খবর

বেসরকারি শিক্ষার বিরোধী নই, তবে শিক্ষাকে পণ্য হতে দেব না: জগন্নাথ

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • বাংলাস্ফিয়ার: পশ্চিমবঙ্গ সরকার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকার বিরোধী নয়, তবে শিক্ষা যাতে বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি চালানো হবে বলে…
  • একই সঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষার গুণমান, স্বচ্ছতা এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
  • মন্ত্রী জানান, রাজ্যে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন রয়েছে এবং তারা উচ্চশিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

বাংলাস্ফিয়ার: পশ্চিমবঙ্গ সরকার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকার বিরোধী নয়, তবে শিক্ষা যাতে বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি চালানো হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষার গুণমান, স্বচ্ছতা এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।

মন্ত্রী জানান, রাজ্যে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন রয়েছে এবং তারা উচ্চশিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে অতিরিক্ত ফি, অনিয়ম বা শিক্ষাকে মুনাফাকেন্দ্রিক ব্যবসায় পরিণত করার কোনও প্রবণতা বরদাস্ত করা হবে না। সেই কারণে ইতিমধ্যেই অনুমোদনপ্রাপ্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিতেও পর্যায়ক্রমে পরিদর্শন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পরিদর্শনে যদি দেখা যায় যে কোনও প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলছে, ফি কাঠামো যুক্তিসঙ্গত এবং শিক্ষার মান বজায় রাখছে, তাহলে তাদের অনুমোদন অব্যাহত থাকবে। কিন্তু অনিয়ম ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, সরকারের লক্ষ্য সরকারি ও বেসরকারি—দুই ক্ষেত্রেই মানসম্মত উচ্চশিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলা। অতীতে পরিকল্পনাহীনভাবে বহু কলেজে আসন বৃদ্ধি করা হলেও বাস্তবে সেই আসন পূরণ হয়নি। এখন বাস্তব চাহিদা বিবেচনা করে শিক্ষাব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নতুন শিক্ষানীতির বিভিন্ন ইতিবাচক দিক রাজ্যে কার্যকর করার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং মেধাভিত্তিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার মান উন্নয়নই সরকারের মূল লক্ষ্য।

রাজ্য সরকারের বক্তব্য, শিক্ষা কোনও সাধারণ বাজারজাত পণ্য নয়; এটি সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্র। তাই বেসরকারি বিনিয়োগকে স্বাগত জানানো হলেও ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হবে।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles