেও ষড়যন্ত্র বললে শাসকের কাজ সহজ হয়ে যায়। তখন আর প্রতিটি সম্পাদককে আলাদা করে ভয় দেখাতে হয় না, পাঠকের ক্ষোভই পাহারার কাজ করে। স্বাধীন সংবাদমাধ্যম চাইতে হলে মাঝে মাঝে অপছন্দের সত্য পড়ার মাশুল দিতে হবে। গণতন্ত্র এমন কোনও মিষ্টির দোকান নয় যেখানে নিজের পছন্দের স্বাদ ছাড়া অন্য সব পদ উঠিয়ে দেওয়ার অধিকার ক্রেতার আছে।
আর ভোটে জেতার অর্থও মনে রাখা দরকার। মানুষ কাউকে সরকার চালানোর দায়িত্ব দেয়, সত্যের মালিকানা লিখে দেয় না। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে বাজেট পাশ হতে পারে, বেকারত্বের সংখ্যা বা যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি ইচ্ছেমতো পাল্টানো যায় না। নির্বাচনী জয়কে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর হিসেবে ব্যবহার করলে সংবাদসভায় শুধু ফলাফলের তালিকা ঝুলিয়ে দিলেই হয়। কিন্তু পাঁচ বছর অন্তর ভোট দেওয়া নাগরিকের মাঝের দিনগুলিতেও জানার অধিকার থাকে। সেই দৈনন্দিন হিসাব চাওয়ার কাজটাই সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব।
ট্রাম্পের এই পর্বের শিক্ষাটি তাই শুধু একজন রাষ্ট্রপতির রাগের ইতিহাস নয়। সংবাদমাধ্যম কতটা স্বাধীন থাকবে, তা নির্ভর করে বিচারকের সিদ্ধান্ত, প্রতিযোগীর সংহতি, সম্পাদকের মেরুদণ্ড এবং পাঠকের সহ্যশক্তির উপরেও। শাসক প্রশংসা চাইতেই পারেন; সে চাহিদা পূরণের জন্য তাঁর দল, প্রচারক এবং মুখপাত্র আছেন। সাংবাদিকের কাজটি তাঁদের দিয়ে হয় না বলেই সাংবাদিকের প্রয়োজন। রাজামশাই দরবারে ঢোকার আগে আয়নাটি সরিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু তাতে মুখের দাগ মুছে যায় না; শুধু পরের জনকে বলতে হয়, আজ আপনাকে অসাধারণ দেখাচ্ছে।
সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট
প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।
সুমন চট্টোপাধ্যায়
<p data-path-to-node="3">সুমন চট্টোপাধ্যায় (জন্ম: ২৩ অক্টোবর ১৯৫৭) একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সাংবাদিক, সম্পাদক এবং লেখক, যিনি তাঁর তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ ও অনন্য রচনাশৈলীর জন্য সুপরিচিত। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইতিহাসে স্নাতক সম্পন্ন করে ১৯৮১ সালে <i data-path-to-node="0" data-index-in-node="239">আজকাল</i> পত্রিকায় যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তিনি সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ ২৫ বছর <i data-path-to-node="0" data-index-in-node="337">আনন্দবাজার পত্রিকা</i>-র কার্যকরী সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ভারত ও শ্রীলঙ্কার নির্বাচন, ভূ-রাজনীতি ও সন্ত্রাসবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সাহসিকতার সাথে কভার করার পাশাপাশি স্টার আনন্দ, কলকাতা টিভি ও তারা বাংলার মতো টেলিভিশন মাধ্যমেও যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি নিজস্ব সংবাদপত্র <i data-path-to-node="0" data-index-in-node="664">একদিন</i> চালু করেন এবং ২০১২ সালে 'দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া' গ্রুপের বাংলা দৈনিক <i data-path-to-node="0" data-index-in-node="738">এই সময়</i>-এর প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি তাঁর নিজস্ব ব্লগ 'বাংলাস্ফিয়ার' (Banglasphere)-এ নিয়মিত বস্তুনিষ্ঠ লেখা ও মতামত প্রকাশ করে যাচ্ছেন এবং সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে <i data-path-to-node="0" data-index-in-node="950">মাই ডেট উইথ হিস্ট্রি</i>, <i data-path-to-node="0" data-index-in-node="972">প্রথম নাগরিক</i>, <i data-path-to-node="0" data-index-in-node="986">সেদিনের সপ্তারোহী</i> ও <i data-path-to-node="0" data-index-in-node="1006">গুমঘর গুলজার</i>-এর মতো বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন।</p>
আরও লেখা →সম্পর্কিত প্রতিবেদন
দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে
বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।



