হাইলাইটস:
- ইংল্যান্ডের সমতা ফেরানো গোলে গ্যালারি ফেটে পড়লেও নির্বিকার ছিলেন ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম।
- ডেভিড বেকহ্যাম ও সন্তানদের উচ্ছ্বাসের পাশেই তাঁর অভিব্যক্তিহীন মুখ ভাইরাল।
- মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে স্ক্রিনশট, তৈরি হয় অসংখ্য মিম।
- ডেভিডের রসিকতা, “ও ভেতরে ভেতরে উদ্যাপন করছিল!”
নিজস্ব প্রতিবেদন: ইংল্যান্ড গোল করল। গ্যালারি লাফিয়ে উঠল। ডেভিড বেকহ্যাম উল্লাসে ফেটে পড়লেন। তাঁদের সন্তানরাও আনন্দে মেতে উঠল।
শুধু একজনের মুখে কোনও পরিবর্তন নেই—ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম।
আর সেই এক মুহূর্তই তাঁকে রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন ‘মিম কুইন’ বানিয়ে দিল।
মিয়ামিতে ইংল্যান্ড-নরওয়ে বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে জুড বেলিংহ্যামের দুর্দান্ত গোলে সমতা ফেরায় ইংল্যান্ড। গ্যালারিজুড়ে তখন উৎসবের আবহ। কিন্তু ক্যামেরা যখন বেকহ্যাম পরিবারের দিকে ঘোরে, দেখা যায় সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি।
ডেভিড বেকহ্যাম দাঁড়িয়ে হাততালি দিচ্ছেন, উচ্ছ্বাসে ভাসছেন। পাশে রোমিও, ক্রুজ ও হার্পারও একই আবেগে শামিল। আর তাঁদের মাঝখানে বসে থাকা ভিক্টোরিয়া—একেবারে নির্বিকার। না কোনও হাসি, না হাততালি, না বিস্ময়—মনে হচ্ছিল যেন মাঠে বিশেষ কিছুই ঘটেনি।
মুহূর্তের মধ্যেই সেই দৃশ্যের স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ে এক্স (সাবেক টুইটার) এবং অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে। শুরু হয় মিমের বন্যা।
একজন ব্যবহারকারী ব্যঙ্গ করে লেখেন, “ইংল্যান্ড গোল করার পর ভিক্টোরিয়া বেকহ্যামের আবেগের বিস্ফোরণ সত্যিই চোখে পড়ার মতো!”
আরেকজনের মন্তব্য, “ভিক্টোরিয়া বেকহ্যামই সম্ভবত ইতিহাসের সবচেয়ে ‘কুল’ ইংরেজ সমর্থক।”
অনেকে অবশ্য মনে করিয়ে দিয়েছেন, ভিক্টোরিয়া কখনওই ফুটবলের আবেগপ্রবণ সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন না। ১৯৯৭ সালে ডেভিড বেকহ্যামের সঙ্গে সম্পর্ক শুরু হওয়ার পর থেকে অসংখ্য ম্যাচে উপস্থিত থাকলেও তাঁকে খুব কমই প্রকাশ্যে উচ্ছ্বাস দেখাতে দেখা গেছে।
তবে এবার সেই স্বভাবই যেন ইন্টারনেটের নতুন রসিকতার বিষয় হয়ে উঠেছে।
মজার বিষয়, ভিক্টোরিয়া এ নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি। তবে ডেভিড বেকহ্যাম অবশ্য সুযোগ হাতছাড়া করেননি। সামাজিক মাধ্যমে স্ত্রীকে খোঁচা দিয়ে তিনি লিখেছেন, “ও ভেতরে ভেতরে উদ্যাপন করছিল,” সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন হাসতে হাসতে চোখে জল আসা একটি ইমোজি।
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ অভিযান যতটা না আলোচনায়, তার চেয়েও বেশি আলোচনায় এখন ভিক্টোরিয়ার সেই একঝলক অভিব্যক্তিহীন মুখ। কখনও কখনও কিছু না করেও যে ইন্টারনেট জয় করা যায়, সেটাই যেন আবার প্রমাণ করলেন তিনি।