কিয়েভে শীত, তবু বসন্ত

যা জানা জরুরি
- প্রতিবেদন মনে হচ্ছিল, গ্রীষ্মের বুঝি শেষ দিন।
- মরশুমের শেষ বেলায় ফোটা ডালিয়া দেখতে এসেছেন তাঁরা।
- একটু পরে পোদিল এলাকার পানশালা-রেস্তরাঁগুলির খোলা চত্বরেও জমল আড্ডা।
বিস্তারিত প্রতিবেদন
প্রতিবেদন
মনে হচ্ছিল, গ্রীষ্মের বুঝি শেষ দিন। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকের এক রবিবার বিকেল। কিয়েভের উদ্ভিদ উদ্যানে তখনও মানুষজনের ভিড়। মরশুমের শেষ বেলায় ফোটা ডালিয়া দেখতে এসেছেন তাঁরা। একটু পরে পোদিল এলাকার পানশালা-রেস্তরাঁগুলির খোলা চত্বরেও জমল আড্ডা। পানশালা, কেক-পেস্ট্রির দোকান আর বইয়ের দোকানে ভরা এই পাড়ায় কেউ এসেছেন মিশ্র পানীয় খেতে, কেউ নিছক একটু স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে।
কিন্তু শান্ত ছবিটা ছিল ক্ষণিকের। আলো যত ফিকে হল, ততই গর্জে উঠল আকাশ প্রতিরক্ষার অস্ত্র। আচমকাই একটি টেবিলের উপর সশব্দে কিছু একটা পড়তেই চমকে উঠলেন সবাই। পরক্ষণেই হাসি। মাথার উপর থাকা চেস্টনাট গাছ থেকে পড়েছে ফল, আর কিছু নয়।
গোলাপি আঙুরমদে ধীরে ধীরে চুমুক দিতে দিতে লেখক মিরোস্লাভ লাইউক বলছিলেন আগের সন্ধ্যার কথা। স্ত্রীকে নিয়ে ওবোলোন এলাকার একটি উদ্যানে গিয়েছিলেন। সঙ্গে প্রসেকো, কাচের গেলাস, পনির আর নানা রকম সংরক্ষিত মাংস। হঠাৎ তাঁদের মাথার উপর একটি চালকহীন বিমান গুলি করে নামানো হয়।
লাইউক মুচকি হেসে বললেন, দেখতে ভারী সুন্দর লাগছিল। “যেন খসে পড়া তারা”—মনে মনে কোনও ইচ্ছেপূরণের প্রার্থনা করার সময়।
কিয়েভের গ্রীষ্ম এখন অতীত। অগস্টের শেষ থেকে রুশ বাহিনীর হামলা শুধু রাতের অন্ধকারে সীমাবদ্ধ নেই, দিনের আলোতেও বারবার আঘাত হানছে। আকাশ প্রতিরক্ষার গোলার চাপা বিস্ফোরণ, চালকহীন বিমানের তীক্ষ্ণ গুঞ্জন আর বোমার গর্জন এখন শহরের নিত্যদিনের শব্দ। পড়াশোনা, কাজকর্ম, ঘুম—সব কিছুর উপর তার ছায়া।
গুদাম ও পেট্রল পাম্পে হামলা হয়েছে। কখনও শরতের পরিষ্কার সকাল ঢেকে যাচ্ছে ঝাঁজালো ধোঁয়ায়। কিয়েভ এখন যুদ্ধের সামনের সারির শহর। আর সামনে শীত।
তিন ডিগ্রির ঘর
কিয়েভে শীত মানেই আতঙ্ক। গত শীতেই তাপমাত্রা নেমেছিল হিমাঙ্কের ২০ ডিগ্রিরও বেশি নীচে। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টেনেছিল সেই হাড়কাঁপানো ঠান্ডা। বিদ্যুৎ পরিকাঠামোয় রুশ হামলার পরে বহু বাড়িতে তাপের ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অলংকরণশিল্পী সের্গি মাইদুকভ তাঁদেরই একজন।
তাঁর ঘরের তাপমাত্রা একসময় নেমেছিল মাত্র তিন ডিগ্রি সেলসিয়াসে। একের পর এক পোশাক চাপিয়ে গরম থাকার চেষ্টা করতেন। দৌড়তে বেরোতেন।
“দৌড়ে ফেরার পরে অন্তত দশ মিনিট নিজেকে স্বাভাবিক মানুষ বলে মনে হত,” বলেছিলেন তিনি। “তখন শুধু একটা টি-শার্ট পরেই থাকা যেত।”
গ্যাসের সরবরাহ অবশ্য চলত। তাই দৌড়ে ফিরে সসপ্যানে জল গরম করে কোনও রকমে স্নান করতেন। কাজের ফাঁকে উঠে নাচতেন, বুকডন দিতেন—শরীর গরম রাখার জন্য।
কিন্তু সবাই তো তরুণ, সুস্থ ও শক্তসমর্থ নন।
চলচ্চিত্রনির্মাতা ইরিনা সিলিকের প্রশ্ন, “যাঁরা তরুণ আর শক্তসমর্থ, তাঁরা প্রতিবারই বেঁচে যাবেন। কিন্তু যে অদৃশ্য মানুষগুলোর সঙ্গে সচরাচর আমাদের দেখাই হয় না, তাঁদের কী হবে?”
সিলিকের সবচেয়ে বড় ভয় ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া। জল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াও দুঃস্বপ্ন।
শিক্ষা ও গবেষণামূলক প্রকাশনার সম্পাদক মারিয়া শুভালোভা দু’বছর আগের এক শীতের কথা মনে করলেন। কয়েক দিন ধরে তাঁর বাড়ি এবং কাজের জায়গা—দু’জায়গাতেই জল ছিল না। কাজের সময় শরীর গরম রাখতে চা খেতেন। তারপর শৌচাগারে যাওয়ার প্রয়োজন হলে ২০ মিনিট হেঁটে বাড়ি ফিরতেন, বোতলে প্রস্রাব করতেন, আবার কাজে যেতেন।
চা খাওয়া, আবার সেই একই পথ।
মলত্যাগের জন্য ছিল প্লাস্টিকের থলি। ব্যবহার করে মুখ বেঁধে আবর্জনায় ফেলে দিতেন।
জীবনের এই অস্বস্তিকর বাস্তবতাকেও রসিকতায় উড়িয়ে দিয়ে শুভালোভা বলেছিলেন, “এমন সব পায়খানার কিস্সা, যা আপনি নিশ্চিতভাবেই শুনতে চান না।”
শহর ছাড়ার প্রস্তুতি
উদ্ভিদ উদ্যানে হাঁটতে হাঁটতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা-বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ইরিনা গোরলাচকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আসন্ন শীতের জন্য কী প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
হেসে ফোন বার করে কিয়েভের একটি জনপ্রিয় ইনস্টাগ্রাম পাতার পোস্ট দেখালেন তিনি।
“এ বারের শীত ভীষণ কঠিন হবে। ভাল করে প্রস্তুতি নিতে হবে।”
তার নীচে তিনটি পরামর্শ—গ্রামে একটি বাড়ি কিনুন, বিদেশে চলে যান, শস্যদানা ও খাদ্যশস্য মজুত করুন।
তারও নীচে লেখা, “আমি যে ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি।” সঙ্গে ভয়ে দিশাহারা একটি কুকুরের ব্যঙ্গচিত্র—হাতে ক্রুশ, পাশে বাইবেল।
রসিকতার আড়ালে অবশ্য উদ্বেগটা বাস্তব। পরিস্থিতি খারাপ হলে কয়েক সপ্তাহের জন্য শহর ছাড়ার কথা ভাবছেন অনেকেই।
ইন্টারনেট নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রধান নাস্তিয়া দিয়াকোভা ইউক্রেনের পশ্চিমে কার্পেথিয়ান পর্বতমালায় সাতটি শোবার ঘর-সহ একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন। কিয়েভে পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে উঠলে সংস্থার কর্মী ও তাঁদের পরিবার সেখানে বিনা ভাড়ায় থাকতে পারবেন।
দিয়াকোভার কাছে ভয়টা শুধু ঠান্ডার নয়। অগস্ট থেকে কিয়েভে হামলা চালানো নতুন ধরনের চালকহীন বিমানও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এগুলি আরও দ্রুতগামী, জেট ইঞ্জিনে চলে এবং মাঝপথে আটকানো কঠিন।
“কিয়েভে থাকা এখন মানসিক ভাবে সত্যিই কঠিন হয়ে উঠেছে,” বললেন তিনি। “আমরা বুঝেছি, সহকর্মীদের কাজ করতে বা কাজে মন দিতে অসুবিধা হচ্ছে। নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে তাঁরা খুবই উদ্বিগ্ন।”
তাই শীত শেষ হওয়া পর্যন্ত কার্পেথিয়ানের বাড়িটিই তাঁদের বিকল্প ঠিকানা।
বোমার পাশে বাজার
মধ্য কিয়েভের লুকিয়ানিভকা এ বছর বিশেষ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। গ্রীষ্মের গোড়াতেই বিশাল বিপণিবিতান ও বাজার বোমায় বিধ্বস্ত হয়ে পুড়ে যায়।
তবু ধ্বংসস্তূপের পাশেই আবার বসেছে বাজার।
এক মহিলা সামনে সাজিয়ে রেখেছেন শুয়োরের চর্বির পুরু টুকরো—‘সালো’। যুদ্ধ সামলানোর তাঁর নিজস্ব পরিকল্পনাও তৈরি। বাড়িতে প্রচুর চোলাই মদ, ‘হোরিলকা’, মজুত থাকবে।
আর এক বিক্রেতা হালিনা হাসিমুখে বিক্রি করছেন ল্যাভেন্ডার, ডালিয়া ও চন্দ্রমল্লিকার তোড়া।
“ঈশ্বর যা দেবেন, তা-ই হবে।”
কাজে যাওয়ার পথে বাজারের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন হিসাবরক্ষক ভিক্টোরিয়া রিয়াবচেঙ্কো। বললেন, এ বছর শহরের বাইরের বাড়ির বাগানে ফলন ভাল হয়েছে। তাই আলুবোখরা, টক চেরি, রাস্পবেরি, টম্যাটো, শসা আর মিষ্টি লঙ্কা গাঁজিয়ে সংরক্ষণ করে রেখেছেন।
গুদামে বোমা পড়তে থাকলে খাদ্যাভাব দেখা দিতে পারে—এ নিয়ে অবশ্য তিনি খুব একটা চিন্তিত নন। তাঁর মতে, রুশ প্রচারে এই সম্ভাবনাকে অনেক সময় বাড়িয়ে দেখানো হয়। কোনও পণ্যের সাময়িক ঘাটতি দেখা দিলেও সাধারণত দ্রুতই সরবরাহ ফিরে আসে।
ব্যাটারি, জল আর চোদ্দো তলা
শীতের ভয় সবার কাছে এক নয়। পণ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেন ভিক্টর। লুকিয়ানিভকার ম্যাকডোনাল্ডসের বাইরে বিরতি নিচ্ছিলেন তিনি। দোনেৎস্ক অঞ্চলের ক্রামাতোরস্ক থেকে এসেছেন। গোলাগুলি ও বিস্ফোরণ তাঁর কাছে নতুন নয়। সারাদিন ছোট মোটরবাইকে বাইরে ঘোরেন বলে ঠান্ডার সঙ্গেও তাঁর পরিচয় পুরনো।
কাছেই হ্যামবার্গার আর আলুভাজা খেতে এসেছিলেন ইভান ওনিশ্চেঙ্কো। বিদ্যুৎ চলে গেলে যাতে ঘর চালানো যায়, তার জন্য পাঁচতলার বারান্দায় একটি জেনারেটর বসিয়েছেন।
জ্বালানি অবশ্য সিঁড়ি বেয়ে তুলতে হবে। আর জেনারেটরের শব্দ?
ইভানের দাবি, তাঁরটি “চুল শুকোনোর যন্ত্রের চেয়ে বেশি আওয়াজ করে না।”
শুভালোভা থাকেন চোদ্দোতলায়। গত বছর বিদ্যুৎ চলে গেলে বারবার সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে তাঁর উরুর পেশি বেশ শক্ত হয়ে গিয়েছিল—রসিকতা করে বললেন তিনি।
কিন্তু এ বছর পরিস্থিতি আলাদা। তিনি ও তাঁর স্বামী সন্তানের অপেক্ষায়। স্বামী সেনাবাহিনীতে কাজ করেন। তাই শীতের প্রস্তুতিও এ বার অনেক বেশি পরিকল্পিত।
তিন দফার পরিকল্পনা তৈরি করেছেন তাঁরা।
প্রথম পছন্দ কিয়েভেই থাকা। পরিস্থিতি খারাপ হলে রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালের বাইরে থাকা কোনও বন্ধু বা আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যাবেন।
গত শীতে দিনের পর দিন বিদ্যুৎ ছিল না। মোমবাতির আলোয় পড়াশোনা, ল্যাপটপের আলোয় কাজ—এই ভাবেই চলেছে জীবন। নিজেদের কথায়, তাঁরা থাকতেন “ছুঁচোর মতো”।
কিন্তু শিশুকে নিয়ে সে জীবন কল্পনা করা যায় না।
তাই একটি বড় সঞ্চয়ী ব্যাটারি কিনেছেন তাঁরা। দেখতে ছোট সুটকেসের মতো। প্রায় এক দিন ঘরের প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালাতে পারে। গত শীতে যার দাম ছিল প্রায় এক লক্ষ ষাট হাজার ইউক্রেনীয় হৃভনিয়া, গ্রীষ্মে সেটিই প্রায় অর্ধেক দামে কিনেছেন তাঁরা।
দরাজ খুলে শুভালোভা দেখালেন আরও প্রস্তুতি—সারি দিয়ে রাখা বহনযোগ্য চার্জার, জলের বোতল, শুকনো খাবার, চাল, সংরক্ষিত মাংস এবং বাইরে রান্নার ছোট উনুন।
এমনকি রয়েছে ‘শুকনো স্নান’-এর প্যাকেট। মাত্র ৫০ মিলিলিটার জল দিলেই শরীর পরিষ্কার করার মতো কাপড় তৈরি হয়।
বাড়ির বাসিন্দারা নিজেদের আবাসনের ব্যবস্থাপনা নিজেরাই নেওয়ার কথা ভাবছেন। তা হলে বিদ্যুৎ চলে গেলেও একটি লিফট চালানোর জন্য জেনারেটর বসানো হবে। বোমা হামলার আশ্রয়স্থলে তৈরি হবে শৌচাগারও।
শিশুর কথা মাথায় রেখে আরও একটি প্রস্তুতি নিয়েছেন শুভালোভা। সন্তান জন্মের আগে যে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, সেখানে বুকের দুধ খাওয়ানোর উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। কারণ শিশুখাদ্য তৈরি করতে পরিষ্কার জল এবং জল গরম করার ব্যবস্থা—দুটিই দরকার। যুদ্ধের শীতে কোনোটিই নিশ্চিত নয়।
“বুকের দুধ খাওয়ালে এই সব সমস্যাই মিটে যায়,” বললেন তিনি।
কথা বলার সময়ও বাইরে গর্জে চলছিল আকাশ প্রতিরক্ষার অস্ত্র।
‘বসন্ত আসবেই’
যুদ্ধের মধ্যে সন্তান আনার সিদ্ধান্ত নিয়ে ইউক্রেনের বাইরে থেকে প্রশ্ন উঠতেই পারে। শুভালোভা বললেন, আর পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব ছিল না।
“আমাদের মানিয়ে নিতেই হবে। আমাদের জীবনে এই সন্তান অনেক অর্থ এনে দিচ্ছে, অনেক আনন্দও। আর গর্ভাবস্থার হরমোনগুলোও চমৎকার। আমি খুব শান্ত আছি। একেবারেই দুশ্চিন্তা করছি না।”
কেউ ভাগ্যের হাতে নিজেকে ছেড়ে দিয়েছেন। কেউ শহর ছাড়ার পথ তৈরি রেখেছেন। কেউ খাদ্য, জল ও বিদ্যুতের হিসাব কষে ফেলেছেন। কেউ আবার ধ্বংসস্তূপের পাশেই ফুল বিক্রি করছেন।
কিয়েভের মানুষের কাছে ‘স্বাভাবিক’ জীবনের সংজ্ঞাটাই বদলে গেছে। আকাশে বিস্ফোরণ, বিদ্যুৎহীন রাত, জলের অভাব, সিঁড়ি ভেঙে ওঠানামা—সবই যেন দৈনন্দিন জীবনের অংশ।
তবু একটা ব্যাপারে তাঁদের আস্থা অটুট।
শীত যতই কঠিন হোক, তার শেষ আছে।
অলংকরণশিল্পী মাইদুকভ গত শীতের কথা মনে করে বললেন, “সন্ধেবেলায় যখন ঠান্ডায় নীল হয়ে কাঁপছেন, তখন ভাবছেন, ঠিক আছে, একটা দিন তো পেরিয়ে গেল। হয়তো আর দু’তিন সপ্তাহ এ ভাবে সহ্য করতে হবে। সে আর এমন কতটা সময়!”
তারপরই যেন গোটা কিয়েভের হয়ে বলে উঠলেন তিনি—
“প্রতিদিন মনে হত, এই বুঝি আর পারব না, মনোবল ভেঙে পড়বে। কিন্তু নিজেকে ভেঙে পড়তে দিইনি। কারণ, বসন্তকে কিছুই আটকাতে পারবে না। বসন্ত আসবেই।”
সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট
প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।



