সংস্কৃতি ও বিনোদন

জাতীয় পুরস্কার না পাওয়ায় তাবুকে ঈর্ষা করতেন সোনালি কুলকার্নি, পরে ‘মাচিস’ দেখে বদলে যায় দৃষ্টিভঙ্গি

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • হাইলাইটস: ১৯৯৭ সালে জাতীয় পুরস্কারে তাবুর কাছে হেরে ক্ষোভ ও ঈর্ষায় ভুগেছিলেন সোনালি কুলকার্নি।
  • তাঁর ধারণা ছিল, তাবু ‘ইন্ডাস্ট্রির মানুষ’ হওয়ায় বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন।
  • পরে মাচিস দেখে তাবুর অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে নিজের নিরাপত্তাহীনতা কাটিয়ে ওঠেন সোনালি।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

হাইলাইটস:

  • ১৯৯৭ সালে জাতীয় পুরস্কারে তাবুর কাছে হেরে ক্ষোভ ও ঈর্ষায় ভুগেছিলেন সোনালি কুলকার্নি।
  • তাঁর ধারণা ছিল, তাবু ‘ইন্ডাস্ট্রির মানুষ’ হওয়ায় বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন।
  • পরে মাচিস দেখে তাবুর অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে নিজের নিরাপত্তাহীনতা কাটিয়ে ওঠেন সোনালি।
  • এখন জাতীয় পুরস্কারের চেয়ে তাবুর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করাকেই বড় স্বপ্ন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

১৯৯৬ সালের Maachis ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য ১৯৯৭ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেত্রীর সম্মান পান Tabu। সেই বছরই Sonali Kulkarniও Daayraa ছবির জন্য একই সম্মানের অন্যতম দাবিদার ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরস্কার হাতছাড়া হওয়ায় তিনি গভীর হতাশা, ক্ষোভ এবং ঈর্ষায় ভুগেছিলেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সোনালি স্বীকার করেছেন, তখন তিনি প্রায় প্রতি বছরই জাতীয় পুরস্কারের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেও খালি হাতে ফিরতেন। অন্য পুরস্কার পেলেও জাতীয় পুরস্কার না পাওয়ার আক্ষেপই তাঁকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিত।

সোনালি বলেন, তাবুর পুরস্কার জয়ের পর তাঁর মনে হয়েছিল, “উনি তো ইন্ডাস্ট্রির মানুষ”— এমন ধারণাই তখন তাঁকে আরও ক্ষুব্ধ করেছিল। উল্লেখ্য, তাবু প্রবীণ অভিনেত্রী Shabana Azmiর ভাইঝি। তবে সেই ক্ষোভই তাঁকে মাচিস দেখতে প্ররোচিত করে। ছবিটি দেখার পর তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ বদলে যায়। সোনালির কথায়, তাবুর অভিনয় এতটাই সংযত, নিখুঁত ও পরিণত ছিল যে তা তাঁর নিজের নিরাপত্তাহীনতা ও হতাশা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। পরে Astitva এবং Chandni Bar-এ তাবুর অভিনয়ও তাঁকে গভীরভাবে মুগ্ধ করে।

সোনালি আরও জানান, কেরিয়ারের শুরুর দিকে তিনি আবেগপ্রকাশকেই অভিনয়ের মূল শক্তি বলে মনে করতেন। পরে তিনি উপলব্ধি করেন, চলচ্চিত্রে সংযম ও সূক্ষ্ম অভিনয়ের গুরুত্ব অনেক বেশি। সেই উপলব্ধির পর জাতীয় পুরস্কার না পাওয়ার আক্ষেপও ধীরে ধীরে মুছে যায়। তিনি আরও স্বীকার করেন, একসময় Nandita Das-এর প্রতিও তাঁর ঈর্ষা ছিল, কারণ Mani Ratnam তাঁকে Kannathil Muthamittal-এ অভিনয়ের সুযোগ দিয়েছিলেন। অথচ একই পরিচালক একসময় সোনালিকে May Madham-এর জন্য সুপারিশ করলেও পরে নিজের কোনও ছবিতে তাঁকে নেননি। অন্যদিকে তাবু অভিনয় করেছিলেন মণিরত্নমের Iruvar-এ।

পরবর্তীতে ২০০২ সালে Chaitra ছবির জন্য বিশেষ জুরি বিভাগে জাতীয় পুরস্কার পান সোনালি। তবে এখন তাঁর সবচেয়ে বড় ইচ্ছা, কোনও একদিন তাবুর সঙ্গে একই ছবিতে অভিনয় করা। তাঁর কথায়, “তাবু ও Aishwarya Rai Bachchan যেমন Kandukondain Kandukondain-এ একসঙ্গে দুর্দান্ত কাজ করেছিলেন, আমিও তেমন একদিন তাবুর সঙ্গে কাজ করতে চাই।”

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

বিষয়:
লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles