খবর

উত্তরপ্রদেশে হলে, বাংলায় কেন নয়?’— নারকেল চাষে জোর দিয়ে রাজ্যজুড়ে বৃক্ষরোপণ অভিযানের সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • হাইলাইটস: রাজ্যব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
  • উত্তরপ্রদেশের উদাহরণ টেনে পশ্চিমবঙ্গে বৃহৎ পরিসরে নারকেল চাষ বাড়ানোর আহ্বান।
  • পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করাই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

হাইলাইটস:

  • রাজ্যব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
  • উত্তরপ্রদেশের উদাহরণ টেনে পশ্চিমবঙ্গে বৃহৎ পরিসরে নারকেল চাষ বাড়ানোর আহ্বান।
  • পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করাই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
  • সরকারি দফতর, পঞ্চায়েত, স্কুল-কলেজ ও সাধারণ মানুষকে বৃক্ষরোপণ অভিযানে অংশ নেওয়ার আহ্বান।
  • ফলদ ও পরিবেশবান্ধব গাছ লাগানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার উপরও জোর।

রাজ্যে সবুজায়ন বাড়াতে এবং পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেই গাছকে বড় করে তোলার দায়িত্বও নিতে হবে। তাঁর কথায়, জলবায়ু পরিবর্তন, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য ব্যাপক সবুজায়নের কোনও বিকল্প নেই।

ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী বিশেষভাবে নারকেল চাষের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে যদি সফলভাবে নারকেল গাছ লাগানো সম্ভব হয়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গে তা আরও বড় পরিসরে করা যাবে। তাঁর মন্তব্য, “ওরা যদি পারে, আমরা কেন পারব না?” এই প্রশ্ন তুলে তিনি কৃষক, পঞ্চায়েত এবং প্রশাসনকে নারকেল চাষ সম্প্রসারণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

মুখ্যমন্ত্রীর মতে, নারকেল শুধু একটি ফল নয়; এটি গ্রামীণ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। নারকেলের জল, শাঁস, তেল, ছোবড়া— প্রতিটি অংশেরই বাজারমূল্য রয়েছে। ফলে কৃষকদের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্ষুদ্র শিল্প ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া ও মাটির গুণাগুণ নারকেল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। উপকূলবর্তী অঞ্চল ছাড়াও রাজ্যের বহু জেলায় পরিকল্পিতভাবে নারকেল গাছ লাগানো গেলে আগামী কয়েক বছরে এর ইতিবাচক অর্থনৈতিক ফল মিলবে।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী সরকারি দফতর, স্কুল-কলেজ, পুরসভা, পঞ্চায়েত, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং সাধারণ মানুষকে বৃক্ষরোপণ অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু সরকারি উদ্যোগে নয়, সামাজিক আন্দোলনের আকারে এই কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরও জানান, বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি গাছের নিয়মিত পরিচর্যা, জল দেওয়া এবং সংরক্ষণের দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ, লাগানো চারার বড় অংশই পরিচর্যার অভাবে নষ্ট হয়ে যায়। সেই প্রবণতা বন্ধ করতে স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের যৌথভাবে দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

রাজ্য সরকারের দাবি, পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতেই এই বৃহৎ বৃক্ষরোপণ অভিযান নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর আশা, মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি রাজ্যজুড়ে এক গণআন্দোলনের রূপ নেবে।

 

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

Diptyajit Roy Chowdhury

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles