হিমালয় থেকে নেমে এল ধ্বংসের ঢেউ: নেপালের ভোটে কোশী বিপর্যয় কি শুধু ‘প্রাকৃতিক’?

যা জানা জরুরি
- ২৬ আগস্ট সকালে নেপাল–তিব্বত সীমান্তে তখন স্বাভাবিক ব্যস্ততা।
- রাসুওয়াগাধি সীমান্তবন্দরে পণ্যবাহী গাড়ি, কৈলাস–মানস সরোবরের পথে পর্যটক ও তীর্থযাত্রী, নদীর ধারে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মীরা—কেউই বুঝতে পারেননি, উজানে কী ঘটছে।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই ভোটে কোশি (Bhote Koshi) নদী দিয়ে নেমে আসে কাদা, পাথর, বরফ ও জলের বিশাল ঢল।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
২৬ আগস্ট সকালে নেপাল–তিব্বত সীমান্তে তখন স্বাভাবিক ব্যস্ততা। রাসুওয়াগাধি সীমান্তবন্দরে পণ্যবাহী গাড়ি, কৈলাস–মানস সরোবরের পথে পর্যটক ও তীর্থযাত্রী, নদীর ধারে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মীরা—কেউই বুঝতে পারেননি, উজানে কী ঘটছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভোটে কোশি (Bhote Koshi) নদী দিয়ে নেমে আসে কাদা, পাথর, বরফ ও জলের বিশাল ঢল।
প্রবল স্রোতে রাসুওয়ার তিমুরে, স্যাফ্রুবেসি ও সীমান্তবর্তী একাধিক বসতি বিপর্যস্ত হয়। ভেসে যায় সেতু, রাস্তা, বাড়িঘর, বাজার, ব্যাঙ্কের শাখা এবং বিদ্যুৎ পরিকাঠামো। জল ত্রিশূলী নদীতে পৌঁছনোর পরে নুওয়াকোট ও ধাদিংয়েও ক্ষয়ক্ষতি হয়।
২৬ আগস্টের সর্বশেষ সমন্বিত হিসাবে নেপালে অন্তত ১৫৭ জন এবং তিব্বতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নেপালে নিখোঁজ বা যোগাযোগবিচ্ছিন্নের তালিকায় রয়েছেন ৪০৩ জন; তাঁদের মধ্যে ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক। উদ্ধারকাজ চলায় এই হিসাব বদলাতে পারে। একই ব্যক্তির নাম একাধিক তালিকায় থাকা, মোবাইল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং পর্যটকদের অবস্থান যাচাইয়ে দেরির কারণে প্রথম দিকের পরিসংখ্যানেও যথেষ্ট অমিল ছিল। সেই কারণে ‘যোগাযোগবিচ্ছিন্ন’ এবং ‘নিখোঁজ’—দুটি শব্দকে এক অর্থে ব্যবহার করা ঠিক হবে না।

বরফ–পাথরের ধসে নদী অবরুদ্ধ;
প্রাকৃতিক বাঁধ ভাঙতেই নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা
উজানে ঠিক কী ঘটেছিল
এটি সাধারণ বর্ষার বন্যা নয় বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। দুর্ঘটনার আগে সংশ্লিষ্ট এলাকায় এমন বৃষ্টি হয়নি, যা দিয়ে এত বড় জলস্ফীতির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। বরং উপগ্রহচিত্রে সীমান্তের উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে বরফ ও পাথরের একটি বড় ধসের চিহ্ন মিলেছে।
Reuters-এর দেখা উপগ্রহচিত্র অনুযায়ী, প্রায় ৫,২০০ মিটার উচ্চতায় একটি হিমবাহের উল্লেখযোগ্য অংশ ভেঙে ১,২০০ মিটারেরও বেশি নীচের উপত্যকায় আছড়ে পড়ে থাকতে পারে। বরফ, পাথর ও ধ্বংসাবশেষের সেই স্তূপ লহেন্দে নদীর প্রবাহ সাময়িকভাবে আটকে দেয়—এমনটাই এখনকার প্রধান অনুমান।
নদী আটকে গেলে ধ্বংসাবশেষের পিছনে দ্রুত জল জমে একটি অস্থায়ী হ্রদ তৈরি হতে পারে। সেই প্রাকৃতিক বাঁধ জলের চাপ সহ্য করতে না পেরে ভেঙে গেলে আটকে থাকা জল একসঙ্গে নীচে নামে। সঙ্গে নামে বরফের খণ্ড, বড় পাথর, কাদা ও গাছের গুঁড়ি। লহেন্দের সেই ঢল ভোটে কোশিতে মিশে কয়েক মিনিটের মধ্যে নদীকে ধ্বংসের স্রোতে পরিণত করে।
তবে ঘটনাস্থল নেপাল–তিব্বত সীমান্তের দুর্গম উচ্চতায় হওয়ায় ধসটির সুনির্দিষ্ট উৎস এবং ঘটনার ধারাবাহিকতা এখনও চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়নি। নেপাল ও চিনের প্রাথমিক বিবরণেও কিছু পার্থক্য রয়েছে। কাজেই এখনই একে নিশ্চিতভাবে ‘হিমবাহ-হ্রদ ভাঙন’ বা GLOF বলা হচ্ছে না। এটি বরফ–পাথরের ধসে তৈরি অস্থায়ী বাঁধ ভেঙে যাওয়া, সরাসরি হিমবাহ-হ্রদ ফেটে যাওয়া, অথবা দুটির সম্মিলিত ফল—তদন্তে সেটাই স্থির হবে।
ভূমিকম্প কি ধস নামিয়েছিল?
বন্যার কিছুক্ষণ আগে তিব্বতে ৪.৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প রেকর্ড করে US Geological Survey বা USGS। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটের ওই কম্পনের কেন্দ্র ছিল গোসাইকুণ্ডের প্রায় ৪৭ কিলোমিটার উত্তরে। সময় এবং অবস্থানের এই নৈকট্য থেকেই প্রশ্ন উঠেছে—ভূমিকম্পের ধাক্কায় কি পাহাড়ের অস্থিতিশীল বরফ–পাথরের স্তর ভেঙে পড়েছিল?
সম্ভাবনাটি অস্বাভাবিক নয়। উচ্চ হিমালয়ে আগে থেকেই আলগা হয়ে থাকা শিলাস্তর বা হিমবাহের অংশ মাঝারি কম্পনেও ভেঙে পড়তে পারে। কিন্তু একই সময়ে দুটি ঘটনা ঘটেছে বলেই একটি অন্যটির কারণ—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না। ধসের সঠিক সময়, ভূকম্পন-তরঙ্গের প্রকৃতি এবং সংশ্লিষ্ট ঢালের আগের অবস্থা না জেনে ভূমিকম্পকে সরাসরি দায়ী করা হবে অনুমাননির্ভর।

এই অঞ্চলে ভূমিকম্প ও বরফ–ধস নতুন নয়
রাসুওয়া এবং লাগোয়া লাংটাং উপত্যকা ভূমিকম্প, ভূমিধস ও বরফ–ধসের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল। তার সবচেয়ে ভয়াবহ নজির ২০১৫ সালের ২৫ এপ্রিলের ৭.৮ মাত্রার গোরখা ভূমিকম্প। সেই কম্পন ও পরবর্তী আফটারশক নেপাল ও চিনের হিমালয়জুড়ে প্রায় ২৫ হাজার ভূমিধস ঘটিয়েছিল বলে USGS-এর গবেষণায় উঠে এসেছে।
রাসুওয়ার লাংটাংয়ে ভূমিকম্পের ধাক্কায় তুষার, বরফ ও পাথরের বিরাট ধস নেমে গোটা গ্রাম চাপা পড়ে। ICIMOD-এর হিসাবে ওই উপত্যকায় তিনশোর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। USGS-ও লাংটাংয়ের ধসে অন্তত ২০০ জন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল। দুর্গম ভূখণ্ড এবং বহু দেহ উদ্ধার না হওয়ায় চূড়ান্ত সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু একটি বিষয়ে সন্দেহ নেই—ভূমিকম্প কীভাবে বরফ–পাথরের ধসকে মুহূর্তে গণবিপর্যয়ে বদলে দিতে পারে, লাংটাং তার নির্মম উদাহরণ।
বর্তমান বন্যার সঙ্গে ২০১৫-র ঘটনার সরাসরি যোগ নেই। তবে একই জেলায় অতীতের ওই বিপর্যয় ৪.৪ মাত্রার সাম্প্রতিক কম্পনটিকে তদন্তের বাইরে রাখা যাচ্ছে না কেন, তা বুঝতে সাহায্য করে।
ভোটে কোশির পুরনো সতর্কবার্তা
এই নদীতে তিব্বতের দিক থেকে আচমকা জল নেমে আসার ঘটনাও প্রথম নয়। ২০১৬ সালের ৫ জুলাই ভোটে কোশিতে হঠাৎ জল বেড়ে নেপালের সিন্ধুপালচক এলাকায় অন্তত ২৫টি নদীতীরবর্তী বাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে যায়; অরণিকো হাইওয়ে এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথমে ভারী বৃষ্টি বা ভূমিধসের বাঁধ ভাঙাকে কারণ বলে মনে করা হয়েছিল। পরে নেপালের Department of Hydrology and Meteorology উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে জানায়, তিব্বতের প্রায় ৯,০০০ বর্গমিটার আয়তনের একটি হিমবাহ-হ্রদ ভেঙে ওই বন্যা হয়েছিল। আগাম সতর্কবার্তার কারণে সে বার বড় প্রাণহানি এড়ানো গিয়েছিল।
এরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা মাত্র এক বছর আগের। ২০২৫ সালের ৮ জুলাই একই লহেন্দে–ভোটে কোশি ব্যবস্থায় আকস্মিক বন্যায় অন্তত ন’জনের মৃত্যু হয়। নেপালে ১৯ জন এবং তিব্বতে ১১ জনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ভেসে যায় নেপাল–চিন সংযোগকারী ‘ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ’; সীমান্তবাণিজ্য থমকে যায়। ICIMOD-এর উপগ্রহ বিশ্লেষণে পরে দেখা যায়, তিব্বতে লাংটাং হিমালের উত্তরে হিমবাহের উপর তৈরি একটি হ্রদ থেকে হঠাৎ জল বেরিয়ে এসেছিল।
অর্থাৎ, লহেন্দে নদী ১৪ মাসের মধ্যে দু’বার ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা দেখল। ২০১৬ এবং ২০২৫—দু’বারই বিপদের উৎস ছিল সীমান্তের ওপারের হিমবাহ অঞ্চল। ফলে ২০২৬-এর ঘটনাকে নিছক অপ্রত্যাশিত দুর্যোগ বলে সরিয়ে রাখলে আগের সতর্কসংকেতগুলি উপেক্ষা করা হবে।
এত দ্রুত ধ্বংস ছড়াল কেন
হিমালয়ের খাড়া ঢাল এবং সরু উপত্যকায় আটকে থাকা জল হঠাৎ মুক্ত হলে তা অত্যন্ত দ্রুত নীচে নামে। এখানে স্রোতের সঙ্গে শুধু জল ছিল না; ছিল বরফ, পাথর ও বিপুল ধ্বংসাবশেষ। এই ধরনের debris flood সাধারণ বন্যার চেয়ে অনেক বেশি ভারী এবং ধ্বংসাত্মক। নদীর মোড়ে বা সেতুর কাছে বড় পাথর ও গাছ আটকে সাময়িক বাধা তৈরি করতে পারে; পরে সেটি ভাঙলে দ্বিতীয় দফার ঢলও নামতে পারে।
প্রাথমিক জলমাপের তথ্য অনুযায়ী, কোনও কোনও জায়গায় আধ ঘণ্টার মধ্যে নদীর উচ্চতা প্রায় ন’মিটার পর্যন্ত বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে ভাটির জনপদে সতর্কবার্তা পৌঁছতে সামান্য দেরিও প্রাণঘাতী। ২০১৬ সালের বন্যায় সময়মতো সতর্কীকরণ বহু মানুষকে বাঁচিয়েছিল। দশ বছর পরে একই নদীতে বিপর্যয়ের মাত্রা এত বড় হওয়ার পরে প্রশ্ন উঠবেই—এ বার উজানের খবর ভাটিতে পৌঁছল না কেন?
জলবায়ু পরিবর্তন কোথায় দাঁড়িয়ে
সাম্প্রতিক ধসটির সরাসরি কারণ যে জলবায়ু পরিবর্তন, এমন প্রমাণ এখনও নেই। ভূমিকম্প, শিলাস্তরের দুর্বলতা এবং হিমবাহের গঠন—সবই তদন্তের বিষয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণায়ন যে হিমালয়ের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে বিশেষ সংশয় নেই।
বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃত করে Reuters জানিয়েছে, গত তিন দশকে নেপাল তার হিমবাহের বরফের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হারিয়েছে; গত দশকে বরফ গলার হার আগের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেড়েছে। বরফ গলে হিমবাহের উপরে বা প্রান্তে নতুন হ্রদ তৈরি হয়, পুরনো হ্রদ বড় হয় এবং বরফ–পাথরের ঢাল অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। ফলে GLOF, বরফ–ধস এবং ধ্বংসাবশেষে নদী আটকে যাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে।
কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কথা বলে প্রশাসনিক দায় এড়ানো যায় না। হিমবাহ ও সম্ভাব্য ধসপ্রবণ ঢালের নজরদারি, সীমান্তপারের রিয়েল-টাইম তথ্য বিনিময়, নদীতীরের নির্মাণবিধি এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ঝুঁকি মূল্যায়ন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই ঘাটতি থাকলে প্রাকৃতিক বিপদ মানুষের তৈরি বিপর্যয়ে পরিণত হয়।
ভারতের জন্যও সতর্কবার্তা
ভোটে কোশির জল ত্রিশূলীতে মেশে; সেই নদী ব্যবস্থা পরে গণ্ডক হয়ে ভারতের দিকে প্রবাহিত হয়। তাই নেপালের উজানে অস্বাভাবিক জলস্ফীতি বিহারের নদীতীরবর্তী এলাকার জন্যও নজরদারির বিষয়। তবে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো অনুমান নয়, সরকারি জলস্তর পরিমাপ এবং বন্যা সতর্কবার্তাই এ ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য নির্দেশক।
নিখোঁজদের তালিকায় ভারতীয় পর্যটক ও কৈলাস–মানস সরোবরযাত্রীও রয়েছেন। তাঁদের সঠিক সংখ্যা যাচাই এবং উদ্ধারকাজে নেপালকে সহায়তার পাশাপাশি ভারত, নেপাল ও চিনের মধ্যে উজানের নদী ও হিমবাহ-সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত ভাগ করে নেওয়ার ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, এই বিপর্যয় তারও পরীক্ষা। নদী সীমান্ত মানে না; আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থাও কেবল জাতীয় সীমানার মধ্যে আটকে থাকলে চলবে না।
বিপর্যয়ের পরে যে প্রশ্নগুলি রয়ে গেল
বরফ–পাথরের ধসটি কোথায় এবং ঠিক কখন হয়েছিল? ভূমিকম্পের সঙ্গে তার বাস্তব যোগ কতটা? ধ্বংসাবশেষের বাঁধ কতক্ষণ নদী আটকে রেখেছিল? সেই সময়ে ভাটির মানুষকে সতর্ক করার সুযোগ ছিল কি? এবং ২০১৬ ও ২০২৫ সালের বন্যার পরে একই নদীর জন্য কী ধরনের সীমান্তপারি আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল?
উদ্ধার অভিযান শেষ হলে মৃত ও নিখোঁজের একটি স্থির হিসাব পাওয়া যাবে। কিন্তু বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান সেখানে থামলে চলবে না। লাংটাংয়ের ভূমিকম্প-ধস, ২০১৬ ও ২০২৫-এর হিমবাহ-হ্রদের বন্যা এবং এ বারের ধ্বংস—একই অঞ্চলের এই ঘটনাগুলি আলাদা আলাদা সতর্কবার্তা নয়। তারা একসঙ্গে বলছে, উষ্ণ ও অস্থিতিশীল হয়ে ওঠা হিমালয়ে পুরনো ঝুঁকির মানচিত্র দিয়ে আর ভবিষ্যৎ সামলানো যাবে না।
তথ্য-সতর্কতা
এই প্রতিবেদন ২৬ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সম্পাদিত। উদ্ধার অভিযান ও বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান চলায় হতাহত, নিখোঁজ এবং বিপর্যয়ের কারণ-সংক্রান্ত তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে।
সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট
প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।



