Table of Contents
হাইলাইটস
- মুক্তির আগেই সমালোচকদের কাছে বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে ক্রিস্টোফার নোলানের দ্য ওডিসি।
- রটেন টমেটোজে সমালোচকদের স্কোর ৯৯ শতাংশ, টোম্যাটোমিটারে ৯৬ শতাংশ।
- ভ্যারাইটি, দ্য টাইমস, দ্য টেলিগ্রাফ, গার্ডিয়ান-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ছবিটিকে বছরের অন্যতম সেরা বলে আখ্যা দিয়েছে।
- ম্যাট ডেমন, টম হল্যান্ড, অ্যান হ্যাথাওয়ে, রবার্ট প্যাটিনসন, জেনডায়া-সহ তারকাখচিত অভিনয়ও প্রশংসিত।
- ১৭ জুলাই বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি; ভারতে কোনও দৃশ্য বাদ না দিয়েই ‘এ’ শংসাপত্র পেয়েছে।
দীর্ঘ কয়েক মাসের জল্পনা, অসংখ্য ভক্ত-তত্ত্ব এবং আকাশছোঁয়া প্রত্যাশার পর অবশেষে প্রেক্ষাগৃহে পৌঁছেছে ক্রিস্টোফার নোলানের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘দ্য ওডিসি’। আর মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই আন্তর্জাতিক সমালোচকদের প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দিল—নোলান আবারও বড় পর্দায় এক অসাধারণ সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা উপহার দিয়েছেন।
হোমারের অমর গ্রিক মহাকাব্য ‘দ্য ওডিসি’ অবলম্বনে নির্মিত এই মহাকাব্যিক ফ্যান্টাসি-অ্যাকশন ছবির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা দুটিই করেছেন নোলান। কিংবদন্তি রাজা ওডিসিউসের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ম্যাট ডেমন। তাঁর ছেলে টেলেম্যাকাসের ভূমিকায় রয়েছেন টম হল্যান্ড, আর প্রতিপক্ষ অ্যান্টিনোয়াসের চরিত্রে রবার্ট প্যাটিনসন। ওডিসিউসের স্ত্রী পেনেলোপের ভূমিকায় অ্যান হ্যাথাওয়ে, ক্যালিপসো চরিত্রে শার্লিজ থেরন। এছাড়াও অভিনয় করেছেন জেনডায়া, লুপিতা নিয়ং’ও, জন বার্নথাল, হিমেশ প্যাটেল, জন লেগুইজামো এবং মিয়া গথ।
রিভিউ প্রকাশের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর একের পর এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ছবিটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ। বর্তমানে রটেন টমেটোজে ছবিটির সমালোচকদের স্কোর ৯৯ শতাংশ, আর টোম্যাটোমিটার রেটিং ৯৬ শতাংশ।
ভ্যারাইটি লিখেছে, এটি এক সাহসী ও মহাকাব্যিক নির্মাণ। প্রায় তিন ঘণ্টার ছবিতে পরপর এমন সব বিশাল দৃশ্য রয়েছে, যা অন্য কোনও বড় বাজেটের ছবিতে হলে আলাদা করে ক্লাইম্যাক্স হিসেবে ব্যবহার করা যেত।
দ্য টেলিগ্রাফ ছবিটিকে সরাসরি ‘বছরের সেরা ছবি’ বলেছে। মেট্রো-র দাবি, এই ছবি ‘সিনেমার ভাষাই বদলে দিতে পারে’। দ্য টাইমস-এর মতে, এটি ‘প্রতিটি দিক থেকেই একটি মাস্টারপিস’, আর দ্য স্ট্যান্ডার্ড একে ‘বিশাল মাপের সিনেমাটিক সৃষ্টি’ বলে বর্ণনা করেছে।
যদিও অধিকাংশ প্রতিক্রিয়াই অত্যন্ত ইতিবাচক, হলিউড রিপোর্টার-এর সমালোচক ডেভিড রুনি ছবিটিকে কিছুটা অসম বলে মন্তব্য করেছেন। তবে একইসঙ্গে তিনি বিশাল তারকাবহুল অভিনয়শিল্পীদের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস-এর অ্যামি নিকলসন বলেছেন, ছবিটি অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক হলেও মূল কাহিনি থেকে কিছুটা সরে এসেছে। তাঁর মতে, নোলান চরিত্রের অহংকার ও কামনার দিকটি কিছুটা কম গুরুত্ব দিয়েছেন। তবে একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন, নোলান হোমারের কাহিনিকে নিজের স্বতন্ত্র চলচ্চিত্রভাষায় নতুনভাবে নির্মাণ করেছেন, যেখানে স্মৃতি, আত্মপরিচয়, প্রতিভার ধ্বংসাত্মক দিক এবং সময়ের প্রবাহ বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
দ্য গার্ডিয়ান-এর পিটার ব্র্যাডশ ছবিটিকে ‘রোমাঞ্চকর উচ্চাকাঙ্ক্ষা, সাহস, গভীরতা ও উদারতার অসাধারণ মিশ্রণ’ বলে বর্ণনা করেছেন। এম্পায়ার ছবিটিকে পাঁচে পাঁচ তারকা দিয়ে লিখেছে, ‘মহাকাব্যিক সিনেমা বলতে যা বোঝায়, দ্য ওডিসি তারই সংজ্ঞা।’
বিবিসি-র মতে, ওপেনহাইমার হয়তো নোলানের সবচেয়ে নিখুঁত ছবি, কিন্তু দ্য ওডিসি এতটাই সমৃদ্ধ, জাদুময় এবং মানবিক যে ছবিটি আবারও দেখতে ইচ্ছা হবে।
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, নোলান তিন হাজার বছরের পুরনো একটি মহাকাব্যকে আধুনিক দর্শকের জন্য বুদ্ধিদীপ্ত, চিন্তাশীল এবং পুরনো হলিউডের আবহমণ্ডলসমৃদ্ধ এক অনন্য চলচ্চিত্রে রূপ দিয়েছেন।
ইউএসএ টুডে-র মতে, ছবির প্রযোজনা নকশা, পোশাক, দৃশ্য বিন্যাস—প্রতিটি ক্ষেত্রেই দর্শকের জন্য রয়েছে বিস্ময়ের উপাদান। স্ক্রিন র্যান্ট একে বলেছে ‘রুদ্ধশ্বাস, মুগ্ধকর, কখনও ভয়ঙ্কর, আবার প্রয়োজনমতো গভীর আবেগময়।’ অন্যদিকে দ্য র্যাপ-এর মন্তব্য, এটি আসলে অপরাধবোধ, আত্মসমালোচনা ও লজ্জাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এক ব্যক্তিগত কাহিনি, যা বিরাট স্টুডিও-স্কেলের মহাকাব্যিক রূপ পেয়েছে।
তবে কয়েকজন সমালোচক একটি অভিযোগ তুলেছেন—ছবির কিছু অংশে সংলাপ স্পষ্টভাবে শোনা যায় না, যা নোলানের আগের কয়েকটি ছবির ক্ষেত্রেও আলোচনার বিষয় ছিল।
ছবির কাহিনিতে ট্রয় যুদ্ধের পর নিজের রাজ্য ইথাকায় ফিরতে দশ বছর ধরে দানব, পৌরাণিক প্রাণী এবং অসংখ্য অসম্ভব বাধার বিরুদ্ধে লড়াই করেন রাজা ওডিসিউস। এই দুঃসাহসিক অভিযানের পাশাপাশি ছবিতে ওডিসিউস ও তাঁর স্ত্রী পেনেলোপের গভীর প্রেমের সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
‘ওপেনহাইমার’-এর পর এটি নোলানের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। উল্লেখ্য, ওপেনহাইমার সাতটি অস্কার জিতেছিল, যার মধ্যে ছিল সেরা ছবি-র সম্মানও। ১৭ জুলাই বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাওয়া দ্য ওডিসি আইম্যাক্স ২ডি ও ৪ডিএক্স-সহ একাধিক ফরম্যাটে প্রদর্শিত হচ্ছে। ভারতে ছবিটি কোনও কাটছাঁট ছাড়াই সেন্সর ছাড়পত্র পেলেও ‘এ’ (প্রাপ্তবয়স্ক) শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে।
\
মুক্তির পরই সমালোচকদের উচ্ছ্বাস, রটেন টমেটোজে দুর্দান্ত স্কোর
হাইলাইটস
- মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই আন্তর্জাতিক সমালোচকদের বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’।
- রটেন টমেটোজে সমালোচকদের স্কোর ৯৯ শতাংশ, টোম্যাটোমিটারে ৯৬ শতাংশ।
- ভ্যারাইটি, দ্য টাইমস, দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য গার্ডিয়ান–সহ একাধিক সংবাদমাধ্যম ছবিটিকে বছরের অন্যতম সেরা বলে আখ্যা দিয়েছে।
- ম্যাট ডেমন, টম হল্যান্ড, অ্যান হ্যাথাওয়ে, রবার্ট প্যাটিনসন ও জেনডায়ার অভিনয়ও প্রশংসিত।
- ভারতে কোনও দৃশ্য বাদ না দিয়েই ‘এ’ শংসাপত্র পেয়েছে ছবিটি।
মাসের পর মাস জল্পনা, অসংখ্য ভক্ত-তত্ত্ব আর আকাশছোঁয়া প্রত্যাশার পর অবশেষে বড় পর্দায় এসেছে ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’। আর মুক্তির প্রথম দিনেই স্পষ্ট—সমালোচকদের বড় অংশের মতে, নোলান আবারও তৈরি করেছেন এক অসাধারণ সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা।
হোমারের অমর গ্রিক মহাকাব্য ‘দ্য ওডিসি’ অবলম্বনে নির্মিত এই মহাকাব্যিক ফ্যান্টাসি-অ্যাডভেঞ্চারের চিত্রনাট্য ও পরিচালনা—দুইই করেছেন নোলান।
রাজা ওডিসিউস চরিত্রে অভিনয় করেছেন ম্যাট ডেমন। তাঁর ছেলে টেলেম্যাকাস চরিত্রে রয়েছেন টম হল্যান্ড, প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্টিনোয়াস চরিত্রে রবার্ট প্যাটিনসন, আর পেনেলোপের ভূমিকায় অ্যান হ্যাথাওয়ে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন শার্লিজ থেরন, জেনডায়া, লুপিতা নিয়ং’ও, জন বার্নথাল, হিমেশ প্যাটেল, জন লেগুইজামো এবং মিয়া গথ।
রটেন টমেটোজে দুর্দান্ত সূচনা
রিভিউ প্রকাশের নিষেধাজ্ঞা উঠতেই একের পর এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ছবিটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
বর্তমানে রটেন টমেটোজে ছবিটির সমালোচকদের স্কোর ৯৯ শতাংশ, আর টোম্যাটোমিটার রেটিং ৯৬ শতাংশ—যা চলতি বছরের অন্যতম সেরা সূচনা।
‘বছরের সেরা’, ‘মাস্টারপিস’, ‘মহাকাব্য’
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিক্রিয়াও প্রায় একই সুরে।
ভ্যারাইটি ছবিটিকে “সাহসী ও মহাকাব্যিক নির্মাণ” বলে উল্লেখ করেছে। তাদের মতে, প্রায় তিন ঘণ্টার ছবিতে এমন একের পর এক বিশাল দৃশ্য রয়েছে, যেগুলো অন্য ছবিতে হলে আলাদা ক্লাইম্যাক্স হিসেবেই ব্যবহার করা যেত।
দ্য টেলিগ্রাফ একে সরাসরি “বছরের সেরা ছবি” বলে আখ্যা দিয়েছে।
দ্য টাইমস-এর ভাষায়, এটি “প্রতিটি দিক থেকেই একটি মাস্টারপিস”।
দ্য স্ট্যান্ডার্ড ছবিটিকে বলেছে “বিশাল মাপের সিনেমাটিক সৃষ্টি”, আর মেট্রোর দাবি, এই ছবি “সিনেমার ভাষাই বদলে দিতে পারে”।
গার্ডিয়ান থেকে বিবিসি—সবখানেই প্রশংসা
দ্য গার্ডিয়ান-এর সমালোচক পিটার ব্র্যাডশ ছবিটিকে বলেছেন—
“রোমাঞ্চকর উচ্চাকাঙ্ক্ষা, সাহস, গভীরতা ও উদারতার অসাধারণ মিশ্রণ।”
এম্পায়ার পাঁচে পাঁচ তারকা দিয়ে লিখেছে—
“মহাকাব্যিক সিনেমা বলতে যা বোঝায়, ‘দ্য ওডিসি’ তারই সংজ্ঞা।”
অন্যদিকে বিবিসির মতে, ওপেনহাইমার হয়তো নোলানের সবচেয়ে নিখুঁত ছবি, কিন্তু ‘দ্য ওডিসি’ এতটাই সমৃদ্ধ, জাদুময় ও মানবিক যে এটি বারবার দেখতে ইচ্ছে করবে।
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, নোলান তিন হাজার বছরের পুরনো এক মহাকাব্যকে আধুনিক দর্শকের জন্য বুদ্ধিদীপ্ত, চিন্তাশীল এবং ক্লাসিক হলিউডের আবহে নতুনভাবে নির্মাণ করেছেন।
সবাই প্রশংসা করলেও কিছু সমালোচনাও আছে
প্রায় সর্বসম্মত প্রশংসার মাঝেও কয়েকজন সমালোচক কিছু আপত্তির কথাও তুলেছেন।
দ্য হলিউড রিপোর্টার-এর ডেভিড রুনি ছবিটিকে কিছুটা অসম মনে করলেও, তারকাবহুল অভিনয়শিল্পীদের পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস-এর অ্যামি নিকলসনের মতে, ছবিটি অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক হলেও হোমারের মূল কাহিনি থেকে কিছুটা সরে এসেছে। তাঁর মতে, নোলান চরিত্রগুলোর অহংকার ও কামনার দিকটি তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব দিয়েছেন।
তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেছেন, পরিচালক তাঁর নিজস্ব চলচ্চিত্রভাষায় স্মৃতি, আত্মপরিচয়, সময় এবং প্রতিভার মূল্য নিয়ে এক নতুন ব্যাখ্যা হাজির করেছেন।
পুরনো অভিযোগও ফিরেছে
কয়েকজন সমালোচক আবারও নোলানের পুরনো একটি সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন।
তাঁদের অভিযোগ, ছবির কিছু দৃশ্যে সংলাপ স্পষ্টভাবে শোনা যায় না। টেনেট এবং ওপেনহাইমার-এর ক্ষেত্রেও একই সমালোচনা উঠেছিল।
মহাকাব্যের নতুন রূপ
ছবির গল্পে ট্রয় যুদ্ধ শেষে রাজা ওডিসিউস নিজের রাজ্য ইথাকায় ফিরতে দশ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় বের হন। পথে তাঁকে লড়তে হয় দানব, পৌরাণিক প্রাণী এবং একের পর এক অসম্ভব বাধার বিরুদ্ধে।
তবে এটি শুধু একটি দুঃসাহসিক অভিযানের গল্প নয়। ছবির অন্যতম আবেগঘন স্তম্ভ হলো ওডিসিউস ও তাঁর স্ত্রী পেনেলোপের সম্পর্ক—যা পুরো কাহিনিকে মানবিক গভীরতা দিয়েছে।
ভারতেও মুক্তি, কোনও কাটছাঁট নয়
‘ওপেনহাইমার’-এর পর এটি ক্রিস্টোফার নোলানের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
উল্লেখ্য, ওপেনহাইমার সাতটি অস্কার জিতেছিল, যার মধ্যে ছিল সেরা ছবির সম্মানও।
১৭ জুলাই বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য ওডিসি’ আইম্যাক্স ২ডি, ৪ডিএক্স-সহ একাধিক ফরম্যাটে প্রদর্শিত হচ্ছে।
ভারতে ছবিটি কোনও দৃশ্য বাদ না দিয়েই সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। তবে এর জন্য দেওয়া হয়েছে ‘এ’ (Adults Only) শংসাপত্র।
প্রথম দিনের প্রতিক্রিয়া যদি ইঙ্গিত হয়, তবে ‘দ্য ওডিসি’ শুধু নোলানের আরেকটি বড় ছবি নয়—বরং ২০২৬ সালের অন্যতম আলোচিত এবং পুরস্কারের দৌড়ে এগিয়ে থাকা সিনেমা হয়ে উঠতে চলেছে।