বাংলাস্ফিয়ার: শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে দেশ-বিদেশের একাধিক বিশিষ্ট অভিনেতা-অভিনেত্রী ও জনবুদ্ধিজীবী সরব হয়েছেন। তাঁদের বক্তব্যে উঠে এসেছে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ, গণতান্ত্রিক অধিকারের গুরুত্ব এবং আন্দোলনকারীদের প্রতি সহমর্মিতার বার্তা।
করিনা কপূর লিখেছেন,
“যখন একটি সম্পূর্ণ প্রজন্ম নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে একসঙ্গে একই কণ্ঠে কথা বলে, তখন তাদের কথা শোনা আমাদের সৌজন্য নয়, তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব।”
আলিয়া ভাট বলেছেন,
“ওদের সাহস আমাকে বিনম্র করে। ওদের দৃঢ়তা আমাদের সামনে একটি আয়না তুলে ধরে, যা প্রশ্ন করে—যারা আগামী দিনের ভারত গড়বে, আমরা কি সত্যিই তাদের কথা শুনছি?”
কমল হাসান লিখেছেন,
“একটি শিশুর কান্না শোনার সময়ই আমাদের শোনা উচিত ছিল। কিন্তু আমরা অপেক্ষা করেছি, যতক্ষণ না আমাদের অনেক সন্তান প্রাণ হারিয়েছে। যে দেশে সন্তানদের প্রশ্নের জবাবের বদলে ব্যারিকেড ও লাঠির মুখোমুখি হতে হয়, সেই দেশ তার দায়িত্বে ব্যর্থ হয়েছে।”
এদিকে, আন্দোলনের সমর্থনে সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন আইনজীবী সংবিধানের প্রস্তাবনা পাঠ করেন।
অভিনেত্রী হুমা কুরেশি বৃহস্পতিবার ভোরে যন্তর-মন্তরে আন্দোলনস্থলে উপস্থিত হয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন।
হলিউড অভিনেতা জন কুসাক লেখিকা অরুন্ধতী রায়ের একটি নিবন্ধ শেয়ার করে, যেখানে ‘সংসদ চলো’ মিছিলে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের সমালোচনা করা হয়েছে। সেই পোস্টে কুসাক লিখেছেন,
“আমার সহযোদ্ধা ‘ককরোচ’দের কাছ থেকে দারুণ খবর।”