Home খবরবালাই ষাট নতুন ভূমিকায় মিসেস ট্রাম্প

নতুন ভূমিকায় মিসেস ট্রাম্প

Authored By পার্বণ
110 views 2 minutes read
A+A-
Reset

বাংলাস্ফিয়ার: সোমবার এমন এক ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন মেলানিয়া ট্রাম্প, যা আগে কোনও দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রনেতার জীবনসঙ্গী গ্রহণ করেননি। তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করলেন ঠিক এমন এক সময়ে যখন আমেরিকা-নেতৃত্বাধীন ইরান যুদ্ধের ছায়া পুরো কক্ষজুড়ে স্পষ্ট। “সংঘাতে শিশু, প্রযুক্তি ও শিক্ষা” শিরোনামের ওই বৈঠকে ফার্স্ট লেডি সদস্য রাষ্ট্রগুলির প্রতিনিধিদের উদ্দেশে জোরালো আহ্বান জানান, যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘাতের অভিঘাত থেকে বিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও শিক্ষাব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখতে। তিনি বলেন, শিক্ষাকে কেবল সামাজিক উন্নয়নের উপাদান হিসেবে নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার মূলভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা জরুরি।

তিনি বলেন, “আমেরিকা বিশ্বের সমস্ত শিশুর পাশে রয়েছে।” শিক্ষাকে তিনি “পবিত্র” আখ্যা দিয়ে যুক্তি দেন, যে দেশ বই ও বিজ্ঞানকে সুরক্ষা দেয়, সেই দেশই নিজের ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করে। একই সঙ্গে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সম্ভাব্য “মহা সমতাসাধক” হিসেবে তুলে ধরে সরকারগুলিকে জ্ঞানপ্রাপ্তির সুযোগ বিস্তৃত করার আহ্বান জানান।

তবে এই আহ্বানের সময়কাল নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান উল্লেখ করেছে, দক্ষিণ ইরানের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বিমান হামলায় অন্তত ১৬৫ জন নিহত হওয়ার মাত্র দু’দিন পরেই তিনি শিশুদের শিক্ষার সুরক্ষার কথা বলেন। সোমবার নিরাপত্তা পরিষদের অধিকাংশ দেশই সরাসরি যুদ্ধ প্রসঙ্গ উত্থাপন করেনি। ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত তাঁকে এলিনর রুজভেল্টের সঙ্গে তুলনা করেন, আর রাশিয়ার প্রতিনিধিও কেবল সৌজন্যমূলক প্রশংসাতেই সীমাবদ্ধ থাকেন বলে এএফপি জানিয়েছে। বৈঠকের আগে তিনি ১৫টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি আনুষ্ঠানিক আলোকচিত্রেও অংশ নেন।

অবশ্য বৈঠকের আগে জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্বের প্রথম দিনেই শিশুদের সুরক্ষা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা—এটি গভীরভাবে লজ্জাজনক ও ভণ্ডামিপূর্ণ।” উল্লেখ্য, নিরাপত্তা পরিষদের ঘূর্ণায়মান সভাপতিত্ব গত মাসে আমেরিকার হাতে আসে এবং ফার্স্ট লেডির এই বৈঠকটি যুদ্ধ শুরুর আগেই নির্ধারিত ছিল।

নিজের ভাষণে মেলানিয়া ট্রাম্প জ্ঞান ও শান্তির মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক টেনে বলেন, “স্থায়ী শান্তি তখনই অর্জিত হবে, যখন আমাদের সমাজে জ্ঞান ও বোঝাপড়াকে পূর্ণ মূল্য দেওয়া হবে।” তাঁর এই বক্তব্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত বিশ্বে শিক্ষা ও প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক ও আলোচনার অবকাশ তৈরি হয়েছে।

কাজিনফর্ম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কাউন্সিলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো, একজন মার্কিন ফার্স্ট লেডি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন।

Description. online stores, news, magazine or review sites.

Edtior's Picks

Latest Articles