বিশ্লেষণ

ভারত–চিন সম্পর্কের নতুন সমীকরণ

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা, সামরিক যোগাযোগ বাড়ানো, বাণিজ্যপথ ও কৈলাসযাত্রা সচল রাখা—বেজিংয়ে অজিত দোভাল ও ওয়াং ই-র বৈঠক থেকে মিলেছে একগুচ্ছ ইতিবাচক বার্তা।
  • সামনে শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য ভারত সফরও আলোচনায়।
  • কিন্তু প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা, বাণিজ্যঘাটতি ও কৌশলগত অবিশ্বাসের পুরনো প্রশ্নগুলি এখনও অমীমাংসিত।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা, সামরিক যোগাযোগ বাড়ানো, বাণিজ্যপথ ও কৈলাসযাত্রা সচল রাখা—বেজিংয়ে অজিত দোভাল ও ওয়াং ই-র বৈঠক থেকে মিলেছে একগুচ্ছ ইতিবাচক বার্তা। সামনে শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য ভারত সফরও আলোচনায়। কিন্তু প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা, বাণিজ্যঘাটতি ও কৌশলগত অবিশ্বাসের পুরনো প্রশ্নগুলি এখনও অমীমাংসিত।

বাংলাস্ফিয়ার স্পেশাল রিপোর্ট: ২০২০ সালের জুনে গালওয়ান উপত্যকার রাতটি ভারত–চিন সম্পর্কে যে গভীর ক্ষত তৈরি করেছিল, ছ’বছর পরও তা পুরোপুরি মিলিয়ে যায়নি। তবে দুই দেশের কথাবার্তার ভাষা বদলেছে। সীমান্তে মুখোমুখি অবস্থান থেকে সেনা সরানো, শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক, সরাসরি বিমান যোগাযোগ ও সীমান্ত-বাণিজ্য ফেরানোর উদ্যোগের পর এবার বেজিংয়ে সীমান্ত প্রশ্নে বিশেষ প্রতিনিধিদের বৈঠক আরও এক ধাপ এগোনোর ইঙ্গিত দিয়েছে।

২৫ আগস্ট বেজিংয়ে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই সীমান্ত প্রশ্নে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের ২৫তম দফা বৈঠকে বসেন। বৈঠকের পরে ঘোষিত আট দফা সমঝোতায় সীমান্তে শান্তি রক্ষা, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা এলএসি-তে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে সামরিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানো এবং সীমানা নির্ধারণের আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এই অগ্রগতি তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু একে সম্পর্কের পূর্ণ স্বাভাবিকীকরণ বলা তাড়াহুড়ো হবে। দিল্লি ও বেজিং আপাতত এমন এক বন্দোবস্ত খুঁজছে, যেখানে বিরোধ মিটে না গেলেও তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে না—আর সীমান্তের উত্তেজনা যেন বাণিজ্য, কূটনীতি ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার সমস্ত পথ বন্ধ না করে দেয়।

বেজিং বৈঠকে কী বদলাল

ভারত–চিন সীমান্ত প্রায় ৩,৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ; এর বহু অংশে দুই দেশের সীমানা-ধারণা এক নয়। সেই কারণেই এলএসি-তে টহল, অস্থায়ী কাঠামো বা সেনা চলাচলকে কেন্দ্র করে সংঘাতের ঝুঁকি থেকে যায়। এবারের বৈঠকে মাটির পরিস্থিতি দ্রুত সামাল দিতে প্রচলিত কূটনৈতিক ও সামরিক ব্যবস্থাগুলি আরও সক্রিয় রাখার কথা হয়েছে।

দুই দেশ পূর্ব ও মধ্য সেক্টরে আরও দু’টি সামরিক হটলাইন এবং উচ্চপদস্থ কমান্ডারদের বৈঠকের জন্য অতিরিক্ত দু’টি মিলনস্থল তৈরিতে সম্মত হয়েছে। সীমান্ত-ব্যবস্থাপনা এবং সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আলাদা বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠী কাজ করবে। উপযুক্ত এলাকাগুলিতে এলএসি সম্পর্কে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর কথাও নথিতে রয়েছে।

এগুলি কোনও সীমান্ত-সমাধান নয়। তবে গালওয়ান-পরবর্তী অভিজ্ঞতায় একটি বিষয় স্পষ্ট—স্থানীয় স্তরে দ্রুত যোগাযোগ না হলে ছোট ঘটনা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় সংকটে পরিণত হতে পারে। নতুন হটলাইন ও বৈঠকের ব্যবস্থা সেই ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা।

সীমান্ত বাণিজ্যের তিনটি নির্ধারিত পথ ফের চালু হওয়া এবং ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের কৈলাস–মানস সরোবর যাত্রার সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়েও দুই পক্ষ সন্তোষ জানিয়েছে। আন্তঃসীমান্ত নদীর জলপ্রবাহের তথ্য বিনিময় নিয়ে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের পরবর্তী বৈঠক সেপ্টেম্বরে হওয়ার কথা। হিমালয় অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও দুর্যোগের প্রেক্ষিতে এই তথ্য-বিনিময়ের বাস্তব গুরুত্ব কেবল কূটনৈতিক নয়, জননিরাপত্তার সঙ্গেও যুক্ত।

গালওয়ান থেকে এই টেবিল পর্যন্ত

২০২০ সালের ১৫ জুন পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় ও চিনা সেনার সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হন। চিন পরে চার সেনার মৃত্যুর কথা স্বীকার করে। কয়েক দশকের মধ্যে সীমান্তে সেটিই ছিল সবচেয়ে গুরুতর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। তার পরে পূর্ব লাদাখে দুই দেশ বিপুল সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করে; সম্পর্ক কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

দিল্লির অবস্থান ছিল স্পষ্ট—সীমান্তে শান্তি না ফিরলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে পারে না। বেজিং চাইছিল সীমান্ত বিরোধকে সামগ্রিক সম্পর্কের একমাত্র নির্ধারক না করতে। এই দুই অবস্থানের ব্যবধান কাটাতে কর্পস কমান্ডার স্তরে বহু দফা আলোচনা এবং কূটনৈতিক বৈঠক হয়েছে।

২০২৪ সালের অক্টোবরে অবশিষ্ট কয়েকটি সংঘাতস্থল থেকে সেনা সরানো ও টহল নিয়ে বোঝাপড়া হয়। রাশিয়ার কাজানে নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক রাজনৈতিক স্তরে সেই ‘রিসেট’-এর পথ খুলে দেয়। পরের বছর তিয়ানজিনে দুই নেতা বলেন, ভারত ও চিন প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, উন্নয়নের অংশীদার হতে পারে। সরাসরি বিমান যোগাযোগ ফেরানো, ভিসা সহজ করা এবং মানুষের যাতায়াত বাড়ানোর উদ্যোগও তখন সামনে আসে।

কিন্তু সেনা পিছিয়ে যাওয়া মানেই সীমান্ত-বিরোধের অবসান নয়। গালওয়ানের আগের টহল-ব্যবস্থা সর্বত্র ফিরেছে কি না, সীমান্তের কাছে পরিকাঠামো নির্মাণ কতটা নিয়ন্ত্রিত থাকবে এবং ভবিষ্যৎ সংঘাত ঠেকাতে মাটিতে কোন নিয়ম কার্যকর হবে—এই প্রশ্নগুলি এখনও গুরুত্বপূর্ণ।

শি জিনপিং কি ভারতে আসছেন?

সূত্রের খবর, সেপ্টেম্বরে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে শি জিনপিংয়ের আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সফরটি হলে সাত বছর পরে তাঁর প্রথম ভারত সফর হবে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সফরের সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। ফলে সম্ভাবনাকে সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখানোর সুযোগ নেই।

তবু সম্ভাব্য সফরটিই রাজনৈতিক আবহ বোঝার জন্য যথেষ্ট। গালওয়ানের পরে যে সম্পর্ক দীর্ঘ সময় শীর্ষস্তরের দ্বিপাক্ষিক উষ্ণতা হারিয়েছিল, সেখানে শি-র দিল্লি সফর দৃশ্যমান স্বাভাবিকতার বড় বার্তা দিতে পারে। একই সঙ্গে মোদি–শি বৈঠক সীমান্ত-সমঝোতাকে রাজনৈতিক সমর্থন এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ককে নতুন গতি দিতে পারে।

কাছাকাছি আসার পেছনে ওয়াশিংটনের ছায়া

ভারত–চিন সম্পর্কের সাম্প্রতিক উষ্ণতাকে শুধু দ্বিপাক্ষিক সদিচ্ছা দিয়ে ব্যাখ্যা করলে ছবিটি অসম্পূর্ণ থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যনীতি, শুল্কের চাপ এবং বৈশ্বিক সরবরাহশৃঙ্খলের অনিশ্চয়তা দিল্লি ও বেজিং—দুই রাজধানীকেই হিসাব বদলাতে বাধ্য করেছে। বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা ও ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর প্রশ্নে দুই দেশের কিছু স্বার্থ মিললেও তাদের কৌশলগত অবস্থান এক নয়।

ভারত এখনও যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে কোয়াডের অংশ। ভারত মহাসাগরে চিনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নিয়ে দিল্লির উদ্বেগ রয়েছে। অন্য দিকে, বেজিং ভারতের পশ্চিমি অংশীদারিত্বকে নিজের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য ভারসাম্য তৈরির কৌশল হিসেবে দেখে। পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠতা এবং চিন–পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের একটি অংশ পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের মধ্য দিয়ে যাওয়াও ভারতের আপত্তির কেন্দ্র।

অতএব যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ভারত ও চিনকে নির্দিষ্ট প্রশ্নে কাছাকাছি আনতে পারে, কিন্তু তা কোনও নতুন জোট তৈরি করছে না। বরং দুই দেশই নিজেদের কৌশলগত স্বাধীনতা বাড়াতে অপর পক্ষের সঙ্গে উত্তেজনা কিছুটা কমাতে আগ্রহী।

বাণিজ্যে নির্ভরতা, সঙ্গে অস্বস্তি

রাজনৈতিক টানাপড়েন সত্ত্বেও চিন ভারতের অন্যতম বৃহৎ পণ্য-বাণিজ্য অংশীদার। ইলেকট্রনিক্স, সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম, ওষুধ তৈরির কাঁচামাল, যন্ত্রাংশ এবং শিল্পের বহু গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে ভারতের চিন-নির্ভরতা রয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য প্রবল ভাবে বেজিংয়ের পক্ষে। ২০২৫ সালের শীর্ষ বৈঠকে ভারত প্রায় ৯৯.২ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যঘাটতির বিষয়টি তুলেছিল বলে রয়টার্স জানিয়েছিল।

এই দ্বৈত বাস্তবতাই দিল্লির নীতির কেন্দ্র। এক দিকে জাতীয় নিরাপত্তা, তথ্য সুরক্ষা ও দেশীয় শিল্প রক্ষার যুক্তিতে চিনা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ; অন্য দিকে উৎপাদন বাড়াতে চিনা মূলধন, যন্ত্রাংশ ও দক্ষতার প্রয়োজন। ২০২৬ সালের সংশোধিত বিদেশি বিনিয়োগ বিধিতে স্থলসীমান্ত-সংলগ্ন দেশগুলি থেকে নিয়ন্ত্রণহীন ১০ শতাংশ পর্যন্ত কিছু বিনিয়োগ স্বয়ংক্রিয় পথে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এটি দরজা পুরো খুলে দেওয়া নয়; বরং কড়া নজরদারির মধ্যে সীমিত অর্থনৈতিক পুনঃসংযোগ।

যে প্রশ্নগুলি এখনও অমীমাংসিত

সীমান্তে যোগাযোগ বাড়লেও এলএসি নির্ধারিত আন্তর্জাতিক সীমানা নয়। অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে চিনের দাবি এবং আকসাই চিন নিয়ে ভারতের অবস্থান অপরিবর্তিত। সীমান্তের দু’পাশে রাস্তা, সেতু, বিমানঘাঁটি ও সামরিক পরিকাঠামোও দ্রুত বেড়েছে। ফলে রাজনৈতিক সম্পর্কে সামান্য অবনতিই আবার মাটির উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

বিশ্বাসের ঘাটতি শুধু সীমান্তে নয়। জলপ্রবাহের তথ্য, বাজারে প্রবেশাধিকার, প্রযুক্তি, ভিসা, সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই দু’পক্ষের অভিযোগ রয়েছে। তাই এখনকার অগ্রগতির প্রকৃত পরীক্ষা হবে ঘোষণার পরের বাস্তব প্রয়োগে: হটলাইন কাজ করছে কি না, টহল নিয়ে সংঘাত কমছে কি না, নদীর তথ্য সময়ে মিলছে কি না এবং বাণিজ্যিক বাধা সত্যিই শিথিল হচ্ছে কি না।

নতুন সমীকরণ: মৈত্রী নয়, নিয়ন্ত্রিত প্রতিযোগিতা

দিল্লি ও বেজিং যে আগের তুলনায় কাছাকাছি এসেছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। উচ্চপর্যায়ের সংলাপ ফিরেছে, সীমান্তে সংঘাত ঠেকানোর নতুন ব্যবস্থা হচ্ছে এবং বাণিজ্য ও যাতায়াতের বন্ধ দরজাগুলি ধীরে ধীরে খুলছে। কিন্তু এই কাছাকাছি আসা বিশ্বাসের পুনর্জন্ম নয়; এটি প্রয়োজনের ভিত্তিতে সম্পর্ককে স্থিতিশীল করার চেষ্টা।

গালওয়ানের ছায়া তাই পেরিয়ে যাওয়া হয়নি—বরং তাকে সঙ্গে নিয়েই দুই দেশ সামনে হাঁটার নিয়ম বানাচ্ছে। আগামী কয়েক মাসে সম্ভাব্য শি সফর, ব্রিকস বৈঠক এবং সীমান্ত-সমঝোতার বাস্তব প্রয়োগ দেখিয়ে দেবে এই নতুন সমীকরণ কতটা স্থায়ী। আপাতত সবচেয়ে নির্ভুল বর্ণনা হতে পারে: ভারত ও চিন আর প্রকাশ্য সংঘাতের দিকে এগোতে চায় না, কিন্তু তারা এখনও পরস্পরকে পুরোপুরি বিশ্বাসও করে না।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles