খবর

দু’দিনেই উধাও ‘সতলুজ’

এক নজরে

যা জানা জরুরি

  • খালিস্তানি বিতর্কে জি৫ থেকে সরানোর নির্দেশ কেন্দ্রের হাইলাইটস: মুক্তির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই জি৫ থেকে সরানো হল ‘সতলুজ’।
  • তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারায় অপসারণের নির্দেশ কেন্দ্রের।
  • সরকারি সূত্রের দাবি, ছবিতে প্রো-খালিস্তানি বার্তার আশঙ্কা।

বিস্তারিত প্রতিবেদন

খালিস্তানি বিতর্কে জি৫ থেকে সরানোর নির্দেশ কেন্দ্রের

হাইলাইটস:

  • মুক্তির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই জি৫ থেকে সরানো হল ‘সতলুজ’
  • তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারায় অপসারণের নির্দেশ কেন্দ্রের।
  • সরকারি সূত্রের দাবি, ছবিতে প্রো-খালিস্তানি বার্তার আশঙ্কা।
  • মানবাধিকার কর্মী জসওয়ন্ত সিং খালরার জীবন অবলম্বনে তৈরি ছবি।
  • বিষয়টি এখন আন্তঃবিভাগীয় কমিটির পর্যালোচনায়।

মুক্তির মাত্র দু’দিনের মধ্যেই বিতর্কের কেন্দ্রে দিলজিৎ দোসাঞ্জ অভিনীত হিন্দি ছবি ‘সতলুজ’। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জি৫ থেকে ছবিটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, ছবির কিছু অংশে এমন বিষয়বস্তু রয়েছে, যা প্রো-খালিস্তানি বার্তা ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করতে পারে। সেই কারণেই তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারার আওতায় অপসারণের নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

সরকারি এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, কেন্দ্রের নির্দেশ পাওয়ার পর জি৫ ছবিটি সরিয়ে নিয়েছে। তবে এটিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। বিষয়টি এখন তথ্যপ্রযুক্তি বিধি, ২০২১ অনুযায়ী গঠিত আন্তঃবিভাগীয় কমিটির পর্যালোচনায় রয়েছে।

খালরার জীবন ঘিরেই বিতর্ক

‘সতলুজ’ ছবিটি পঞ্জাবের বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী জসওয়ন্ত সিং খালরা-র জীবন ও কাজের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। পঞ্জাবে জঙ্গি দমন অভিযানের সময় কথিত ভুয়ো সংঘর্ষ এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের ঘটনা নিয়ে তাঁর তদন্ত আন্তর্জাতিক স্তরেও আলোচিত হয়েছিল। সরকারি সূত্রের দাবি, ছবির কয়েকটি দৃশ্য ও উপস্থাপনা নিয়েই আপত্তি উঠেছে।

কী বলছে ৬৯এ ধারা?

তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারা অনুযায়ী, দেশের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা বা জনশৃঙ্খলার স্বার্থে কেন্দ্র অনলাইন কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ দিতে পারে। সেই আইনি ক্ষমতাই এবার প্রয়োগ করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের দাবি।

এখন কী হবে?

সরকার জানিয়েছে, এটি অন্তর্বর্তী পদক্ষেপ। আন্তঃবিভাগীয় কমিটি পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে সুপারিশ জমা দেবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে— ছবিটি স্থায়ীভাবে সরানো হবে, নাকি আবার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ফিরবে।

এদিকে, দিলজিৎ দোসাঞ্জ, ছবির নির্মাতারা কিংবা জি৫— কারও পক্ষ থেকেই এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ফলে বিতর্কের শেষ কোথায়, তা আপাতত সময়ই বলবে।

সূত্র ও সম্পাদকীয় নোট

প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট উৎস ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হয়েছে। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আপডেট করা হতে পারে।

বিষয়:
লেখক / সম্পাদকীয় ডেস্ক

বাংলাস্ফিয়ার ডেস্ক

বিশ্বস্ত উৎস যাচাই করে পাঠকের জন্য সংবাদ ও ব্যাখ্যা প্রস্তুত করে বাংলাSphere সম্পাদকীয় দল।

আরও লেখা →
সকালের খবর, একসঙ্গে

দিন শুরু হোক বাংলাSphere-এর সঙ্গে

বাছাই করা গুরুত্বপূর্ণ খবর সরাসরি আপনার ইনবক্সে পেতে আমাদের নিউজলেটারে যুক্ত হন।

ইমেলে সাবস্ক্রাইব করুন →
বাংলাস্ফিয়ার

বাংলাস্ফিয়ার একটি স্বাধীন বাংলা সংবাদ ও মতামতভিত্তিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। দেশ, বিশ্ব, রাজনীতি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ খবর ও বিশ্লেষণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

Edtior's Picks

Latest Articles