হাইলাইটস

  • পাটনার একটি আদালত জনপ্রিয় শিক্ষাবিদ খান স্যার (ফয়সল খান)-কে অন্তর্বর্তী স্বস্তি দিয়েছে।
  • কোচিং সেন্টারে গুলিচালনা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আপাতত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ‘কঠোর পদক্ষেপ’ না নেওয়ার নির্দেশ বহাল রাখা হয়েছে।
  • আদালত পুলিশের কাছে জমা পড়া কেস ডায়েরি পর্যালোচনা করে আগের ‘নো কোয়ার্সিভ অ্যাকশন’ নির্দেশই বজায় রেখেছে।
  • তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে খান স্যারকে।
  • আগামী ২৫ জুন মামলার পরবর্তী ও চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।

বিহারের জনপ্রিয় শিক্ষক ও ইউটিউব ব্যক্তিত্ব খান স্যার, যার প্রকৃত নাম ফয়সল খান, আপাতত আইনি স্বস্তি পেলেন। পাটনার একটি আদালত শনিবার তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিতে অন্তর্বর্তী রেহাই দিয়ে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে যে পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও জবরদস্তিমূলক বা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।

ঘটনার সূত্রপাত পাটনায় অবস্থিত খান স্যারের কোচিং প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে। সম্প্রতি সেখানে গুলিচালনা, ভাঙচুর এবং উত্তেজনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি এফআইআর দায়ের হয়। তদন্তে উঠে আসা ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে দুই নিরাপত্তারক্ষীকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। সেই মামলাতেই খান স্যার এবং আরও কয়েকজনের নাম জড়িয়ে পড়ে।

এর আগে ৯ জুন আদালত তাঁকে প্রাথমিক সুরক্ষা দিয়েছিল। শনিবারের শুনানিতে পুলিশ কেস ডায়েরি আদালতে পেশ করে। বিচারক নথিপত্র খতিয়ে দেখে আগের নির্দেশ বহাল রাখেন। ফলে আপাতত গ্রেপ্তারের আশঙ্কা থেকে মুক্ত থাকলেও তদন্তে সহযোগিতা করা এবং প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদে হাজির হওয়া খান স্যারের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এই মামলাকে ঘিরে বিহারের কোচিং শিল্পে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, রাজনৈতিক মন্তব্য এবং নানা বিতর্কও সামনে এসেছে। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন প্রতিদ্বন্দ্বী কোচিং উদ্যোক্তার নামও আলোচনায় উঠে এসেছে। তবে আদালতের বর্তমান নির্দেশ শুধুমাত্র খান স্যারের আগাম জামিন সংক্রান্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই জারি হয়েছে।

খান স্যারের আইনজীবী জানিয়েছেন, আগামী ২৫ জুন মামলার চূড়ান্ত শুনানি হবে। সেই দিন আদালত কেস ডায়েরি ও তদন্তের অগ্রগতি বিবেচনা করে আগাম জামিনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ততদিন পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পুলিশি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না বলে আদালতের নির্দেশ কার্যকর থাকবে।